‘স্ত্রীকে ছেড়ে জোলিকে বিয়ে করা জীবনের বড় ভুল’

অবশেষে কি তাহলে নিজের ভুলটা বুঝতে পারলেন হলিউডের বিখ্যাত অভিনেতা ব্র্যাড পিট। তার সাম্প্রতিক এক মন্তব্যে এমনই আভাস মিলেছে এবার। অ্যাঞ্জেলিনা জোলির রূপে ভুলে জেনিফার অ্যানিস্টনকে ছেড়ে আসা তার জীবনের সবথেকে বড় ভুল সিদ্ধান্ত বলেই সূত্রের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এখন যখন তার আর জেনিফারের সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক ঝালিয়ে নেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই, ব্র্যাড বুঝতে পারছেন, আজও তাকে কতটা ভালবাসেন তিনি। ৯ বছর সম্পর্কে থাকার পর ২০১৪ সালে বিয়ে করেন হলিউডের দুই তারকা ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। কিন্তু গত বছর ব্র্যাঞ্জেলিনার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
ব্র্যাড জানিয়েছেন, এখন নিজেকে স্পষ্ট করে দেখছেন তিনি, নিজের আবেগ পরিষ্কার বুঝতে পারছেন। এর মধ্যে অবশ্য বেশ অনেক ঘটনাই ঘটেছে আরও।জেনিফারও বিয়ে করেছেন ২০১৫ সালে, ওয়ান্ডারলাস্টে তার সহ অভিনেতা জাস্টিন থেরক্সকে। ব্র্যাড নাকি বলেছেন, জেনিফারের নতুন সংসার তছনছ করার তার কোনও ইচ্ছা নেই। কিন্তু মনে মনে তাকেই ভালবেসে যাবেন তিনি।

ইন্ডিয়া টুডে বলছে, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথে অভিনয় করতে গিয়ে অ্যাঞ্জেলিনার প্রেমে পড়েন ব্র্যাড পিট। সে সময় তিনি জেনিফারের সঙ্গে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ ছিলেন। স্ত্রীর সব আবেদন, অনুরোধ অগ্রাহ্য করে তাকে ডিভোর্স দেন তিনি। জেনিফা এই সিদ্ধান্তে ভেঙে পড়েছিলেন। তারপর ১১ বছর ধরে চলে ব্র্যাঞ্জেলিনা জুটির রূপকথা।

শোনা যাচ্ছে, মাসদুয়েক আগে ব্র্যাড ক্ষমা চেয়েছেন জেনিফারের কাছে, তাকে ছেড়ে অ্যাঞ্জেলিনার কাছে যাওয়ার জন্য। প্রাক্তন স্বামীকে ক্ষমা চাইতে দেখে জেনিফার নাকি কেঁদে ফেলেন, বহু বছর ধরে মনে পুষে রাখা তিক্ততা ধুয়ে যায় চোখের জলে।

কে এই সুন্দরী, কেন তিনি আজ বিখ্যাত? দেখুন কিছু ছবিতে

বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

শাহরুখ ও ট্রাম্প কন্যার নৈশভোজ, মেন্যুতে যা থাকছে

বিশ্ব উদ্যোক্তা সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে এসেই দেশবাসীর মন জিতেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ও উপদেষ্টা ইভাঙ্কা ট্রাম্প।  তারই সম্মানে আজ গ্র্যান্ড ডিনারের আয়োজন করা হয়েছে।

আর এ ডিনার আয়োজনের দায়িত্ব পড়েছে বলিউড কিং শাহরুখ খানের ওপর।

জানা গেছে, হায়দরাবাদের ফলকনামা প্যালেসেই আয়োজন করা হচ্ছে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। তার সঙ্গে রয়েছে গ্র্যান্ড ডিনার।  এই অনুষ্ঠানে শাহরুখ ছাড়াও বি-টাউনের একঝাঁক তারকার থাকার কথা রয়েছে।

ডিনারে কী কী থাকছে ইভাঙ্কার জন্য? 

  • মুরগ পেস্তা কা সালান
  • সীতাফল কুলফি
  • দহি কে কাবাব
  • গোস্ত সিকমপুরি কাবাব
  • কুবানি কে মালাই কোফতা
    সূত্র: জি নিউজ

সিনেমায় অভিনয় এবং পছন্দের নায়কের নাম জানালেন মানুসি

প্রথমে শোনা গিয়েছিল, অভিনয় জগতে আসার কোনো ইচ্ছা নেই সদ্য বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতা ভারতের হরিয়ানার মেয়ে মানুসি চিল্লারের। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছে, এক পা দু-পা করে সেই বলিউডের দিকেই আগাচ্ছেন তিনি।

এর আগে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং প্রিয়াংকা চোপড়াও এসেছেন বলিউড। অভিনয় দিয়ে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন দুজনই। এর মধ্যে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রিয়াংকা আবার পা ফেলেছেন হলিউডেও। এই প্রিয়াংকাই নাকি মানুসির পছন্দের অভিনেত্রী বলে জানালেন তিনি। সিনেমায় প্রিয়াংকার মতোই অভিনয় করতে চান নয়া বিশ্বসুন্দরী।

