‘আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে’












অবশেষে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলেন নায়িকা অপু বিশ্বাস। ডিভোর্স নিয়ে বেশ কয়েক দিন তেমন কিছু না বললেও এবার অনেক অজানা কথাই বিডি২৪লাইভকে জানালেন অপু বিশ্বাস।

ডিভোর্স নিয়ে সরাসরি অপু বলেন আমি শাকিব খানের ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত মেনে নেবো না। আমি শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেবো না।

অপু বলেন, সব কিছুই কি এত সহজ। আমি শাকিবের জন্য ধর্মান্তরিত হয়েছি। আর এর পর থেকেই আমি আমার সম্প্রদায় থেকে অনেক দূরে চলে এসেছি। এখন শাকিব আমাকে নিয়ে খেলা খেলছে। আমাকে এখন ডিভোর্স দিয়েছে। এ অবস্থায় আমার সম্প্রদায় আমাকে কোন ভাবেই মেনে নেবে না। এখন আমি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো?

অপু আরো যোগ করে বলেন, ‘শাকিবের আপত্তির মুখে তিনবার অ্যাবরশন করাতে হয়েছে আমাকে। জয় যখন গর্ভে আসে তখন অ্যাবরশন করানোর জন্য আমাকে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পাঠায় শাকিব। সেখানকার চিকিৎসক জানান, যেহেতু আগে তিনবার অ্যাবরশন হয়েছে আর নতুন করে কনসেপ্টের সময় ৪ মাস হয়েছে, সেহেতু অ্যাবরশন করানো ঝুঁকিপূর্ণ। এরপর শাকিব আমাকে কলকাতা পাঠায় অ্যাবরশন করানোর জন্য। সেখানকার চিকিৎসকরাও অ্যাবরশন করতে অস্বীকার করেন। তখন আমি সন্তান জন্মদানের সিদ্ধান্ত নেই। আর এতেই শাকিব আমার ওপর খেপে যায়। তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটে।’

আপনি এখন কি ব্যনস্থা নিবেন জানতে চাইলে অপু বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সহনশীল ও সুবিবেচনাপ্রসূত মনের মানুষ। তার সহমর্মিতা অতুলনীয়। আমি দেশের একজন প্রথম শ্রেণির নাগরিক। শাকিবের একরোখা সিদ্ধান্তে আমার জীবন এখন বিপন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপই এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে আমাকে মুক্ত করতে পারে।’

মানবাধিকার ও নারী সংগঠনগুলোকেও পাশে চান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেলিব্রেটি হলেও আমার সামাজিক মর্যাদা রয়েছে। ডিভোর্সের মতো একটি ন্যক্কারজনক সিদ্ধান্ত কখনো মেনে নেওয়া যায় না। সংসারে ঝগড়া, ঝামেলা থাকা অস্বাভাবিক কিছু নয়। শাকিবের সিদ্ধান্ত মেনে নিতাম যদি একই ধর্মের হতাম। আমাকে ও জোর করে ধর্মান্তরিত করেছে, বিয়ে করেছে। তাই তার এই অমানবিক সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেব না।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