কার সঙ্গে প্রেম করছেন ভুতু-পটলের মা? শোনালেন তাঁর প্রেমের গল্প

কাজের সূত্রেই আলাপ, তার পরে কীভাবে ঘনিয়ে উঠল প্রেম? কলকাতার একটি ওয়েবসাইটকে জানালেন সেই প্রেমের গল্প এবং সারপ্রাইজ দিলেন তাঁর মনের মানুষকে।

অনিন্দিতা রায়চৌধুরী ‘পটলকুমার গানওয়ালা’-তে।

টেলিজগতে পা রেখেছিলেন সহকারী পরিচালক হিসেবে, সেই ২০১১-তে। কিন্তু এখন তিনি পুরোপুরি মনোনিবেশ করছেন অভিনয়ে। ‘ভুতু’ ও ‘পটলকুমার গানওয়ালা’-য় স্নেহময়ী মায়ের চরিত্র থেকে ‘তবু মনে রেখো’-র খল-চরিত্র অথবা ‘কাজললতা’-র  পিয়া।  বিভিন্ন মেজাজের চরিত্রেই দর্শক তাঁকে দেখেছেন। এই মুহূর্তে আকাশ ৮-এর ৬ মাসের মেগা ‘বৃদ্ধাশ্রম’-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন।

 

অভিনেত্রী হিসেবে অনিন্দিতার কেরিয়ার যখন একটু একটু করে মজবুত হচ্ছে, ঠিক তখনই ব্যাপারটা ঘটে। এক বছরেরও একটু বেশি হবে, ‘তবু মনে রেখো’-র সেটে পর্ব পরিচালক সিদ্ধান্ত দাসের মুখোমুখি হন অনিন্দিতা।  ‘‘আমি আর ভিক্টো দু’জন দু’জনকে চিনতাম বহু বছর আগে থেকে। প্রথম যখন আমি শুনি যে ও জয়েন করছে, আমার রিঅ্যাকশন ছিল…উফ্‌ফ কেনো? আমি আসলে খুব জোরে কথা বলি এমনিতে। সেটের মধ্যে আমাকে ওইভাবে কথা বলতে দেখে প্রথম প্রথম ভিক্টোর রিঅ্যাকশনও ছিল প্রায় ওইরকমই,’’ জানালেন অনিন্দিতা।

অনিন্দিতা ও সিদ্ধান্ত। ছবি: অনিন্দিতার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে

অভিনেত্রী ও পরিচালকের এই পারস্পরিক বিদ্বেষ যেন ম্যাজিকের মতো উবে গেল এক সপ্তাহের মধ্যেই। পেশাগত বন্ধুত্ব বদলে গেল প্রেমে। অনেকটা ঠিক সিনেমার মতোই। তেমনটাই ধরা পড়ল অনিন্দিতার কথায়— ‘‘আমাদের সম্পর্কটা এইভাবে শুরু হয়েছিল যে একসঙ্গে চলতে শুরু করি, তার  পরে দেখা যাক কোথায় পৌঁছই। প্রায় এক বছর হতে চলল আমরা একসঙ্গে আছি এবং আমি তো বলব খুব সুখে আছি। আসলে ও আর আমি দু’জন দু’জনের পরিপূরক বলা যায়। হি ওয়ান্টস টু ফ্লাই অলওয়েজ অ্যান্ড আই ওয়ান্ট টু স্টে অ্যাট হোম অলওয়েজ। ও জানে যে কখন আমাকে বলবে যে লেটস ফ্লাই আর আমি জানি কখন ওকে বলতে হবে যে নাউ উই শ্যুড স্টপ। এভাবেই আমরা পরস্পরকে রিডিরেক্ট করি। আমার মনে হয় সেটাই আমাদের বন্ডিংয়ের সবচেয়ে সুন্দর দিক।’’

অনিন্দিতা ও সিদ্ধান্ত। ছবি: অনিন্দিতার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে

