নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ন’গ্ন করে মারধরের অভিযোগ!













জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলে নগ্ন করে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রাস্তার উপর শুইয়ে ‘শাস্তি’ দেয়া হয়েছে! অথচ তাকে যে কারণে এই শাস্তি দেয়া তাতে করে তার বিন্দু পরিমাণ কোনো দোষ নেই। এই জঘন্য শাস্তি দেয়ার কারণটি হলো- প্রতিবেশীর ফসলের ক্ষেতে বাছুর ঢুকে পড়ার জেরে তার সঙ্গে এমন অশালীন কাজটি করা হয়েছে।

ভারতের জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে ঘটেছে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, গত ৮ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে অপদস্থ করা হলেও এখনো পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করেনি পুলিশ। ওই ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনার পরে ময়নাগুড়ি থানায় অভিযোগ করলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।

কোনো তৎপরতা না দেখে ওই ছাত্রীর পরিবার পরে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরে অভিযোগ করেন। এই ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ওই ছাত্রী। সে স্কুলে যেতে চাইছে না, প্রাইভেট পড়তেও যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।

নির্যাতিতা ওই ছাত্রীর পরিবারের দাবি, তারা বিজেপির সমর্থক। হামলাকারীরা তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার অমিতাভ মাইতি জানিয়েছেন, কোন ধারায় মামলা হয়েছে, এতোদিন কী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সব যাচাই করা হচ্ছে।

জলপাইগুড়ি পুলিশ সুপারের কথায়, কেউ যদি অপরাধ করে থাকে তাহলে তাকে ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধী তার শাস্তি পাবেই।

জানা যায়, ময়নাগুড়ির একটি গ্রামের বাসিন্দা ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীদের বাড়ির পোষা বাছুর প্রতিবেশীর খেতে ঢুকে যায়। নিজেদের বাড়ির বাছুর ফিরিয়ে আনতে ছাত্রীটি প্রতিবেশীর বাড়ি যায়। আর সেখানে যাওয়ার পর কথা কাটাকাটি হওয়ার পরে ওই পরিবারের সদস্যরা ছাত্রীকে মারতে মারতে রাস্তায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

এরপরে ওই ছাত্রীর জামাকাপড় ছিঁড়ে-ফেলে রাস্তার উপর রেখে দেয়া হয় বলে দাবি জানান ছাত্রীর পরিবার।

এ ঘটনার পর ওই ছাত্রীর মা বলেন, ১৪ বছর বয়সী মেয়েটি এ ঘটনার পর থেকে সব সময় আতঙ্কে থাকে।

তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে তখন লজ্জা ঢাকতে উপুড় হয়ে রাস্তায় শুয়ে ছিল। একটা মোটা দড়ি নিয়ে ওর গলায় পেঁচিয়ে টেনে তোলার চেষ্টা হয়। নগ্ন করে পাড়ায় ঘোরানোর হুমকি দিচ্ছিল মারধরকারীরা। ওই সময় কয়েকজন এসে আমার মেয়েকে উদ্ধার করে।

এ ঘটনার পর মেয়েটি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। প্রথমে ময়নাগুড়ি এবং পরে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ছাত্রীর চিকিৎসা চলে। বর্তমানে ওই ছাত্রী বাড়ি গেলেও সে পুরোপুরি সুস্থ হয়নি।

এ ঘটনায় পুলিশের দাবি, মূল অভিযুক্ত কয়েকজনকে এলাকায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আত্মীয়দের বাড়িতেও তল্লাশি চলছে। ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানার জন্য আশেপাশের বাসিন্দাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এদিকে অভিযুক্ত পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, মিথ্যা কথা রটানো হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। কথা কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি হলেও কোনো মারধর হয়নি বলে দাবি অভিযুক্ত পরিবারের।




স্বাধীনতা দিবসের প্রতি সম্মান জানাতে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত













কিছুদিন আগেই শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত নিদাহাস ট্রফি খেলতে গিয়েছিল সাকিব-তামিমরা। এবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রতি সম্মান জানাতে বাংলাদেশ সফরে আসছে ভারত ক্রিকেট দল। তবে ধোনি-কোহলিরা নয়, এ সফরে আসবে শারিরীক প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের গঠিত দল।

