কে এই ‘ইনস্টা কুইন’ সুন্দরী? দেখুন কিছু সুপার হট ছবিতে

ছবিতে দেখছেন ‘ইনস্টা কুইন’ বলে পরিচিত সেলেনা গোমেজকে।

তাঁকে ‘ইনস্টা কুইন’ বলে ডাকার নেপথ্যে কারণ হল, তাঁর ছবি ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি লাইক পায়।
ইনস্টাগ্রামে পপ স্টার সেলেনার ফ্যান ফলোয়ার্সের সংখ্যা কোনও সেলিব্রিটির চেয়ে কম নয়।
কিছুদিন আগেও উইকেন্ড নামের এক গায়কের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন জাস্টিন বীবরের প্রাক্তন প্রেমিকা সেলেনা। শোনা যাচ্ছে, ফের তিনি জাস্টিনের কাছে ফিরে আসছেন।
ইনস্টাগ্রামে দেড় কোটির বেশি ফলোয়ার রয়েছে সেলেনার।

আগে দেখুন তাঁর আরও কিছু ছবি…

দেখুন শাহরুখ কন্যা সুহানার না দেখা ১০টি সুপার হট ছবি

বিশ্বের নানা দেশে প্রতিবছর ৩১ অক্টোবর উদযাপন করা হয় হ্যালোইন উৎসব। সে ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৮ অক্টোবর) এক জমকালো পার্টির আয়োজন করেছিলেন শাহরুখ খানের স্ত্রী গৌরী খান। হ্যালোইন পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন- বলিউড অভিনেত্রী মালাইকা আরোরা, অভিনেতা হৃতিকের প্রাক্তন স্ত্রী সুজানা খান, অনিল কাপুরের ভাই সঞ্জয় কাপুর, আরবাজ খান, সুশান্ত সিং রাজপুত, ডিজাইনার মনীষ মালহোত্রা ও ইলিয়েনা ডি’ক্রুজসহ প্রমুখ।

মজার ব্যাপার হল- অনুষ্ঠানে এত বাঘা বাঘা তারকা থাকা সত্ত্বেও সকলের নজর কেড়েছেন শাহরুখ খানের মেয়ে সুহানা খান। সোনালি রঙা একটি শর্ট পোশাক পরে পার্টিতে উপস্থিত হয়েছিলেন সুহানা। লালগালিচায় হেঁটে আলোকচিত্রীদের সামনে পোজও দিয়েছে তিনি।

এদিকে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি স্থানে দেখা গেছে সুহানাকে। সেখানে সাধারণত ছবির অডিশন অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

দেখে নিন শাহরুখ কন্যা সুহানা খানের না দেখা এক্সক্লুসিভ [১৮+ ছবি]

এই বলিউড তারকাদের তারকা হওয়ার আগে কাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল

ক্যারিয়ারের গোড়ার দিকে অভিনেতা নীহার পাণ্ড্যের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল দীপিকার। এমনকী, দু’জন লিভ-ইন সম্পর্কেও ছিলেন। নীহারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে রণবীর কাপুরের সঙ্গে সম্পর্কে যান।

ইমরান খানের বউ অবন্তিকা মালিকের উপরে ক্রাশ ছিল রণবীর কাপুরের।

মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার আগে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অসীম মারচেন্টের।

এখন সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে ডেট করছেন আলিয়া ভাট। কিন্তু আগে তার সাবেক প্রেমিক ছিলেন আলি দাদারকার। দু’জন এক স্কুলে পড়তেন।

বেঙ্গালুরুতে মডেলিং করার সময়ে আনুশকা শর্মা ডেট করতেন জোহেব ইউসুফ নামে একজন মডেলের সঙ্গে।

মডেল রাজীব মুলচন্দানির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ঐশ্বরিয়ার। বিচ্ছেদের পরেই সালমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

ফেম সিনেমার ম্যানেজিং ডিরেক্টর আদিত্য শ্রফের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল সোনাক্ষী সিংয়ের।

বাহরাইনের প্রিন্স হাসান বিন রশিদ আল খলিফার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল শ্রীলঙ্কার সুন্দরী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজের। ২ বছর সম্পর্ক ছিল।

সালমান খানের বোন অর্পিতা খানের সঙ্গে ডেট করেছিলেন অর্জুন কাপুর।

এবেলা পত্রিকার খবরে বলা হয়, কলেজে পড়ার সময়ে হেমা মালিনীর ছোট মেয়ে অহনার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল রণবীর সিংয়ের। পরে আদিত্য রায় কাপুরের সঙ্গেও প্রায় দু’বছর সম্পর্ক ছিল অহনার।

‘টাইটানিক’ ছবিতে জ্যাককে কেন মেরে ফেলা হয়েছিল?

