Shakib Khan ‘Elo Re’!

Shakib Khan is considered one of the busiest actors of the Bangladeshi film industry today. With three global film releases this Eid, it is no surprise that he has been crowned as the “Dhaliwood King” by fans and critics alike. Further to this, his film ‘Bhaijaan Elo Re’ just released in Kolkata, West Bengal and in Northeast India’s Assam.

Porimoni takes a break

With her vibrant personality and outstanding performances, Porimoni has won the hearts of millions across the nation. In her five years as an actor, she has already done numerous films with Swapnajaal being one of them. Even today, Bangladeshi cinemagoers are full of praise for her work in that film.

ঈদের দিন শাকিবের মনে বড় ধরনের আঘাত দিলেন অপু!













ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অপু বিশ্বাস। এখন তিনি কলকাতায় শুটিং করেছেন। ছবির নাম ‘শর্টকাট’। পরিচালক সুবীর মণ্ডল। নচিকেতার লেখা একটি গল্পকে নিয়ে তৈরি হচ্ছে মুভিটি। এই চলচ্চিত্রে অপু অভিনয় করছেন নূরজাহান চরিত্রে।

ছবির শ্যুটিং নিয়ে ভারতীয় একটি পত্রিকাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, এখন বড্ড গরম। গরমের সঙ্গে রীতিমতো যুদ্ধ করে শ্যুটিং করতে হচ্ছে। তবে সহঅভিনেতারা ভীষণ পেশাদার। তাদের সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে কোনওরকম অসুবিধা তো হচ্ছেই না বরং প্রাপ্তি ঘটছে অনেক।

এক প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, অনেক ছবিতে অভিনয় করার অফার এসেছিল। কিন্তু করা হয়ে ওঠেনি। কারণ ঢাকায় একটার পর একটা ছবিতে অভিনয় করে যাচ্ছিলাম। এখনও পর্যন্ত ৯৬টা ছবিতে অভিনয় করেছি। আর অপু-শাকিব জুটি তো বাংলাদেশে ইতিহাস তৈরি করেছে।

শাকিব-অপু জুটির ‘পাঙ্কু জামাই’ এর মুক্তির ব্যাপারে তিনি বলেন, এই ছবি তৈরির মাঝখানেই আমাদের মধ্যে একটা সমস্যা হয়েছিল। তবে, ব্যক্তিগত সমস্যা যাই থাকুক না কেন, ছবি কমপ্লিট হওয়া নিয়ে কোনও সমস্যা হয়নি। কারণ আমরা দু’জনেই পেশাদার অভিনেতা।

শাকিব খানকে নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, জীবন যখন আছে। তখন জীবনে নানারকম অভিজ্ঞতা তো থাকবেই। ভাল-খারাপ, সব নিয়েই একটা মানুষের জীবন। জীবন তো আর থেমে থাকে না। চলতেই থাকে। মিস করি কিনা জানি না। তবে একটা কথা বলতে পারি। আমার কাছে সন্তান আছে। আর সে কিন্তু একা।




শাকিব খানের এবারের ঈদ কেমন কাটছে?













ঈদে চলচ্চিত্র পাড়ায় বাড়তি আমেজ লক্ষ্য করা যায়। সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যেও থাকে ঈদের সিনেমা নিয়ে আগ্রহ। ঈদের সিনেমা মানেই ক্ষমতাসীন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রিয় শিল্পী, বেশি বাজেট, বেশি প্রচারণা- সব কিছুই যেন একটু বেশি। ঈদে কোন কোন সিনেমা মুক্তি পাবে, তা নিয়ে কয়েক মাস আগে থেকেই শুরু হয় তোড়জোড়। মুক্তির মিছিলে থাকে প্রায় ডজনখানেক সিনেমা। গত কয়েক বছর ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে, এ দৌঁড়ে এগিয়ে থাকেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। তার অভিনীত একাধিক সিনেমা ঈদে মুক্তি পায়। শাকিব খানের সিনেমা মানেই দর্শক ও হল মালিকদের বাড়তি আগ্রহ। এবারো এ আগ্রহে ভাটা পড়েনি।

২০০৬ সালে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেয়েছে ‘ঢাকাইয়া পোলা বরিশাইলা মাইয়া’। ২০১৮ সালে এসে মুক্তি পাচ্ছে ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’। ২০০৬ সালের সেই সিনেমা ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়েছিল। এই দুটি সিনেমা বিশেষ দুই অঞ্চলের ভাষায় নির্মাণ করা হয়েছে। এখন অপেক্ষার পালা ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ কতটা সফল হয় সেটি দেখার। ২০০৬ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া সিনেমাগুলোর পরিসংখ্যানে দেখা যায় শাকিব খান অভিনীত সিনেমাগুলো সবচেয়ে বেশি ব্যবসা সফল হয়েছে।