দুই দেশের শারিরীক প্রতিবন্ধী ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া মাঠে যথাক্রমে ২২, ২৩ ও ২৪ এপ্রিল। তিন ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে সকাল দশটায়।

দু’দলের মধ্যকার ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়া মাঠে যথাক্রমে ২২, ২৩ ও ২৪ এপ্রিল। তিন ম্যাচই শুরু হবে সকাল দশটায়। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন অ্যাশোসিয়েশন ফর রির্সাচ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রাইটস ইমপ্লিমেন্টেশন ফর ডিসঅ্যাবিলিটিস (আরদ্রিদ) এ সিরিজটি আয়োজন করছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট ফেডারেশন ফর দ্যা ডিসঅ্যাবলড (আইসিএফডি) ও আরদ্রিদের মধ্যকার একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যেখানে প্রতিবছর বাংলাদেশ স্বাধীনতা দিবসকে সম্মান জানাতে শারীরিকভাবে পিছিয়ে থাকা ভারতীয় দল বাংলাদেশে আসবে এবং ঠিক একইভাবে শারিরিকভাবে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ দল যাবে ভারতে তাদের স্বাধীনতা দিবসকে সম্মান জানাতে।




কে হবেন খল নায়কদের যোগ্য উত্তরসূরী?













চলচ্চিত্র জীবনের কথা বলে। মানুষের নিত্য দিনের বৈচিত্রময় ঘটনাগুলোই উঠে আসে চলচ্চিত্রের রঙিন ফ্রেমে। সেখানে যেমন দেখা যায় ভালো মানুষদের জয় জয়কার তেমনি মন্দ মানুষেরাও হাজির থাকেন গল্পকে সত্যিকার রুপ দান করতে। এইসব মন্দ চরিত্রে অভিনয় করা চরিত্ররা চলচ্চিত্রে ভিলেন বা খলনায়ক হিসেবে পরিচিত।

ষাট বছরের চলচ্চিত্র ইতিহাস ঘেঁটে একদিকে যেমন আনোয়ার হোসেন, শওকত জামিল, বুলবুল আহমেদ, রাজ্জাক, ফারুক, ইলিয়াস কাঞ্চন, জাফর ইকবাল, রুবেল, সালমান শাহ, রিয়াজ, মান্না, শাকিবদের মতো নায়কদের সাফল্যের সুবাস পাওয়া যায় তেমনি গোলাম মোস্তফা, খলিল, এটিএম শামসুজ্জামান, রাজিব, হুমায়ূন ফরীদি, সাদেক বাচ্চু, অমল বোস, আহমেদ শরীফ, মিজু আহমেদ, জাম্বু, নাসির খান, কাবিলা, ইলিয়াস কোবরা, ডিপজল, ডন, মিশা সওদাগরের মতো ভিলেনদের দুর্দান্ত জনপ্রিয়তার প্রমাণ মেলে।

কখনো কখনো নায়ক বা ভালো চরিত্রের অভিনেতারাও ভিলেন হয়ে হাজির হয়েছেন। উল্লেখ করা যায় অমিত হাসান, ওমর সানীর নাম। আবার ভিলেন থেকে নায়ক হয়েও জনপ্রিয়তা পাওয়া অভিনেতার নাম ডিপজল। চিত্রনায়ক জসীমও ভিলেন হয়েই অভিষিক্ত হয়েছিলেন চলচ্চিত্রে। আর পপগুরু আজম খানের নামও ভিলেন হিসেবে ঢাকাই ছবিতে যুক্ত হয়ে আছে ‘গডফাদার’ ছবিতে। শখের বশে ‘গুরুভাই’ নামের ছবিতে রহস্যময় একটি ভিলেন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন নন্দিত গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

শুধু পুরুষই নয়, নারী খল-অভিনেত্রী হিসেবে রওশন জামিল, রিনা খান ঢাকাই ছবিতে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। আবার কখনো কখনো ভালো চরিত্রের অভিনেত্রীরাও হাজির হয়েছেন মন্দ চরিত্রে। আনোয়ারাকে দেখা গিয়েছিলো সালমান-মৌসুমীর ‘অন্তরে অন্তরে’ সিনেমায় নেতিবাচক এক প্রভাবশালী নারী চরিত্রে। ফেরদৌসী মজুমদার শক্তিশালী অভিনয় করেছিলেন সালমান-শাবনাজের ‘মায়ের অধিকার’ সিনেমায়।