টাইটানিক ছবিতে কেন জ্যাককে (লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও) মেরে ফেলা হয়েছিল এ প্রশ্নটি অনেক দিন থেকেই ঘুরছিল দর্শকদের মাঝে। জ্যাকের অমন করুণ মৃত্যুতে অনেকে আবার চোখের জলও ফেলেছেন অঝরে। আর পরিচালককে দাড় করিয়েছেন প্রশ্নের কাঠ গড়ায়। এমন তো না করলেও পারতেন নির্মাতা জেমস ক্যামেরন।

ছবির কাহিনী বদলে জ্যাকের সাথে তো রোজের প্রেমকে আরও দীর্ঘ পারতেন পরিচালক! কিন্তু কেন করলেন না? জেমস ক্যামেরন বরাবরই এড়িয়ে গিয়েছিলেন প্রশ্নটি। এ বছরেই সর্বকালের অন্যতম সেরা এ ছবিটি বিশ বছরে পা দিয়েছে। আর সেই মুহূর্তেই এমন জটিল এক প্রশ্নের উত্তর দিলেন তিনি।

ক্যামেরন বললেন, ‘ছবিতে জ্যাককে মেরা ফেলার কারণটা আসলে খুব সাধারণ। মূলত টাইটানিক হল একটি মৃত্যু আর বিচ্ছেদের গল্প। মৃত্যুই দু’জন মানুষকে চূড়ান্তভাবে আলাদা করে ফেলে। তাই জ্যাককে বেঁচে রেখে রোজের সাথে তার মিলন দেখালে ছবিটি পুরোপুরি অর্থহীন হয়ে যেত। আমরা চেয়েছিলাম টাইটানিককে একটি ট্রাজিডি হিসেবেই দেখাতে।’

তিনি আরও জানান, স্ক্রিপ্টের ১৪৭ নম্বর পেজে লেখাই ছিল ছবিতে নায়ক জ্যাক মারা যাবে আর নায়িকা তার স্মৃতি রোমন্থন করেই কাটিয়ে দেবেন বাকিটা জীবন। তাই জ্যাককে না মেরে উপায় ছিল না। আর এজন্যেই ছবির একেবারে শেষ মুহূর্তে গহীন আটলান্টিকের মাঝে রোজ তার কাঠের দরজাটি জ্যাকের সাথে ভাগাভাগি করেননি। চাইলে সেই টুকরোটি ধরে রেখে তারা দুজনই বাচতে পারতেন।

বিশ্ব চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম সফল ছবি হল টাইটানিক। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে মুক্তি পায় জেমস ক্যামেরনের এ ছবিটি। আর সে সময় ছবিটি দেখেননি এমন মানুষ হয়তো খুব কমই পাওয়া যাবে। ছবিটির মধ্য দিয়ে পরিচালক চেয়েছিলেন জীবন্ত ইতিহাসকে তুলে ধরতে। ধনীর ঘরের মিষ্টি মেয়ে রোজের সাথে নিম্নবিত্ত ঘরের জ্যাকের প্রেমকে কেন্দ্র করেই নির্মাণ হয়েছে ঐতিহাসিক এ ছবিটির। -ডেকান ক্রনিকল

কে এই সুন্দরী, কেন তিনি আজ বিখ্যাত? দেখুন কিছু ছবিতে

বছর দশেক আগের কথা। মা ও ভাই-বোনদের হাত ধরে দক্ষিণ সুদান থেকে রিফিউজি ক্যাম্প হয়ে কেনিয়া যান তিনি। অবশেষে খালি পায়ে পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রে। সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর।

তিনি আর কেউ নন, আন্তর্জাতিক মডেলিং দুনিয়ায় যার পরিচিতি ‘কুইন অফ দ্য ডার্ক’ নামে; তার প্রকৃত নাম নেয়াকিম গ্যাটওয়েক। ‘মডেল’ শব্দের অর্থ কী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত সেটাই জানতেন না তিনি।