 

আর এক্ষেত্রে তিনি নায়ক হিসেবে চান বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট আমির খানকে। সোমবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন মানুসি। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়, বলিউডের কোন অভিনেতার সঙ্গে তিনি কাজ করতে চান? উত্তরে মানুসি আমির খানের নাম বলেন। আমিরের সঙ্গে অভিনয় করতে পারলেই তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দ পাবেন বলে অপকটে জানিয়ে দেন।

কারণ হিসেবে মানুসি জানান, ‘আমির খানের ছবিগুলোতে সমাজের নানা সমস্যাগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়। তাতে বাস্তবের স্পর্শ থাকে।’ এ জন্যই ভবিষ্যতে আমির খানের ছবিতে অভিনয় করতে চান তিনি। সেই সঙ্গে সমাজের নারী ও শিশুদের কল্যাণের জন্যও কাজ করে যেতে চান।

চীন থেকে ’৬৭তম বিশ্বসুন্দরী ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় সেরার মুকুট জেতা মানুসি গত শনিবার মধ্যরাতে দেশে ফেরেন। সেই থেকে সপ্তাহজুড়েই মহাব্যস্ত এই তারকা। প্রতিদিনই তাকে হাজির হতে হচ্ছে কোনো না কোনো অনুষ্ঠানে। সব জায়গা থেকেই পাচ্ছেন সংবর্ধনা।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার হায়দ্রাবাদ যাবেন মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড। সেখানে গ্লোবাল ইন্টারপ্রেনারশিপ সামিটে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে থাকবেন তিনি। আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গার বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি তিনি।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিতম্ব প্রতিযোগিতায় সেরা হয়েছেন এই মেয়েটি

সম্প্রতি ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘বেস্ট বাম ২০১৭’ প্রতিযোগিতা (সেরা নিতম্ব ২০১৭)। এ প্রতিযোগিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা তাদের নিম্নাঙ্গের ছবি তুলে তা শৈল্পিকভাবে উপস্থাপন করবে। যাতে করে ঐ ছবিতে নগ্নতার পরিবর্তে ছবির শৈল্পিকতাই বেশি চোখে পড়ে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরের অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নিতম্ব প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছেন ভিতা নামের একজন শিক্ষার্থী।

ভিতা ইংল্যান্ডের ভার্জেনিয়ার একটি কলেজে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করছে। ভিতার কাছে প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ার অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতায় প্রথম হওয়ায় আমার যতটা না ভালো লাগছে, তার চেয়ে বেশি আনন্দ লাগছে এই ভেবে যে, আমি এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পেরেছি।’

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিতম্ব প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবিগুলো সংগৃহীত।

ভিতা আরো বলেন, ‘প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার মাত্র একদিন আগে আমার এক ফটোগ্রাফার বন্ধু আমাকে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে বেস্ট বাম ২০১৭ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বলে। তারপর আমিও রাজি হয়ে গেলাম। কনকনে শীতের সকালে আমাকে গাছের পাশে দাঁড় করিয়ে সেই ফটোগ্রাফার বন্ধুটি ঝটপট কয়েকটি ছবি তুলে নিলো। কিন্তু সেই ছবিগুলো যে এভাবে প্রথম স্থান দখল করে নেবে তা আমি ভাবতেও পারিনি।’

কিন্তু এরকম সাধাসিধে নিতম্বের আলোকচিত্র যে এতো বিপুল ভোটের অধিকারী হতে পারে তা ভিতা ভাবতেও পারেনি। কারণ ভিতার শারীরিক গঠন খুবই সাধাসিধে। অ্যাথলেট কিংবা মডেলদের মতোও নয়। দর্শকদের হয়তো প্রাকৃতিক সাধাসিধে শৈল্পিক নিম্নাঙ্গের ছবিই বেশি নজর কেড়েছে বলে মনে করেন এই প্রতিযোগী। লেখক- তাশফিন ত্রপা

সূত্র: দ্য সান।

জ্যাককে কেন বাঁচানো হয়নি ব্যাখ্যা দিলেন নির্মাতা

‘টাইটানিক’-এর শেষের দিকের সেই দৃশ্যটা পছন্দ হয়নি দর্শকদের। দৃশ্যটি ছিল—সেখানে রোজকে একটা ভাসমান দরজার ওপর উঠিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডায় জমে মারা যায় জ্যাক।