বলার অপেক্ষা রাখে না, এইসব মন্দ চরিত্ররা সিনেমায় প্রাণ দিতেন। দর্শকের মনে প্রচন্ড ঘৃণা আর ক্ষোভ তৈরি করে হলে বসিয়ে রাখতেন শেষ পরিণতি দেখার জন্য। তবে আফসোসের বিষয় হলো দীর্ঘদিন ধরেই ঢাকাই চলচ্চিত্র সাফল্যের তাল হারিয়েছে। প্রাণ হারিয়েছে সিনেমার গল্প ও নির্মাণ। দীর্ঘদিন ইন্ডাস্ট্রি হেঁটেছে এক নায়ককে কেন্দ্র করে সিনেমা নির্মাণের অদ্ভূত চর্চায়। কেউ চেষ্টা করতেন না ভিন্ন কিছুর, বৈচিত্রময় কিছুর। স্বভাবতই উপেক্ষিত ছিলো নায়ক-নায়িকার বাইরে অন্য চরিত্ররা। উপেক্ষিত ছিলেন মেধাবীরা। ভিলেন হিসেবে প্রায় সব ছবিতেই একতরফাভাবে মিশা সওদাগরকে দেখা গেছে গৎবাঁধা সংলাপ আর চরিত্রে। সেই চর্চার খেসারত দিচ্ছে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি।

ডিজিটাল চলচ্চিত্রের রঙিন উপাধি মুকুটে নিয়ে তাল মেলাতে পারছে না বিশ্ব চলচ্চিত্রের সঙ্গে। মেধাবীদের নিরবতায় মরচে পড়েছে ভালো গল্প ও নির্মাণের মুন্সিয়ানায়। তবে দারুণ ক্ষতিটা হয়ে গেল ‘খলনায়ক’ জায়গাটিতে। রাজিব-ফরীদি-ডিপজলদের উত্তরসূরী হিসেবে মিশা সওদাগর সফল হলেও তার পরবর্তীতে উল্লেখ করার মতো কোনো নাম নেই।

খলনায়ক সংকটের বীজটা বপন হয় নায়ক মান্নার মৃত্যু ও রিয়াজ-ফেরদৌসের বাণিজ্যিক সিনেমা থেকে দূরে সরে যাওয়ার পর থেকেই। একটা সময় ভিলেন চরিত্রে ডিপজল ছিলেন দুর্ধর্ষ। নায়ক মান্নার সঙ্গে তার জুটি ছিলো সুপারহিট। রিয়াজ-আমিন খানদের সঙ্গেও তিনি বেশ কিছু হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। তবে মান্নার মৃত্যুর পর ডিপজল বদলে নেন নিজের ইমেজ। তিনি ‘চাচ্চু’, ‘দাদীমা’ ইত্যাদি ছবি দিয়ে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। এরপর আর তাকে ভিলেন চরিত্রে দেখা যায়নি।

এরপরের সময়টা খলনায়ক হিসেবে মিশার উপর নির্ভর করেই প্রায় গত দশ বছর ধরে তৈরি হয়েছে সিনেমা। তার পরের কোনো উত্তরসূরী তৈরি হয়নি। কালেভদ্রে অমিত হাসান, ওমর সানীরা ভিলেন হয়ে কেবল সিনেমার তালিকাই লম্বা করেছেন। বলার মতো সাফল্য বা অভিনয় কোথাও মেলেনি। মন্দের ভালো হয়ে মিশা সওদাগরই ইন্ডাস্ট্রি কাঁধে বয়ে চললেন। ভিলেন হয়ে মিশা পর্দায় হাজির হচ্ছেন কখনো কালো চুলে, কখনো সাদা চুলে। গ্রামে, শহরে, নগরে, বন্দরে যেখানেই চলচ্চিত্রের মন্দ মানুষ প্রয়োজন সেখানেই দেখা মিলে প্রায় নয় শতাধিক ছবিতে অভিনয় করা শক্তিমান এই অভিনেতার।