একই পেশায় সম্পর্ক তৈরি হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। বিশেষ করে অভিনেত্রী ও পরিচালকের মধ্যে পেশাগত আদানপ্রদান থেকে যে কেমিস্ট্রি তৈরি হয়, তা ব্যক্তিগত সম্পর্কের দিকে মোড় নেওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রবল থাকে। কিন্তু সেই সম্পর্কের ভিত মজবুত করাটাই সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। অনিন্দিতা ও সিদ্ধান্ত সেই কাজটি সেরে ফেলেছেন বেশ দ্রুততার সঙ্গে।

এবছর প্রথম ভ্যালেন্টাইনস ডে কাটালেন দু’জনে, কাজের ব্যস্ততার মধ্যেই। প্রেমদিবস পালনের জন্য পেশাগত জায়গায় কোনও রকম গাফিলতি পছন্দ নয় কারোরই। বরং দু’জনেই একসঙ্গে সময় পেলে দুম করে কোথাও বেড়িয়ে পড়তে ভালবাসেন। ‘‘আমরা দু’জনেই খুব বেড়াতে ভালবাসি। তিন-চার ঘণ্টার নোটিসেই বেরিয়ে পড়তে পারি। যেমন আমরা লাস্ট ট্যুর করেছি বেনারস। হঠাৎ দেখলাম দু’জনেরই চারদিনের ছুটি। সকাল উঠে ঠিক করলাম। দুপুরে টিকিট কেটে, রাতে রওনা হয়ে গেলাম,’’ জানালেন অনিন্দিতা। সঙ্গে এও জানালেন যে তিনি যে এবেলা ওয়েবসাইটকে জানিয়েছেন তাঁদের প্রেমের গল্প, সেটা সিদ্ধান্ত এখনও জানেন না— ‘‘আমার তরফ থেকে এটাই আমার ভ্যালেন্টাইন গিফট ভিক্টোকে!’’  সূত্র- এবেলা

বিয়ে করলেন ‘ইচ্ছেনদী’-র মেঘলা ওরফে সোলাঙ্কি রায়! দেখুন ছবির অ্যালবাম…

ইচ্ছেনদী’র মেঘলা নামেই এখন তাকে চেনেন বাংলা টেলিভিশনের দর্শকরা। রূপে লক্ষ্মী, গুণে সরস্বতীর উদাহরণটা তার সঙ্গে বেশ ভালো মানায়। সুন্দরী, মিষ্টভাষী সোলাঙ্কি রায় মেগা ধারাবাহিক ‘ইচ্ছেনদী’র একটি মুখ্য চরিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী। মেঘলা ওরফে সোলাঙ্কি রায় এবার নয়া ইনিংস শুরু করেছেন। ইচ্ছে নদীর পর লম্বা একটা ব্রেক নিয়েছিলেন বটে। কিন্তু অভিনয় ছেড়ে দেননি। ছুটির মাঝে বিয়েটা সেরে ফেলেছেন । গোগোল বসুরকে বিয়ে করলেন এই অভিনেত্রী।

দেখুন বিয়ের কিছু ছবি

ছবি সৌজন্য: অর্প সেন, সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, লিজা গোস্বামী ও রিম্পা রায়

ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব, রেপ করে চলে যাবে : দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন তাপস

‘ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দেব, রেপ করে চলে যাবে’- এমন বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য অবশেষে ক্ষমা চেয়েছেন টালিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেতা তাপস পাল।

হাইকোর্ট থেকে ১৩ মাস পর জামিন পেয়ে ওই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন ‘আমি দেশবাসীর কাছে ওই উক্তির জন্য ক্ষমা চাইছি।’

অভিনেতা তাপস পাল পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য। তিনি নদিয়ার নাকাশিপাড়ার এক জনসভায় বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন।

২০১৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর রোজভ্যালি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় তিনি গ্রেফতার হন। গত বছরের মার্চ থেকে তিনি ভূবনেশ্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ মামলায় জামিনের পর শনিবার রাতে রাজনৈতিক জীবনে ফেরা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তাপস চুপ থাকলেও তিনি অভিনয়ে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন।