২০০৭ সালে ‘তোমার জন্য মরতে পারি’, ২০০৮ সালে ‘এক টাকার বউ’, ২০০৯ সালে ‘মায়ের হাতে বেহেশতের চাবি’, ২০১০ সালে ‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’, ২০১১ সালে ‘টাইগার নাম্বার ওয়ান’, ২০১২ সালে ‘খোদার পরে মা’, ২০১৩ সালে ‘মাই নেম ইজ খান’, ২০১৪ সালে ‘হিরো দ্য সুপারস্টার’, ২০১৫ সালে ‘লাভ ম্যারেজ’ শিরোনামের সিনেমাগুলো ব্যাবসায়িকভাবে সফল হয়। এসব সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেন অপু বিশ্বাস। ২০১৬ সালে যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘শিকারী’ ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়। এতে শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। ২০১৭ সালে যৌথ প্রযোজনার সিনেমা ‘নবাব’ ব্যসায়িকভাবে মোটামুটি ভালো গিয়েছে বলেই মত দিচ্ছেন চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টরা। এতে শাকিব খানে বিপরীতে অভিনয় করেছেন ওপার বাংলার শুভশ্রী।

গত এগারো বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায় রোজার ঈদ শাকিব খানের দখলেই ছিলো। এবারও শাকিব খান অভিনীত ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’, ‘সুপার হিরো’, ‘পাঙ্কু জামাই’ তিনটি সিনেমা মুক্তির মিছিলে রয়েছে। উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া নোয়াখাইল্লা মাইয়া’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে নির্মিত এ সিনেমার ট্রেইলার ও গান ইউটিউবে ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। এবং সেগুলো প্রশংসা কুড়িয়েছে। আশিকুর রহমান পরিচালিত ‘সুপার হিরো’ সিনেমায় শাকিব খানে বিপরীতে রয়েছেন শবনম বুবলী। সিনেমাটির শুটিং শুরু থেকেই বিভিন্ন কারণে সমালোচিত হয়েছে। শুটিং ফাঁসানো ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেফেক্ট এন্টারটেইনমেন্ট।

এরপর অস্ট্রেলিয়ায় অনুমতিবিহীন শুটিং করায় ‘নিপা এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে। এরপর সিনেমাটির মুক্তি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়। অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে সিনেমার প্রযোজক তাপসী ঠাকুর তথ্য মন্ত্রণালয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে চিঠি দেন। এরপর তারা ছাড়পত্র পায়। সিনেমাটির শুটিং থেকে শুরু করে এর নির্মাতা আশিকুর রহমান ও শাকিব খানের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। যদিও সেগুলো এখন অতীত।

এদিকে ‘পাঙ্কু জামাই’ সিনেমাটির শুটিং শেষ না করেই জোড়াতালি দিয়ে সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। মান্নান সরকার পরিচালিত এ সিনেমায় শাকিব-অপু জুটির সঙ্গে অভিনয় করেছেন পুষ্পিতা পপি। সিনেমাটির শুটিং শুরুর কয়েকদিন পরই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস মিডিয়ার অন্তরালে চলে যান। দীর্ঘ বিরতির পর অপু বিশ্বাস সিনেমাটির কাজ করে দিলেও শাকিব খানের শিডিউল পাননি নির্মাতা। শাকিব খানকে ছাড়াই অপু বিশ্বাসের অংশের শুটিং শেষ করা হয়। এদিকে চিত্রনায়িকা পুষ্পিতা পপির অংশের সব কাজ শেষ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন পুষ্পিতা নিজেই। যাই হোক, সকল বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে আজ মুক্তি পেয়েছে সিনেমাগুলো। এখন অপেক্ষার পালা এবার ঈদে শাকিব খানকে দর্শক কীভাবে নেন।




ঈদে এই তারকাদের সর্বোচ্চ সেলামি কত, জানলে অবাক হবেন!