নায়ক শাকিব ও খলনায়ক মিশা জুটিতে ইন্ডাস্ট্রি গৎবাঁধা কিছু হিট ছবি পেয়েছে। এতে লাভ হয়েছে প্রযোজক ও শাকিব-মিশা জুটির। কিন্তু আড়ালে অবমূল্যায়িত হয়েছে মেধা ও যোগ্যতার বৈচিত্রতা। সংকুচিত হয়েছে নতুন নতুন নায়ক-ভিলেন তৈরির জায়গাটি। যে নির্মাতাদের বলা হয় তারকা নির্মাণের কারিগর তাদের বেশিরভাগ সফল নির্মাতাই নানা অভিমান-অভিযোগ মনে নিয়ে সরে গেলেন চলচ্চিত্র থেকে। যারা রইলেন তারা নিজেদের আবদ্ধ করে রাখলেন শাকিব-মিশা জুটিতেই। তাদের বেশিরভাগ ছবির নায়িকা হিসেবে রইলেন অপু বিশ্বাস।

আর আজকের এই অবস্থানে এসে দেখা যাচ্ছে নায়ক-নায়িকা সংকটের পাশাপাশি খলনায়কের সংকটও চলছে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রিতে। এর কারণ চলচ্চিত্রের স্বর্ণালী যুগের পর্দা কাঁপানো খলনায়কদের অনেকেই না ফেরার দেশে চলে গেছেন, আবারও কেউ চলচ্চিত্র থেকে দূরে রয়েছেন। আর নতুন যারা কাজ করছেন তারা অধিকাংশই জ্বলে উঠতে ব্যর্থ হচ্ছেন যোগ্য মূল্যায়ণে অভাবে, প্রাণহীন ও গুরুত্বহীন চরিত্রে অভিনয়ের কারণে। একটা সময় ভিলেনরা হয়ে উঠতেন ছবির মূখ্য চরিত্রের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। আজকাল সেটা সাপের পাঁচ পা দেখার মতোই একটি ব্যাপার। ফলে অবহেলিত থাকা খল চরিত্রে কোনো ভালো অভিনেতারা আগ্রহ দেখান না। নির্মাতারাও নতুনদের সুযোগ করে দেয়ার নাম করে যাকে তাকে সিনেমার অভিনেতা বানিয়ে দিচ্ছেন। তারা আসছেন কিন্তু ঠিকছেন না যোগ্যতা ও সঠিক পরিচর্যার অভাবে।

সর্বশেষ উল্লেখ করা যেতে পারে তাসকিন রহমানের নাম। যিনি ভিলেন হিসেবে দারুণ একটা চমক দেখিয়েছেন ঢাকাই সিনেমায় ‘ঢাকা অ্যাটাক’ ছবি দিয়ে। তবে তার ভবিষ্যত নিয়েও রয়েছে শংকা। প্রথম কারণ তার চেহারা। অনেকেই দাবি করছেন নির্দিষ্ট একটা ফরম্যাটে দুর্দান্ত খল অভিনেতা অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী নীল চোখের যুবক তাসকিন। কিন্তু তাকে রাজিব-ফরীদি-মিশাদের মতো বৈচিত্রময় চরিত্রে ব্যবহার করাটা হবে কষ্টের। কারণ গ্রামের চরিত্রগুলোতে তাকে শহুরে চরিত্রগুলোর মতো মানানসই লাগবে না। তবে অনেকে আবার দাবি করছেন, নির্মাতাদের মুন্সিয়ানার ছোঁয়া পেলে ঠিকই নিজেকে মেলে ধরতে পারবেন তাসকিন।

এর পরে তরুণ প্রজন্মের খলঅভিনেতাদের মধ্যে কেউ কেউ দুই-একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হলেও শক্ত করে নিজের আসনটি ধরে রাখতে পারছেন না তারা। এ তালিকায় আছেন শিবা শানু, শিমুল খান, ডিজে সোহেল, টাইগার রবি, জিয়া ভিমরুল। পুরনো ডন অনেকটা সময় নিরবে থেকে ফিরে এলেও সালমান-ডনের মতো সুপারহিট জুটিও গড়তে পারেননি, তেমন উল্লেখ করা ছবিও দিতে পারেননি।

