আরিফিন শুভ’র ‘ভালো থেকো’র খন্ডিত চিত্র, দেখুন ছবিতে

জুমবাংলা বিনোদন ডেস্ক: বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে জাকির হোসেন পরিচালিত আরিফিন শুভ’র ‘ভালো থেকো’। এতে শুভ’র বিপরীতে অভিনয় করেছেন তানহা তাসনিয়া। প্রেম ও মানবতার কথা নিয়ে নির্মিত এ ছবিতে প্রথম বারের মতো জুটি বেঁধে আসছেন তারা। তাদের দুজনের একজনকে দেখা যাবে আর্কিটেক্টরূপে, আরেকজন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী।

এদিকে আরিফিন শুভ এই ছবির শুটিংয়ের কিছু ছবি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে শেয়ার করে মুক্তির আগেই ভক্তদের কৌতূহল আরো বাড়িয়ে দেন। একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে কাজী হায়াৎ শুভকে কী যেন বলছেন। শুভ’র পাশে দাড়িয়ে আছেন তানহা। বোঝা যাচ্ছে সিনেমাতে রয়েছে বিরহের প্রেম কাহিনী।

২০১৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছিল ‘ভালো থেকো’ ছবিটির শুটিং। অনেক আগে সুষ্ঠুভাবে ছবির শুটিং শেষ হলেও  এতদিন সেন্সরে আটকা পড়েছিল। অবশেষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে মুক্তি পাবে ‘ভালো থেকে’।

ছবিটি নিয়ে বেশ আশাবাদী শুভ নিজেও। এছাড়া সিনেমা টিম আশা প্রকাশ করছেন ছবিটি মনের খোরাক যোগাবে দর্শকদের। আরিফিন শুভ আর তানহা তাসনিয়া ছাড়াও ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন কাজী হায়াৎ, আমজাদ হোসেন, অরুণা বিশ্বাস, রেবেকা, এম এ শহীদ, আসিফ ইমরোজ ও তানিন সুবহা।

 

শিশুদের প্রতি শাকিব খানের ভালোবাসা

বিনোদন রিপোর্টার: শাকিব খান এবং তার ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে মিডিয়ায় কম লেখা হয়নি। অনেকেই লিখেছেন এই জনপ্রিয় নায়ক শিশুদের ভালোবাসে না বলে তার নিজ সন্তানকে পর্যন্ত মেনে নিতে কষ্ট হয়েছে। কিন্তু তাদের ধারণা ভুল। শাকিব তার সন্তানকে ঠিকই ভালোবাসেন। শিশুদের প্রতি তার ভালোবাসা সবসময়ই ছিল। যেমনটি এই আনকাট ছবিতে দেখা যাচ্ছে…

চলচ্চিত্র নির্মাতা সায়মন তারিকের মেয়ে তাই্যয়েবা তাসমীন ইলমার সাথে নায়ক শাকিব খান

 

অকৃত্রিম যে ছবিগুলোর দিকে দ্বিতীয়বার না তাকিয়ে পারবেন না!

সিব্বীর ওসমানীঃ  অনেক সময় ছবিই কথা বলে। সে ছবির পরিচিতি বা বর্ণনা দেয়ার দরকার হয় না। অসাধারণ দক্ষ কিছু ফটোগ্রাফারের হাতে প্রকৃতির দৃশ্য কোনো কোনো সময় এমন ভাবে বন্দী হয়, যা দেখে মনে হয় অপার্থিব কিছু। আর সেসব দৃশ্যের বর্ণনায় কবিও যেন নির্বাক হয়ে রয়। অসাধারণ সেই দৃশ্যের নান্দনিতা আর রহস্যবোধের টানে আমরা বার বার ফিরে তাকাতে বাধ্য হই সেসব ছবির দিকে। আর যতবার তাকাই ততবারই অদ্ভুত রোমান্সে শরীরে শিহরণ জাগে। আজ জুমবাংলার দৃশ্য অবলোকন পাতায় আপনার জন্য থাকছে তেমনি ১০ টি ছবি ঃ

১০

সূত্রঃ ব্রাইটসাইড.কম

একই অঙ্গে নারী কি দ্যাখে, আর পুরুষ কি দ্যাখে -জেনে নিন!