২০ বছর ধরে নানা যুক্তি দিয়ে এই দৃশ্যের বিরুদ্ধে নিজেদের মত প্রকাশ করছেন জ্যাক-রোজ ভক্তরা। তবে ছবির পরিচালক জেমস ক্যামরনের মত কিন্তু ভিন্ন। অনেক দিন ধরেই তিনি যুক্তি দিয়ে বলে আসছেন, যুক্তিযুক্ত কারণেই জ্যাক মারা গিয়েছিল। ২০১২ সালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তি দিয়ে বলেছিলেন, ‘দরজার সেই ভেলায় রোজকে উঠিয়ে দিয়ে জ্যাক কিন্তু চেষ্টা করেছিল ওটায় উঠতে। কিন্তু সেটা উল্টে যেতে পারত। এখানে ভেলার স্থানসংকুলানের কথা আসছে না। দরজাটি যেকোনো একজনকে নিয়েই ভেসে থাকতে পারত। ফলে জ্যাক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেই একজনটা হবে রোজ। বিষয়টি বাস্তবসম্মত করার জন্য একটা কাঠের টুকরার ওপর মানুষজন রেখে প্রায় দুই দিন ধরে পরীক্ষাও করেছিলাম।

পরীক্ষার পর আমরা একমত হয়েছিলাম, সাহায্য করতে আসা জাহাজটি পৌঁছার আগ পর্যন্ত সেই কাঠের টুকরায় একজন মানুষই ভেসে থাকতে পারত। ’

‘টাইটানিক’-এর মুক্তির ২০ বছর পূর্তিতে আবারও সেই তর্ক উঠে এসেছে। এবার ভ্যানিটি ফেয়ার ম্যাগাজিন প্রশ্নটি রেখেছিল জেমস ক্যামরনের কাছে। পরিচালক এই তর্ক-বিতর্কে রীতিমতো ত্যক্ত-বিরক্ত। তাই এই বিতর্ক শেষ করার জন্য এবার পরিষ্কার করেই উত্তর দিলেন, “এর উত্তরটা আসলে খুবই সহজ। কেননা ‘টাইটানিক’-এর চিত্রনাট্যের ১৪৭ পৃষ্ঠায় সাফ সাফ লেখা আছে, জ্যাক মারা যাবে। এর থেকে বোকামির আর কী হতে পারে যে দুই দশক পরও এ বিষয়টি এখনো আমরা আলোচনা করে যাচ্ছি। দর্শকরা যেন জ্যাকের মৃত্যুতে দুঃখ পায়, সে জন্যই আসলে দৃশ্যটা রচনা করা হয়েছিল। জ্যাক যদি বেঁচে যেত তাহলে ছবির সমাপ্তিটা কোনো প্রভাব ফেলত না দর্শকদের মনে। ছবিটির বিষয়বস্তু হচ্ছে মৃত্যু আর বিচ্ছেদের। ফলে জ্যাককে মরতেই হতো। এখানে পদার্থবিজ্ঞানের যতই যুক্তি দেখান না কেন, শৈল্পিকতার কারণে জ্যাককে মরতেই হতো। ”

ইভানকা ট্রাম্প ও মোদিকে দীপিকার ‘না’

হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তিন দিনের আন্তর্জাতিক উদ্যোক্তা সম্মেলন। ২৮ নভেম্বর উদ্বোধনী দিনে সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়ে ইভানকা ও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


সম্মেলনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ‘পদ্মাবতী’ চলচ্চিত্র নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা বলিউড তারকা দীপিকা পাড়ুকোনেরও। তবে তেলেঙ্গানা রাজ্যের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তা আর হচ্ছে না। সম্মেলনে উপস্থিত থাকতে রাজি হননি দীপিকা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আইএএনএস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ নভেম্বর সম্মেলনে ‘হলিউড টু টলিউড’ শিরোনামের একটি সেশনে দীপিকা বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছিলো। তবে সোমবার (২০ নভেম্বর) তেলেঙ্গানা সরকারের তথ্য-প্রযুক্তিবিষয়ক সচিব জয়েশ রঞ্জন জানান, দীপিকা ওই সম্মেলনে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
জয়েশ বলেন, ‘আগে ধারণা করা হয়েছিলো, দীপিকা পাড়ুকোন ওই সেশনে উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু এখন তিনি অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।’ অবশ্য, দীপিকা কেন সম্মেলনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা জানা যায়নি বলে দাবি করেছেন জয়েশ।
উল্লেখ্য, সঞ্জয় লীলা বানসালি নির্মিত ‘পদ্মাবতী’ ছবিটিতে মূল ভূমিকায় রয়েছেন দীপিকা।‘পদ্মাবতী’কে ‍ঘিরে শুরু থেকেই বিতর্ক চলছে। রাজস্থানে শুটিং চলাকালে উগ্রবাদীরা ছবির সেট ভেঙে দেয়। তাদের হাতে চড়ও খেতে হয়েছিল বানসালিকে। ছবির বাকি শুটিং শেষ করা হয় কঠোর নিরাপত্তায়। তবে ১ ডিসেম্বর পদ্মাবতীর মুক্তি ঠেকাতে একের পর এক হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। দীপিকার মাথার মূল্যও ঘোষণা করেছে হরিয়ানা বিজেপি।