কেন নতুন করে কেউ জ্বলে উঠতে পারছেন না? জবাবে চলচ্চিত্রবোদ্ধারা বলছেন, অভিনয়ের প্রয়োজনে ভিলেনদের চলচ্চিত্রের পর্দায় বিচিত্র রূপ ধারণের পাশাপাশি কঠিন কঠিন কাজ করতে হয়। তাই খলচরিত্রে অভিনয় করতে হলে দক্ষ অভিনয়শিল্পী হওয়া আবশ্যক। কেননা, এককালে যারা খল চরিত্রের জন্য বিখ্যাত ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছিলেন দুর্দান্ত অভিনেতা। গোলাম মুস্তাফা, রাজীব, খলিল, আহমেদ শরীফ, এটিএম শামসুজ্জামান, সাদেক বাচ্চুরা এই দেশের চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র। অভিনয় দিয়ে তারা সমৃদ্ধ করে গেছেন অভিনয়ের আঙিনাকে। সেই মাপের অভিনেতা এখন কই? আর তেমন অভিনেতা তৈরির প্রচেষ্টাও নেই। একটু ভালো অভিনয় করলেই তাকে ভাবা হয় নায়ক বা নায়কের ভাই-শালা চরিত্রে। ভিলেন চরিত্রগুলো বরাদ্দ রাখা হচ্ছে তুলনামূলক একটু দুর্বল অভিনেতাদের জন্য। আর শিমুল খান, শিবা শানুর মতো দক্ষ অভিনেতারা শক্তিশালী ভিলেন হওয়াটাকে ক্যারিয়ারের লক্ষ করে নিলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, নতুনদের আগ্রহ থাকে নায়ক হওয়ার দিকেই। তাই এই জায়গাটিতে দিনে দিনে শূন্যতা বাড়ছেই। আর নারী ভিলেন তো আজকাল দেখাই যাচ্ছে না।

ভিলেন সংকটের বিষয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব বলিউল আলম খোকন বলেন, ‘সবাই চলচ্চিত্রে এসে নায়ক-নায়িকা হতে চায়। কেউ খলনায়ক বা খলনায়িকা হতে চান না। কিন্তু তারা যদি এ চরিত্রে এসে ভালো অভিনয় করেন, তাহলে দর্শক তাদেরও চিনবে। তাদের নামের ওপর ভিত্তি করে দর্শকরা হলে গিয়ে ছবি দেখবে। নতুন যারা আসবে, তারা তো একদিনে এসে এ জায়গা দখল করতে পারবে না। সময় নিয়ে তাদের কাজ করতে হবে। তাহলেই কেবল তারা নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। আর দক্ষ শিল্পীদেরও ভিলেন চরিত্রগুলোর প্রতি সম্মান রাখা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকদিন বিরতির পর আবারও এফডিসি নতুন মুখের সন্ধানে কার্যক্রমটি চালু করতে যাচ্ছে। আশা করছি ভিলেন সংকটে এই কার্যক্রম সহায়ক হবে।’

এদিকে চলচ্চিত্র খল নায়ক সংকট নিয়ে চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমানে খল-অভিনেতার যে সংকট দেখা দিয়েছে, তা দূর করতে তরুণ প্রজন্মকেই এগিয়ে আসতে হবে। অভিনয়টাকে মূখ্য করেই তাদের খল-অভিনেতা হওয়ার মানসিক প্রস্তুতি নিতে হবে। তাদের বুঝতে হবে, একটি চলচ্চিত্রে খল-অভিনেতার গুরুত্ব নায়ক-নায়িকার মতোই সমানে সমান। কারণ, তাদের ছাড়া চলচ্চিত্র প্রাণ পায় না।




আয়নাবাজির আলোচিত অভিনেত্রী নাবিলা বিয়ে শেষে ছাড়বেন দেশ













আয়নাবাজি চলচ্চিত্রের পর আলোচিত অভিনেত্রী নাবিলার বিয়ের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে স্বামী জোবায়দুল হকসহ সৌদি আরবে যাওয়ার কথা ছিল । ওমরাহ পালন করার পর তাঁরা মধুচন্দ্রিমায় যাবেন, এমনটাই ছিল সিদ্ধান্ত। কিন্তু এর মধ্যে জানা গেল, বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পরদিন ২৭ এপ্রিল জোবায়দুল হককে প্রাতিষ্ঠানিক কাজে যেতে হচ্ছে ম্যানচেস্টারে। আর তাতে সঙ্গী হচ্ছেন স্ত্রী নাবিলা।

আজ রোববার সকালে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে এমনটাই জানালেন ‘আয়নাবাজি’ ছবিতে অভিনয় করে আলোচনায় আসা এ অভিনেত্রী। নাবিলার বিয়ের প্রস্তুতি পুরোপুরি শেষ। আগামীকাল সোমবার রাতে ঢাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে গায়েহলুদের অনুষ্ঠান হবে তাঁর। আর ২৬ এপ্রিল ঢাকার আরেকটি কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হবে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।