এর আগে এ ব্যাপারে তাপসের সিনেমা ও রাজনীতির জগতের সহকর্মী শতাব্দী রায় মন্তব্য করেছিলেন, ‘একটা ভুল সারা জীবন কেন বয়ে বেড়াতে হবে? কোনো কারণে বলে ফেলেছিলেন। অনুশোচনা হচ্ছে- এটিই তো বড় কথা। তার ওপরে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন।’

তাপসের জামিন নিয়ে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব কোনো মন্তব্য করেনি। এ ব্যাপারে তাপসের বক্তব্য- ‘আমি জানি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন।’ -খবর এবিপি আনন্দ।

রোহিঙ্গাদের জন্য গাইলেন কবীর সুমন, বর্মিদের বর্বরতা নিয়ে যা বললেন…

জুমবাংলা ডেস্ক: আরো একবার গর্জে উঠলো কবীর সুমনের প্রতিবাদী সত্ত্বা, মিয়ানমারে চলতে থাকা রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধনের নিন্দা করে রচনা করলেন নতুন গান।

পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত এই সংগীতশিল্পী বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ফেইসবুক ফ্যানপেইজ আর সাউন্ডক্লাউডে প্রকাশ করেন ‘রোহিঙ্গা’ শিরোনামের গানটি।

এক সাক্ষাৎকারে কবীর সুমন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও কলকাতার অনেক বন্ধুরা আমাকে অনুরোধ করেছিলো এরকম একটা গান লিখতে, সেকথা সত্যি। এরকম বিষয়ের উপর তো আসলে গান করতে খুব কষ্ট হয়। তারপরও করলাম, একটা সামাজিক সচেতনতার যায়গা থেকে। এই গান থেকে মানুষকে যদি কিছুটা ভাবানো যায়…’

এর পরপরই একটু দম নিয়ে নিজের বক্তব্যের প্রতি নিজেই সন্দেহ প্রকাশ করলেন সুমন।

বললেন, ‘আসলে সেটা এখন আর হয় কিনা জানিও না। এখন আর মানুষ, গান-কবিতা-নাটক থেকে কিছু গ্রহণ করে কিনা… সেটা আর আমার খুব একটা মনে হয় না।’

গান কি তবে এখন আর মানুষকে ভাবায় না?

এমন প্রশ্নে কবীর সুমনের উত্তর, ‘দীর্ধদিন ধরেই তো বেঁচে আছি, গান করছি, গান লিখছি, কিন্তু মানুষ তো বদলায়নি। মানুষ যেরকম বর্বর ছিলো সেরকমই তো আছে। নাহলে রোহিঙ্গাদের সাথে যা করছে ওরা, এটা কি মানুষ করতে পারে? তাই গান লিখে মানুষকে শোধরানো যায় না- এটাই মনে হয় এখন অনেক বেশি।’

কবীর সুমনের ‘রোহিঙ্গা’ শীর্ষক গানটির কথা হুবহু তুলে দেওয়া হলো :

বর্মিবাহিনী নেমেছে মাঠে
রোহিঙ্গা জানে কে গলা কাটে
শান্তিপদ্মে কী ভীষণ হুম
রোহিঙ্গা জানে রাত্রি নিঝুম।

মিডিয়া-ছবিতে অস্ত্র হাতে
গেরুয়াধারীরা অনেক রাতে
রোহিঙ্গাদের নিধনে শান্তি
বর্মিবাহিনী নধরকান্তি।

হাজার বছর আরাকানে বাস
রোহিঙ্গাদের থেঁতলানো লাশ
রোহিঙ্গা মেয়ের গর্ভে লাথি
ভ্রূণ হত্যার মসলাপাতি।

এ হলো মানুষ তীর্থফেরা
সবার ওপরে সত্য এরা
কারা রোহিঙ্গা কী যায় আসে
বসছে শকুন শিশুর লাশে।