ভাগ্যের কী লীলা! ২৪ বছর বয়সে এসে সেই তারই ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যা প্রায় তিন লাখ। অথচ এক সময় গায়ের রংয়ের কারণে উঠতে-বসতে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।

নেয়াকিম জানান, যুক্তরাষ্ট্রে এসে তিনি স্কুলে ভর্তি হন। প্রথম দিকে সেখানেও তাকে গায়ের রঙের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। কিন্তু হার মানার মেয়ে নন তিনি।

নিজের সাফল্যের প্রধান কারণ হিসেবে নেয়াকিম জানান, নিজেকে ভীষণ ভালবাসি। ভালবাসি আমার গায়ের রং। নিজেকে ভাল না বাসলে, অন্য কেউ আপনাকে ভালবাসবে না।

সফল এই মডেল চান বিশ্ব দরবারে সুদানের কথা তুলে ধরতে। তার খুব ইচ্ছে, নিজের জন্মভূমির জন্য কিছু করার। বিশেষ করে সেখানকার ছোট ছোট অসহায় মেয়েদের জন্য কিছু করার।

বলিউডের যে তারকারা ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয়ে সংযম হারিয়ে কেলেঙ্কারি করেছেন

আই ডোন্ট লাভ ইউ নামের অনেকেই হয়তো এই ছবিটি দেখেননি। তবে এই ছবিটি শিরোনামে উঠে এসেছিল ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের সৌজন্যে।

দুই অভিনেতা চেতনা, রুশলান মুমতাজের বেশ কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল। সেখানেই রুশলান নাকি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন, এতটাই যে সহ অভিনেতা চেতনার পোশাকের বোতাম খুলে ফেলেন। পরে যদিও তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন।
বলিউড এখন অনেকটাই এগিয়েছে। ঘনিষ্ঠ দৃশ্য এখন প্রায় দেখা যায় রুপালি পর্দায়। যাইহোক, কিছুদিন আগেই মুক্তি পাওয়া ‘আ জেন্টলম্যান’ ছবিতে জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজের সঙ্গে ‘কিসিং’ দৃশ্যে সংযম হারান সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং জ্যাকলিন— দু’জনেই। ডিরেক্টর ‘কাট’ বললেও চুম্বনে ইতি টানেননি দু’জনে।

একটি ভারতীয় বিনোদন প্রচারমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘ইয়ে জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি’ ছবির শুটিংয়ের সময় রণবীর কাপুর ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করার সময় সহ অভিনেত্রী ইভলিন শর্মার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েন। পরিচালকের কাটের তোয়াক্কা না করেই নিজের প্রেম-পর্ব চালিয়ে যান রণবীর কাপুর।

জয়া প্রদার সঙ্গে একটি ছবিতে অন্তরঙ্গে দৃশ্যে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে থাপ্পড় খেতে হয়েছিল দিলীপ তাহিলকে। শুটিংয়ের সময় জয়াপ্রদাকে পেয়ে ‘হিংস্র’ হয়ে উঠেছিলেন দিলীপ তাহিল। তবে থাপ্পড় হজম করে শেষ পর্যন্ত বাস্তবে নেমে আসেন তিনি।

একটি ধর্ষণের দৃশ্যে মাধুরীর সঙ্গে অভিনয় করার সময় সময়জ্ঞান হারান খলনায়ক রণজিৎ। মাধুরী এতটাই আশ্চর্য হয়েছিলেন যে শোনা যায়, বেশ কিছুদিন শকের মধ্যে কাটাতে হয়েছিল তাঁকে।

গোল্ড মেডেল সিনেমায় একটি দৃশ্য এমন ছিল যে খলনায়ক প্রেমনাথ ‘টিজ’ করবেন সুন্দরী নায়িকা ফরিয়ালকে। তবে সেই দৃশ্যে ফরিয়ালকে দেখে সামলাতে পারেননি প্রেমনাথ। চিত্রনাট্যে না থাকলেও ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন নায়িকার উপর। সেটে অন্য কলাকুশলীরা থাকলেও গ্রাহ্য করেননি তিনি। অনেক কষ্টে ফরিয়াল নিজেকে মুক্ত করেছিলেন।