নাবিলা বলেন, ‘গতকাল শনিবার পর্যন্ত দম যায়-যায় অবস্থা ছিল। আজ থেকে পরিস্থিতি সব নিয়ন্ত্রণে। আমি এখন পুরোপুরি চিন্তামুক্ত। সব ঠিকঠাকভাবে হয়েছে।’

হলুদ ও বিয়ের যাবতীয় পোশাক ও অন্যান্য অনুষঙ্গ কোথা থেকে কিনেছেন? নাবিলা বলেন, ‘বিয়ে আর হলুদে জামাকাপড়ের আশি ভাগ দেশ থেকে নেওয়া, বাকি ২০ ভাগ কলকাতা থেকে কিনেছি। বিয়ের পোশাকের নকশা আমি নিজেই দিয়েছি।’

নাবিলা বলেন, ‘রিমকে (জোবায়দুল হকের ডাকনাম) ওর অফিস থেকে একটি ক্যাম্পেইন কাজের জন্য ম্যানচেস্টার পাঠাচ্ছে। সেখানে তাঁকে চার দিন থাকতে হবে। রিমের ইচ্ছা, ওর সঙ্গে আমিও যেন যাই। এরপর সবকিছুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়।’

মধুচন্দ্রিমা ওখানেই হবে? নাবিলা বলেন, ‘না। ও তো সেখানে চার দিন অফিসের কাজেই ব্যস্ত থাকবে, কাজের ফাঁকে আমাকে কিছু সময় দেবে। এটা কোনোভাবে হানিমুন না। ২ মে দেশে চলে আসব। এসেই আবার কাজ শুরু করব।’

নাবিলা ১৫ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। সেখানেই বড় হয়েছেন। বাংলাদেশে ফেরার আট মাসের মাথায় তাঁর বাবার মৃত্যু হয়, তখন নাবিলা কিশোরী। বোন ও ভাই অনেক ছোট। বড় সন্তান হিসেবে সংসারের হাল ধরতে হয় তাঁকে। পড়াশোনার পাশাপাশি ২০০৬ সালে টিভির অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করেন। নিজের পড়াশোনা আর পরিবারের দায়িত্ব নিতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করেন এই তারকা। তাঁর মতে, ‘নিজের আর পরিবারের মানুষদের জীবন গুছিয়ে দেওয়ার মতো ভাগ্য সৃষ্টিকর্তা সবাইকে দেন না।’




চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে জালিয়াতদের শাস্তি দাবি













জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে জালিয়াতকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এফডিসির ১৮ সংগঠনের সমন্বয়ে গড়া চলচ্চিত্র পরিবার। গতকাল শনিবার (২১ এপ্রিল) এফডিসিতে পরিচালক সমিতির কার্যালয়ে এক বৈঠকে এই দাবি করা হয়।  বৈঠকে দ্রুত সিনেমা হলগুলোতে সরকারিভাবে প্রজেকশন মেশিন বসানো ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার জালিয়াতি নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন।

এ সময় চলচ্চিত্র পরিবারের আহ্বায়ক চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি দ্রুত আমাদের সিনেমা হলগুলোতে প্রজেকশন মেশিন বসানোর জন্য। আমরা কোনো ব্যক্তি মালিকানার নিয়ন্ত্রণে থাকতে চাই না।

জানা গেছে, ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘নিয়তি’ ছবির নৃত্য পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীর নাম এসেছে হাবিবের। কিন্তু হাবিব জানিয়েছেন, এই ছবিটি তিনি কাজই করেননি। পরিচালকও বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে এই ছবির জন্য হাবিব জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার না পেলেও অন্য আরও একটি ছবির জন্য এগিয়ে আছেন তিনিই।

চলচ্চিত্র পরিবারের দাবি, নিজের কাজ দিয়েই হাবিব দেশের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কারটি পেতে চান। তাহলেই তিনি খুশি।

বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, একটা দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার হলো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। একটা ছেলে জানেই না তবুও নৃত্য পরিচালক হিসেবে তার নাম দেয়া হয়েছে। এটা ভারতীয় নৃত্য পরিচালক দিয়ে কাজ করিয়ে হাবিবের নাম দেয়া হয়েছে। কারণ ভারতীয় কাউকে দিয়ে কাজ করলে ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হয়। সে কারণেই এমন জালিয়াতি করা হয়েছে। আর এই ধরনের জালিয়াতির সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