ঈদ মানে বড়দের কাছ থেকে সেলামি পাওয়া। ছোটবেলায় ঈদ সেলামি পায়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। সারাবছর অপেক্ষা থাকে বিশেষ এই দিনটিতে প্রিয়জনের কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সেলামি পাওয়ার। সেটা এবার যেই অঙ্কেরই হোক না কেন। ঈদ স্পেশালের এবারের আয়োজন ছোটবেলায় তারকাদের ঈদে পাওয়া সর্বোচ্চ সেলামি। তারকারা নিজ মুখেই জানালেন সে কথা।

নোটটি পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম: আমিন খান

তখন খুব বেশি হলে সেলামি পেতাম ১০ টাকা। আর সবচেয়ে কম পেতাম এক টাকা। অবশ্য আমাদের ছোটবেলায় এই টাকাটাই অনেক বেশি ছিল। তবে একবার ১শ’ টাকা পেয়েছিলাম। সম্ভবত তখন পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়তাম। যিনি দিয়েছিলেন তিনি বাবার কলিগ ছিলেন। তার কাছ থেকে ১শ’ টাকার নোটটি পেয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলাম। বিশ্বাস হতে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো। কারণ তখন এতো টাকা কেউ দিতেন না। ওই ঈদেই আমি সর্বোচ্চ ১৩০টাকা সেলামি পাই। এখন আর সেলামি পাই না। সবাইকে দিতে হয়। প্রতি ঈদে কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা সেলামি দেওয়া লাগে।

এই ব্যাপারটাতে আমি কখনই বড় হবো না: শবনম বুবলী

ঈদে সেলামি পাওয়াটা ছিল অন্যরকম আনন্দের। এটা আমি এখন পর্যন্ত উপভোগ করি। ছোটবেলায় পেতাম, এখনও পাই। এই ব্যাপারটাতে আমি কখনই বড় হবো না। আমার দুই দুলাভাই সবসময় আমাকে আর আমার ছোট ভাইকে বলে রাখতেন, ঈদের দিন সকালে যে আমাদের আগে সালাম করবে তাকেই সেলামি দেবো। তাই ঈদের দিন সকালে রেডি হয়ে আমরা দু’জন গেটে বসে থাকতাম। যাতে দুলাভাইরা এলেই আগে সালাম করতে পারি। ছোটবেলায় এক ঈদে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পেয়েছিলাম। যতদূর মনে পড়ে টাকাটা দিয়ে বই কিনেছিলাম।

অনেক আফসোস করেছিলাম: সাইমন সাদিক

ঈদের দিন ঘুরে ঘুরে সেলামি সংগ্রহ করতাম। ছোটবেলায় আশা থাকতো একজনের কাছেই ১শ’-২শ’ টাকা পাবো। কিন্তু পেতাম মাত্র পাঁচ টাকা। আসলে তখন এই টাকাটাই আমাদের

 




নিজের ফিল্মের পরিচালকদেরই বিয়ে করেছেন এই বলি নায়িকারা













কারও ফিল্মের শুটিং সেটে দেখেই লভ অ্যাট ফার্স্ট সাইট, তারপর চুটিয়ে প্রেম তো কেউ চুপিসাড়ে বিয়েটা সেরে ফেলে সবাইকে চমকে দিয়েছেন। শুধু অভিনয় করে নয়, ব্যক্তিত্ব দিয়েও এই বলিউড অভিনেত্রীরা পরিচালকের মন জয় করে নিয়েছেন।

আদিত্য চোপড়া এবং রানি মুখোপাধ্যায়: তাঁদের সম্পর্ক চিরকালই ওপেন সিক্রেট। যদিও তাঁরা কখনও তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে কিছুই বলেননি। তবে ২০১৪ সালে ২১ এপ্রিল তাঁরা সবাইকে চমকে দেন। ইতালিতে বিয়ে করেন তাঁরা।

অনুরাগ কশ্যপ এবং কাল্কি কোয়েচলিন: ২০০৮ সাল। দেব ডি-র শুটিং করছেন কল্কি আর তাঁর পরিচালক অনুরাগ। দেব ডি-র সেট থেকেই কল্কির প্রেমে পড়েছিলেন অনুরাগ। যদিও তখন তাঁর স্ত্রী আরতির সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়নি। এর এক বছরের মাথায় আরতির সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তাঁর। আর কল্কির সঙ্গে বিয়ে হয় ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল।

গোল্ডি বহেল এবং সোনালী বেন্দ্রে: ১৯৯৪ সালে নারাজ ছবির শুটিং সেটে সোনালীকে দেখেই প্রেমে পড়েন পরিচালক গোল্ডি। তাঁর বোন সোনালীর বন্ধু ছিলেন। বোনই সোনালীর সঙ্গে পরিচয় করে দেন। পাঁচ বছরের প্রেমপর্বের পর ১২ নভেম্বর, ২০০২ সালে তাঁরা বিয়ে করেন।