প্রেম ধর্ম সিনেমায় অভিনয় করার সময়েও ডিম্পল কাপাডিয়ার সামনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিলেন সুপুরুষ বিনোদ। সেই সময় নিজের কেরিয়ার তুঙ্গে বিনোদের। এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে ডাবল শিফট-এ শুটিং করতেন তিনি। প্রেম ধর্ম সিনেমায় শুটিংয়ের সময় নাইট শিফট করতে হয়েছিল তারকাকে। যাই হোক, রাতে অন্তরঙ্গ দৃশ্যে সীমারেখা মানেননি তিনি। আকড়ে ধরে ডিম্পলকে পাগলের মতো চুমু খেতে শুরু করে দিয়েছিলেন বিনোদ। পরিচালক মহেশ ভাট ‘কাট’ বললেও থামেননি বিনোদ।

বিনোদ খান্না—মাধুরী দীক্ষিতের অন্তরঙ্গ দৃশ্য সাড়া ফেলে দিয়েছিল বলিউডে। দয়াবানে নিজের বয়সের থেকে অনেকটাই ছোট মাধুরীর সঙ্গে অভিনয় করতে গিয়ে একসময় নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলেন। মাধুরীর শরীরী মাধুর্যে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন বিনোদ যে ঠোঁট কামড়ে দিয়েছিলেন।

অক্ষয়ের জীবন পাল্টে গিয়েছিল এক ফ্লাইট ‘মিস’ করেই!

ফ্লাইট মিস করার কারণেই বদলে গিয়েছিল অক্ষয় কুমারের জীবন। রাজীব ভাটিয়াকে খিলাড়ি কুমার করে তুলেছিল ওই একটাই ‘ভুল’।

তখন সদ্য মডেলিং করা শুরু করেছেন আক্কি। কাজের সূত্রে বেঙ্গালুরু যাওয়ার কথা। বিমান ছাড়ার সময় সকাল ৬টায়। কিন্তু, অক্ষয় ভেবেছিলেন সন্ধ্যা ৬টার বিমানে চাপতে হবে। ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা বেজে ১০। তখনও ঘুমোচ্ছিলেন অক্ষয়। হঠাৎ সেই মডেলিং এজেন্সি থেকে ফোন, ‘কোথায় আপনি?’ পড়ি কী মরি করে ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে বলেন, ‘আমি তো ঘরে আছি। ’

এ কথা শুনেই উল্টো দিকের মানুষটি আক্কিকে চূড়ান্ত ভাবে অপমান করে বলেছিলেন,‘তুমি চূড়ান্ত অপেশাদার। জীবনে কখনও উন্নতি করতে পারবে না।

’ নায়ককে ফেলে রেখেই চলে যান তাঁরা।
কাঁদতে কাঁদতে দিনের অনেকটা সময় কেটে গিয়েছিল। কী করবেন সারাটা দিন বুঝতে পারেননি। এর পর রওনা দেন মুম্বাইয়ের নটরাজ স্টুডিওতে। কিন্তু সে দিনই যে তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যাবে, এমনটা ভাবতে পারেননি তিনি। স্টুডিওর এক কোণে অক্ষয় তখন দাঁড়িয়েছিলেন। সে সময় পরিচালক প্রমোদ চক্রবর্তীর কম্পানির মেকআপ ম্যানের চোখে পড়ে যান। তিনি তাঁকে নিয়ে যান প্রমোদ চক্রবর্তীর কাছে। এবং প্রথম সাক্ষাতেই অক্ষয়কে পরবর্তী তিনটি ছবির জন্য সাইন করিয়ে নেন পরিচালক। গোটাটাই স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছিল নায়কের। ঘোরটা কাটল সে দিন সন্ধ্যায়। যখন প্রমোদ চক্রবর্তী তাঁর হাতে চেক ধরিয়ে দিলেন। প্রথম ছবির জন্য ৫০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় ছবির জন্য ১ লক্ষ টাকা। এবং তৃতীয় ছবির জন্য দেড় লক্ষ টাকা। মোট তিন লক্ষ টাকার চেক ওই সন্ধ্যাতেই তখন তাঁর হাতে।

১৯৯২ সালে মুক্তি পেল প্রমোদ চক্রবর্তী পরিচালিত অক্ষয় অভিনীত প্রথম ছবি ‘দিদার’। বাকিটা ইতিহাস। সম্প্রতি ‘মিড ডে’কে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জীবনের মোড় ঘুরে যাওয়ার এই কাহিনি তুলে ধরেছেন খিলাড়ি কুমার। আনন্দবাজার