স্বাগত শকুন তোমারই যোগ্য
আমরা মানুষ পোকার ভোগ্য
উপড়ানো চোখ তোমাকেই দেব
শুনলে এ গান রোহিঙ্গা ভেব।

অভিনয় করেই পুরো সংসার চালায় ১৫ বছরের এই কিশোরী

মাত্র আড়াই বছর বয়সে কলকাতা দূরদর্শনের একটি ডকুমেন্টরি ফিল্ম দিয়ে শুরু। এরপর কিছুদিনের বিরতি।
সেসময় মধ্যবিত্ত বাবা-মা চাননি মেয়ে এতটুকু বয়সে অভিনয় করুক। বাবা অলোক রায় তখন ফিল্মি দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু, ভাগ্য বলেও তো একটা কথা আছে। আসতে শুরু করল একের পর এক কাজের সুযোগ।

অভিনয়ের মজা কাঁধে চেপে বসল ছোট্ট দিতিপ্রিয়ার। পুরোদমে অভিনয় শুরু করল সে। এখন তার বয়স ১৫। এই বয়সেই নিজের ও পরিবারের অন্ন সংস্থানের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছে। সংসার চলে তার রোজগারে।
বাবা অলোক রায় ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাঁর চিকিৎসার দায়িত্বও দিতিপ্রিয়ার কাঁধে।

একান্নবর্তী পরিবারে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীকে নিয়ে থাকা দায়। তাই বাবা-মাকে সঙ্গে নিয়ে অন্যত্র বাড়ি ভাড়া করে থাকে সে। ঘরের কাজেও পটু। ঘরের কাজে মাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। লেখাপড়াতেও ভালো। ক্লাস নাইনেও পঞ্চম স্থান পেয়েছে। এর মধ্যেই ঋতুপর্ণ ঘোষ, অনুরাগ বসু, সৃজিত মুখোপাধ্যায়, অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, সুদেষ্ণা রায় সহ বহু পরিচালকের সঙ্গে কাজ করা হয়ে গিয়েছে আজকের রানি রাসমণি ওরফে দিতিপ্রিয়া রায়ের।

ধারাবাহিকের ঝুলিও পরিপূর্ণ। মা, দুর্গা, অপরাজিত, তারে আমি চোখে দেখিনি, সাধক বামাক্ষ্যাপা সবেতেই তাকে দেখেছে দর্শকরা। টিভি সিরিজ ব্যোমকেশেও অভিনয় করেছে অভিনেত্রী।

‘বিয়ে করছি আমরা, বাবা-মা করছে প্ল্যানিং’

পুজোর আর বাকি মাত্র কয়েকটা দিন, কেনাকাটায় ব্যস্ত প্রায় সকলেই। কিন্তু সেলিব্রিটিদের পুজো ফ্যাশন কি বা স্পেশাল কি রাখছেন এ বছরের পুজোর তালিকায় সে সংক্রান্ত সব আপডেট তুলে ধরছে । সেরকমই টলিউডের মিষ্টি জুটি গৌরব ঋদ্ধিমার পুজো ফ্যাশন কি সেই নিয়ে খোলামেলা আড্ডা দিলেন দুজনেই।

তোমাদের তো সামনেই বিয়ে, বিয়ের আর পুজোর কেনাকাটা কি একসঙ্গেই চলছে?
ঋদ্ধিমা: কেনাকাটা সারা বছরই চলতে থাকে৷ বিয়ের কেনাকাটা তো চলছেই৷ তার মধ্যে পুজোর কেনাকাটা একটু আলাদা হয়৷ প্রিপারেশন ফর পুজো বলতে আমার মনে হয় শপিংটা খুব জরুরি। বিয়ের কেনাকাটাও এর সঙ্গেই চলছে।