বৈঠকে বক্তারা অভিযোগ করেন, হাবিবকে এখনও ওই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে ফোন দিয়ে নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন চিত্রনায়ক ফারুক, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক জায়েদ খান, পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার, বদিউল আলম খোকন, জ্যেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুল, হাবিব প্রমুখ।




আমি পালিয়ে গেছি, তুমি টেনশন কইরো না : স্বামীকে বলেন স্ত্রী













ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় স্বামীর ঘর ছেড়ে প্রেমিকের হাত ধরে রাতের আঁধারে পালিয়ে যান সাবিনা নামের এক গৃহবধূ। পরে স্বামীকে ফোন করে স্ত্রী বলেন, ‘আমি পালিয়ে গেছি, তুমি টেনশন কইরো না।’

ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার (১৮ এপ্রিল) রাতে মুক্তাগাছার রঘুনাথপুর গ্রামে। এ ব্যাপারে মুক্তাগাছা থানায় গৃহবধূর স্বামী শাহজালাল একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে শাহজালারের সঙ্গে ৫ মাস আগে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাইজবাড়ি গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ে সাবিনা বেগমের (২০) বিয়ে হয়।

শাহজালাল একটি গার্মেন্টস কোম্পানিতে চাকরি করেন। স্ত্রী সাবিনা বাড়িতে থাকতেন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে সাবিনা তার পূর্বের প্রেমিক ইউসুফের সঙ্গে মোবাইলে প্রায়ই কথা বলতেন। বিষয়টি বাড়ির লোকজন শাহজালালকে জানালে তিনি সাবিনাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। বিষয়টি স্বীকার করেন সাবিনা।

বুধবার রাতে বাড়ির সবার অজান্তে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রেমিক ইউসুফের সঙ্গে পালিয়ে যান সাবিনা। খবর পেয়ে শাহজালাল তার শ্বশুরসহ আত্মীয়স্বজনদের বিষয়টি জানান।

১৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে প্রেমিকের মোবাইল নম্বর থেকে সাবিনা ফোন করে স্বামী শাহজালালকে বলেন, ‘আমি প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে গেছি, তুমি টেনশন কইরো না।’

স্ত্রীর মুখে এমন কথা শোনার পর স্বামীর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে। উপায় না পেয়ে শাহজালাল মুক্তাগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মুক্তাগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহাম্মদ মোল্লা বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি জিডি হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




নতুন চুক্তিতে যে সব সেক্টরে কর্মী নেবে দুবাই সরকার













আমাদের দেশের কিছু সাংবাদিকদের সাংবাদিকতা দেখলে মাঝে মাঝে অবাক হই, কোনদিন জানি পুরো বাংলাদেশকেই নাই করে দেয়। এই কাজে একধাপ এগিয়ে আছে অনলাইন নামক ভাইরাস পত্রিকা, যা মুহুর্তে ছড়িয়ে যায়। দু:খজনক হলেও সত্য এদের ফলোয়ার দেশের নামকরা নিউজ পেপার থেকে অনেক বেশি। মোরল নিউজ, অন্ধকার খবর, এখনই খবর, দ্রুত খবর আরও কি সব সাংঘাতিক নাম! এদের নিউজ করার স্টাইলটা হচ্ছে এমন-

ধরুন, আপনি যদি বলেন আপনার সন্তান হবে তারা যেন আপনার সন্তান হলে একটা নিউজ পাবলিশ করে।আপনার বউ হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তারা নিউজের হেডলাইন করবে অমুকের ৩ বছরের তিনটা বাচ্চা হয়েছে। আপনি মাথায় হাত দিয়ে বলবেন, হায়রে আমার সন্তান তো এখনো দুনিয়াই দেখলো না, আর এরা তো আমারে তিন বছরের তিনটা বাচ্চার বাপ বানাইয়া ছাড়লো, কি সাংঘাতিক!