সিব্বীর ওসমানীঃ কিছু মানুষ মনে করে যে, নারীর সৌন্দর্য শুধু পুরুষদেরই আকৃষ্ট করে থাকে। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। জানা দরকার যে, নারী শরীরের সৌন্দর্য উপভোগ করার ক্ষেত্রে পুরুষেরাই একমাত্র নন্দন বিশেষজ্ঞ নন। নারীর নিখাদ সৌন্দর্য দর্শনে পুরুষেরা তেমন একটা নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিও বজায় রাখতে পারেন। এক্ষেত্রে নারীরাই বরং অনেক দক্ষ।

নারী শরীরের সৌন্দর্য উপভোগের ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীর ‍দৃষ্টিভঙ্গির বিশেষ এই পার্থক্য অনুধাবন করার জন্য জুমবাংলার ‘দৃশ্য অবলোকন’ পাতার আজকের বিশেষ আয়োজনঃ

১) নারীর পোশাক

পুরুষের চোখঃ আহ্ কি স্লিম, সে কি আমার থেকেও লম্বা হবে নাকি!

নারীর চোখঃ ওয়াও, খেলার পোশাক আর ফ্যাশনেবল পোশাকের কি সুন্দর সমম্বয়!

নারীর পোশাকের ক্ষেত্রে পুরুষেরা সাধারণত শরীরের পুরো অংশের চিত্র একসাথে দ্যাখে। আর মহিলারা পোশাকের ব্রান্ড, কোয়ালিটি এমনকি কোটিং লাইনসহ সবকিছু খুটিয়ে খটিয়ে দেখে। মহিরালা এক্ষেত্রে অনেক বেশী দক্ষ ও সুচারু।

২) নারীর অবয়ব

পুরুষের চোখঃ আহ্ কি কিউট আর হাস্যজ্জল। আর কি সুঢৌল নিতম্ব আর বক্ষদেশ!

নারীর চোখঃ চুলটা আরও সিল্কী করা যেত নাকি। থাইয়ে বেশ মাংস জমেছে।

চুলকে অত্যন্ত মশৃন ও আলোঝলমল করতে আর কপালের বলিরেখার চিহ্ন মুছে ফেলতে কতটা কাটখর পোড়াতে হয় তা কেবল মহিলারাই বোঝে। আর পুরুষেরা অবশ্যই তা দ্যাখে আর সুন্দরের প্রশংসাও করে। কিন্তু তারা জানেনা এই সৌন্দর্যের পেছনে কতটা কশরত লুকিয়ে আছে।

৩) মেকআপ

পুরুষের চোখঃ আহ্ কি অসাধারণ ঠোট, দারুন সেক্সি!

নারীর চোখঃ আইলাইনারের রেখাটি কি সুচারু। আর লাল লিপিস্টিকটাও মানিয়েছে দারুন!

হ্যাঁ, পুরুষেরা নারীর মেকআপের সৌন্দর্যটুকু আস্বাদন করে বটে। কিন্তু সেটা কেবল মেকআপ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর। আর মহিলারা সুচারুভাবে খেয়াল  করে আরেকজন তার আই লাইনার কতখানি নিপুনতার সাথে দিয়েছে আর আইলাইনের ভীতটিই বা ত্বকের রংএর সাথে কতখানি ম্যাচ করাতে পেরেছে।

৪) নারীর আচার-ব্যবহার

পুরুষের চোখঃ কি ভীষণ কামনাময়!

নারীর চোখঃ ইস, আমি যদি এতটা আত্মবিশ্বাসী হতে পারতাম!

পুরুষেরা সাধারণত নারীর পুরো শরীর একত্রে সামগ্রিকভাবে দ্যাখে। তারা হয়ত উপভোগ করে নারীর আনন্দময় আর মোহনীয় হাসী আর তার সুন্দর চোখ। মহিলারা খেয়াল করে অন্য মহিলাদের হাটা চলার ভঙ্গি আর কথোপোকথনের সময় তাদের শরীরের বিশেষ ভঙ্গিগুলোর দিকে। এছাড়া তারা অন্য নারীদের এমন কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল করে, কেবল যেগুলোর কারণেই কোনো  মহিলাকে মনে হয় রানী মত, কাউকেবা মনে হয় পুরুষ শিকারী আর কাউকেবা মনে হয় সহায় সম্বলহীনা।

৫) নারীর শরীর

পুরুষেরা কেবল নারী শরীরের আকার বা শেপ কিংবা স্ফীতির দিকেই মনোযোগী হয়। তাদের দৃষ্টি নারী শরীরের আকর্ষণীয় অঙ্গসমূহের দিকেই কেবল ধাবিত হয়। কিন্তু মহিলারা খেয়াল করে নারী শরীরের কোমল ও কান্তিময় বিষয়গুলোর দিকে। কোথায় একটু মেদ বেশী হলো, কোথায় স্কীনের টোন আরও আকর্ষণীয় করা যেত এসবের দিকেই তাদের নজর চলে যায়।

সূত্র :পিক্সাভিউ, ব্রাইট সাইড

নারী-পুরুষ টয়লেট চেনার যে প্রতীকগুলো সত্যিই অসাধারণ!

