অপূর্বর ছেলের প্রথম পারিশ্রমিক কত জানেন?













বাবা টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তাঁর ছেলে জায়ান ফারুক আয়াশের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। এইটুকু বয়সে বাবার সঙ্গে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াল সে। মনোযোগী অভিনেতার মতো বাবার দেখাদেখি পরিচালকের নির্দেশনাও শুনল। মোটকথা, ১ মে থেকে পুরোদস্তুর অভিনেতাই হয়ে গেল আয়াশ। সেদিন থেকে বাবা অপূর্বর

সঙ্গে সে অভিনয় করছে শিহাব শাহীনের একটি টেলিছবিতে, নাম বিনি সুতার টান। এই টেলিছবিতে অভিনয় করছেন সৈয়দ হাসান ইমাম, লায়লা হাসান, জাকিয়া বারী মমসহ অনেকে।

ছোট্ট আয়াশকে দিয়ে অভিনয় করানো প্রসঙ্গে পরিচালক শিহাব শাহীন বলেন, ‘আমার গল্পে তিন-চার বছরের একটি চরিত্র ছিল। সে টেলিছবিতে অপূর্বর ছেলে হবে। তখনই মাথায় এল, সত্যিকারের ছেলেই যদি টেলিছবিতেও অপূর্বর ছেলের অভিনয় করতে পারে, তাহলে তো সুবিধা। একসঙ্গে বাবা-ছেলে মিলে অভিনয় করলে বাড়তি ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।’
পরিচালকের বুদ্ধিমত্তা যে ঠিকঠাক কাজে লেগেছে, সেটা বোঝা গেল শুটিংয়ের দিন থেকেই। প্রথম দিন শুটিং করার কথা ছিল সাতটি দৃশ্যের। কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই খুদে অভিনেতাকে নিয়ে পরিকল্পনামাফিক শুটিং শেষ হয়েছে। একই গতিতে হয়েছে গতকালের শুটিংও।

ছেলের সঙ্গে অভিনয় করে দারুণ উচ্ছ্বসিত অপূর্ব। বললেন, ‘আমার জন্য এটা দারুণ ব্যাপার। আয়াশের সঙ্গে এত দ্রুত এভাবে অভিনয় করা হবে ভাবিনি। আমার ছেলেটাও দারুণ করছে। কোনো শট এনজি (নট গুড) হচ্ছেই না। মজার ব্যাপার হলো, পুরো টেলিছবিতে ওর সঙ্গেই বেশির ভাগ দৃশ্য।’

তবে আয়াশের অভিনয় নিয়ে পরিচালকের মন্তব্যটা একটু আলাদা। বললেন, ‘সম্ভবত ওর রক্তেই আছে অভিনয়ের প্রতিভা। আমার কোনো ধরনের ঝামেলা হচ্ছে না। পুরো শুটিংবাড়ি জমিয়ে রেখেছে সে। তবে আমার চেয়ে সে (আয়াশ) বাবা আর মায়ের নির্দেশনা বেশি শুনছে। আমি বললে খুব বেশি পাত্তা দিচ্ছে না!’

খুদে এই তারকার সম্মানী কত? জানতে চাইলে পরিচালক হাসতে হাসতে বললেন, ‘তার সম্মানী দিয়ে শেষ করা যাবে না। আমার টেলিছবির অন্যতম তারকা সে। ওর কাজকে সম্মানীর মাপকাঠি দিয়ে মাপা সম্ভব নয়।’ আরও চার দিন চলবে টেলিছবিটির শুটিং। পরিচালক বলেন, আসছে ঈদুল ফিতরের অনুষ্ঠানমালায় প্রচারিত হবে বিনি সুতার টান।