বাংলাদেশের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের (দুবাই) ভিসা উন্মুক্ত হয়েছে। তারপর গত তিনদিন থেকে এই নিউজ কয়েক হাজার বার আমাদের দেশের নিউজ পেপারগুলো পাবলিশ করেছে।কিন্তু সেখানে কি ধরণের চুক্তি হয়েছে, তা উল্লেখ না করে শুধু বাংলাদেশীদের জন্য আমিরাতের ভিসা উন্মুক্ত এই নিউজই প্রচার করে যাচ্ছে।সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে সবাই তা শেয়ার করে যাচ্ছে।গত দুইদিন থেকে ফেসবুকে শুধু এই নিউজ দেখে মাথা খারাপ অবস্থা। অনেকেই ইনবক্সে মেসেজ দিচ্ছে, আবার কেউ কেউ নিউজ এর লিংক দিচ্ছে- এর সত্যতা জানতে চাচ্ছেন ইত্যাদি ইত্যাদি!!
আসুন সবকিছু পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেই-

বলা হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে ১৯ ক্যাটেগরীতে লোক নেবে। এখন এই ১৯ ক্যাটেগরীতে কারা আছেন:

১. গৃহ পরিচালিকা।
২. ব্যক্তিগত নাবিক।
৩. বাড়ির নিরাপত্তা কর্মী।
৪. ঘরের মেষপালক।
৫. পারাবারিক গাড়ির ড্রাইভার।

৬. গাড়ির পার্কিং পরিষ্কার কর্মী।
৭. গৃহপালিত ঘোড়ার রক্ষক।
৮. গৃহপালিত বাজপাখির রক্ষক।
৯. ঘরের ভেতরের কর্মী।

১০. বাড়ির কেয়ারটেকার কর্মী।
১১. ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক।
১২. ব্যক্তিগত শিক্ষক।
১৩. বাচ্চাদের সেবক।
১৪. বাড়ির অভ্যন্তরীণ কৃষক।
১৫. বাড়ির মালি।

১৬. ব্যক্তিগত নার্স।
১৭. ব্যক্তিগত পিআরও।
১৮. ব্যক্তিগত কৃষি-ফার্মের প্রকৌশলী।
১৯. ঘরের বাবুর্চি

জেনে রাখুন, একজন লোকাল আরাবিক চাইলে যে কোন সময় তালিকায় দেয়া কর্মী নিয়োগ দিয়ে পারেন।ভিসা বন্ধ থাকাকালীনও অনেক লোক এই ক্যাটেগরীতে ট্রান্সফার হয়েছেন এবং এখনো হতে পারবেন।

উপরে উল্লেখিত তালিকায় ১৭ ক্যাটেগরীর ভিসা আগে থেকেই খোলা ছিল। এখানে দুটো ক্যাটেগরী যোগ করা হয়েছে। নতুন করে করা এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে শুধুমাত্র তারা কি কি সুযোগ সুবিধা পাবেন তার একটা চুক্তি হলো মাত্র। বলে রাখি ভিসা সংক্রান্ত যে সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে ভিসা চালুর ব্যাপারে উক্ত সমঝোতা শতভাগ নিশ্চয়তা নয়। কারণ, সমঝোতা স্মারক আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক নয়। তবে উক্ত সমঝোতা স্বাক্ষরকে আমরা ভিসা খোলার প্রথম ধাপ হিসেবে নিতে পারি।

নতুন এই সমঝোতায় কোনভাবেই উল্লেখ করা হয়নি যে, যারা প্রফেশনাল ভিসা বা কোম্পানীতে বিভিন্ন কাজে কর্মরত আছেন তারা অভ্যন্তরীন ভিসা পরিবর্তন অথবা নতুন ভিসায় আসতে পারবেন। সুতরাং সব বুঝেশুনে তরপর কাজ করুন। ভিসা খুলেছে শুনেই দালালদের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। তারা এইসব নিউজের সন্ধানে থাকে। সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে ভিসা খুলেছে বলে টাকা হাতিয়ে নেয়।

আর মানুষ সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে এদের পাল্লায় পড়ে। তারপর দালালের পিছে পিছে ঘুরে আর কান্নাকাটি করে! একটু সচেতন হোন, দালালদের খপ্পরে পড়বেন না- জেনে বুঝে কাজ করুন। সব ধরণের ভিসা খুললে সবাই জানতে পারবেন। প্রয়োজনে আপনার পরিচিত আপন কাছের মানুষ যারা এদেশে থাকে, তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। কাউকে টাকা দিয়ে প্রতারিত হবেন না।