এখন যেমন ফ্যাশনের ট্রেন্ড, ছেঁড়া-ফাটা জিন্স, তা তোমার ফ্যাশনের ট্রেন্ডটা কী?
ঋদ্ধিমা: আমি কোনদিনই ফ্যাশনের ব্লাইন্ড ফলোয়ার নই৷ এরকম অনেক কিছুই ফ্যাশন ট্রেন্ড এসেছে যেগুলো আমি হয়তো সেভাবে ফলো করিনি। কারণ আমি মনে করি ওটা আমার সঙ্গে যাবে, তাই সব ফ্যাশন ট্রেন্ড যে ফলো করি তা নয়।

এবার একটু গৌরবের সঙ্গে কথা বলা যাক, তুমি তো ঋদ্ধিমাকে হেল্প করছো শপিং করতে৷ তা তুমি কি ধরনের ড্রেস পচ্ছন্দ করছো ওর জন্য, আর নিজের জন্যই বা কি ধরনের ড্রেস দেখলে?
গৌরব: হ্যাঁ, আমার মনে হয় ঋদ্ধিমাকে সব ড্রেসেই ভালো লাগবে, বিশেষ করে ওকে অরেঞ্জ আর ইয়েলো কালারটায় বেশি ভালো লাগবে, কারণ ওর কমপ্লেক্সন ব্রাইট। আর আমি নিজের জন্য সব সময় কমফোর্টেবেল ড্রেসই পছন্দ করি, কারণ নিজে যেটাতে কমফোর্ট থাকি আমার মনে হয় সেটাই আমার জন্য ভালো।

আচ্ছা ঋদ্ধিমার কাছে আসা যাক, তুমি তো সারা বছর ডায়েট চার্ট মেনে চলো, তো পুজোর সময় কি প্ল্যান? ডায়েট কিভাবে মেনটেন করবে?
ঋদ্ধিমা: (একটু হেসে), আমি এমনিতেও সারাবছর তেমন ডায়েট চার্ট মেনে চলিনা, প্রচুর খাওয়া-দাওয়া করি। পুজোর সময় তো অষ্টমীর ভোগ আমার খুব প্রিয়।

দুজনের পুজোর কী প্ল্যানিং?
গৌরব, ঋদ্ধিমা: তেমন আলাদা করে কিছু প্ল্যানিং নেই, তবে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে আনন্দ করে কাটবে। ইউজুয়ালি সেটাই হয়, বন্ধুদের বাড়ি আড্ডা (ঋদ্ধিমা)।
হ্যাঁ, বিশেষ করে কলকাতায় যে বন্ধুরা থাকে তাদের সঙ্গে তাদের বাড়িতে আড্ডা দিয়ে পুজো কাটবে(গৌরব)।

বিয়ের আগে অলরেডি তোমরা একটা পার্টি করেছো, তো বিয়ে নিয়ে কী প্ল্যানিং তোমাদের?
ঋদ্ধিমা, গৌরব: বিয়ে নিয়ে বাবা-মা প্ল্যানিং করেছে, আমরা খুব এনজয় করবো, সবাইকে ইনভাইট করা, ওই একটু-আধটু সাহায্য করছি। ব্যাস।

দেব, মুনমুনদের সম্পত্তির হিসেব জানেন! দেখে নিন আরও অনেকের

দেখে নিন তৃণমূল কংগ্রেসের বিশিষ্ট সাংসদদের নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া সম্পত্তির মোট পরিমাণ।

শতাব্দী রায়। সম্পত্তি— ৫ কোটি ৪৯ লাখ ৭২ হাজার ১৭৪ টাকা। (২০১৪)

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্পত্তি— ১ কোটি ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ২৭২ টাকা। (২০১৪)

ডেরেক ও ব্রায়েন। সম্পত্তি— ৮ কোটি ৬৩ লাখ ৭৯ হাজার ৪৯১ টাকা। (২০১৪)

দীপক অধিকারি (দেব)। সম্পত্তি— ১৫ কোটি ২৪ লাখ ৪৭ হাজার ১৫৯ টাকা। (২০১৪)

মুনমুন সেন। সম্পত্তি— ১ কোটি ৫৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা। (২০১৪)