সিব্বীর ওসামানীঃ  নারী-পুরুষের টয়লেটকে আলাদাভাবে চেনাতে কিছু সৃজনশীল মানুষের নকশা করা বিভিন্ন প্রতীক সত্যিই অসাধারণ। প্রতীকের মাধ্যমে মানুষকে এটা যদি সহজে চেনানো না যেত, তাহলে কতো বিভ্রাট আর গোলযোগই না হত। একবার ভাবুনতো কেউ যদি কোনো পার্টি সেন্টারে বা কনফারেন্স হলে গিয়ে ভুল করে মেয়েদের টয়লেট বা ওয়াসরুমে ঢুকে পড়ে তবে কি কান্ডটাই না ঘটে। আর এই আসন্ন গোলযোগ নিরসনে কিছু অতি সৃজনশীল মানুষের তৈরি করা অসাধারণ সাইন বা প্রতীকগুলো সত্যিই খুব কাজে দেয়।

‘জুমবাংলা’র দৃশ্য অবলোকন পাতায় আজ থাকছে এরকম অসাধারণ কিছু চাতুর্যপূর্ণ টয়লেট প্রতীক, যেগুলো দেখে আপনি সত্যিই অবাক হবেন-

 

ছবিটি দেখেই জেনে নিন, কোন্ বাসনা লুকিয়ে আছে মনের গহীনে!

সিব্বীর ওসামানীঃ  দৃষ্টিগত বিভ্রন্তির এই খেলাটিতে অংশগ্রহণ করলে আপনি নিজেকে জানতে পারবেন। ছবিটি সম্পর্কে আপনার উপলব্ধি বলে দেবে, আপনার মনের ভেতরে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত বাসনাটির কথা। ছবিটির দিকে কেবল একবার তাকান। প্রথম দর্শনে আপনার দৃশ্য পটে যা উদ্ভাসিত হবে তাতেই আপনার মনের চাওয়ার হদিস জেনে যাবেন।

যদি আপনি প্রথম দেখতে পান: –

ক. একটি গুহা

আপনার সুপ্ত আকাঙ্খা হলো গভীর ভালোবাসা পাওয়াঃ

আপনি এমন কারও সান্নিধ্যের স্বপ্ন দেখছেন, যে ভালোবাসা দিয়ে আপনার জীবন ভরিয়ে তুলবে আর দৈনন্দিন জীবনের যাবতীয় ক্লান্তি আর শ্রান্তি মুছে দেবে। যদি সেরকম কারও সান্নিধ্যে যাওয়ার সুযোগ আসে, তাহলে দ্বিধা করবেন না। এগিয়ে চলুন নির্দ্বিধায়।

খ. সাগর

আপনি ভালোবাসেন অন্তহীন স্বাধীনতাঃ

আপনি স্বাধীনতার আকাঙ্খী। আপনি এমন একটি স্বচ্ছন্দ জীবন চান, যেখানে কেউ আপনার একান্ত জীবনে হস্তক্ষেপ করবে না। নিজ স্বাধীন যা কিছু করো, এটাই আপনার চাওয়া। পরিপ্রেক্ষিত কি এটা ভাবার অবকাশ আপনার নেই। আপনার দর্শন হলো, প্রত্যেকেই যে যার যায়গা করে নেবে। তাতে কার কি যায় আসে?

গ. একটি মুখশ্রী

আপনি ভারসাম্যপূর্ণ সুখী জীবন কামনা করেনঃ

আপনি খুব সুন্দর মনের মানুষ, যে কেবল একটুখানি সুখে জীবন কাটাতে চায়। একটু ভালো খাবার, কয়েকজন ভালো বন্ধু আর কিছু ভক্তকূল, এতেই যেন আপনার জীবনের সুখের ষোলকলা পূর্ণ হয়ে যায়। আহ্ সুখে থাকার কি চমৎকার আয়োজন আপনার।

সূত্র : wisdomscience.com