গুলজার এবং রাখি: কবিতা আর সুর দিয়ে যখন লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিচ্ছেন গুলজার, রাখি তখন সিলভার স্ক্রিন মাতাচ্ছেন। ১৫ মে, ১৯৭৩ তাঁরা বিয়ে করেন।

জে পি দত্ত এবং বিন্দিয়া গোস্বামী: বিন্দিয়া প্রথমে বিয়ে করেন অভিনেতা বিনোদ মেহরাকে। কিন্তু বিয়ের চার বছর পর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ১৯৮৫ সালে পরিচালক জে পি দত্তকে বিয়ে করেন। এর পর অভিনয় থেকেও অবসর নেন।

মহেশ ভট্ট এবং সোনি রাজদান: সুপারস্টার আলিয়া ভট্টের বাবা মহেশ। খুবই গোপনীয়তার সঙ্গে তাঁদের বিয়েটা হয়েছিল ১৯৮৬ সালের এপ্রিলে।




গায়ের রং নয়, গুণ দিয়েই বিচার করুন ‘কৃষ্ণকলি’কে













আপনার কি গায়ের রং কালো? তা হলে চাপ আছে বস্। বিয়ের বাজারে আপনি কিন্তু ব্যাক বেঞ্চার। এতটা পড়ে রাগ হচ্ছে কি? অবাক হচ্ছেন? না! অবাক হবেন না। কারণ এখনও গায়ের রঙের কারণে বিয়ে বাতিল হয়ে যায় অনেক মেয়ের। গ্রাম বা মফসস্‌ল তো বটেই, শহর কলকাতাতে এই ছবি দেখা যায় না, তা কি আপনি হলফ করে বলতে পারেন?

ঠিক এই ইস্যু নিয়েই আসছে টেলিভিশনের পর্দায় ‘কৃষ্ণকলি’। সে মেয়ের গায়ের রং কালো। কিন্তু দুরন্ত কীর্তণ গায়। বিয়ে হয়ে এমন পরিবারে গেল মেয়ে, যেখানে শাশুড়ির পছন্দ ফর্সা বউমা। এ বার কী করবে মেয়েটি?

জি বাংলায় শুরু হতে চলেছে এই নতুন ধারাবাহিক। যার মূল কনসেপ্ট, রূপ নয়, গুণই আসল। মূল চরিত্রে রয়েছে তিয়াশা রায়। এই প্রথম তাঁকে দেখবেন দর্শক। ‘‘আমার প্রথম কাজ। আমাকে সকলে শ্যামা বলে ডাকে। কাজটা করতে গিয়ে সকলের কাছ থেকেই শিখছি,’’— হেসে বললেন অভিনেত্রী।

তিয়াশার বিপরীতে রয়েছেন অভিজিত্ ভট্টাচার্য। এর আগে ‘স্ত্রী’ ধারাবাহিকে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল দর্শকদের। শ্যামার শ্বশুরের চরিত্রে রয়েছেন শঙ্কর চক্রবর্তী। শাশুড়ির ভূমিকায় দেখা যাবে নিবেদিতা মুখোপাধ্যায়কে। থিয়েটারের মঞ্চ নিবেদিতার চেনা মাঠ। সিনেমার পর্দায়ও তাঁকে মাঝে মধ্যে দেখা যায়। কিন্তু টেলিভিশনের জন্য এর আগে মাত্র একটি কাজ করেছেন তিনি। ‘‘আমাদের কাজ দেখে এক জনও যদি এটা ভাবেন, যে রূপ নয়, গুণ দিয়েই বিচার করা উচিত, তা হলে বুঝব আমাদের কাজ সার্থক,’’— বললেন নিবেদিতা।

রিমঝিম মিত্র, চৈতালী চক্রবর্তী, শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের অভিনয়ে সমৃদ্ধ হবে এই ধারাবাহিক। চৈতালী কনফিডেন্টলি বললেন, ‘‘প্রথম সপ্তাহ থেকেই আমরা এক নম্বরে থাকব।’’ আবার শর্বরীর কথায়, ‘‘আমার চরিত্র নিয়ে এখনই বেশি কিছু বললে গল্পটা অনেকটা বলা হয়ে যাবে। আপনারা দেখতে থাকুন, আশা করি ভাল লাগবে।’’ এই জাহাজের ক্যাপ্টেন অর্থাত্ পরিচালক সুশান্ত দাস বললেন, ‘‘নিখাদ প্রেমের গল্প কৃষ্ণকলি। যাঁরা কাজ করছেন, প্রত্যেকেই ভাল অভিনেতা।’’

সব মিলিয়ে ‘কৃষ্ণকলি’র জন্য অপেক্ষার পারদ চড়ছে দর্শক মহলে।