কণ্ঠনীড়ের ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’ পরিবেশনায় মুগ্ধ চট্টগ্রামের দর্শক

নিজস্ব প্রতিবেদক:  ফাগুন মানেই নতুন প্রাণের কলরব। কচি পাতায় নতুন আলোর নাচন। ফেব্রুয়ারির ফাগুন শুধু প্রাণ জাগাবার মাস নয়, এ মাস স্পর্ধিত সাহস ও অবিনাশী চেতনায় জেগে উঠবার মাস। এ চেতনাকেই ধারণ করে বাচিক শিল্পচর্চাকেন্দ্র কন্ঠনীড়।

ফাগুনের এই উদ্বোধনী আলোতেই শুক্রবার এই সংগঠনের আয়োজনে নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’। একক আবৃত্তি, বৃন্দ পরিবেশনা, কাব্য নাটক এবং সঙ্গীতায়োজনের মধ্য দিয়ে মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাহমান নাসির উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, সঙ্গীত ভবনের অধ্যক্ষ কাবেরী সেন গুপ্তা, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ হাসান, বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাচিক শিল্প চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সেলিম রেজা সাগর।

তাজুল ইসলাম ও পূর্ণিমা দেবনাথের সঞ্চালনায় কথামালার আয়োজন শেষে প্রাণবন্ত এক বৃন্দ পরিবেশনা উপভোগ করেন শ্রোতারা। ‘মাতৃভূমির পঙ্কতিমালা’। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সেলিম রেজা সাগর।

বৃন্দ পরিবেশনা শেষে বাচিকশিল্পী তাজুল ইসলামের বলিষ্ঠ দীপ্ত কন্ঠে কবি মহাদেব সাহার কবিতা ‘একুশের গান’ দিয়ে শুরু হয় একক আবৃত্তি পরিবেশনা। একে একে শিল্পীদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় শামসুর রাহমানের ‘বর্ণমালা আমার বর্ণমালা’, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পাহাড় চূড়ায়’, হুমায়ুন আজাদের ‘আমাদের মা’। মনীষা মীরার কন্ঠে এই আবৃত্তি শুনতে শুনতে দর্শকদের চোখ যেন ভেসে আসে প্রিয় মায়ের ছবি। ভেতরে ভেতরে এক বোবা কান্নায় স্তব্ধ করে দেয় সময়। এমন নীরবতায় হঠাৎ প্রেমের স্পন্দন। বিবি মরিয়মের কন্ঠে পূর্ণেন্দু পত্রীর ‘সেই গল্পটা’যেন খানিকটুকুই ছন্দ ফিরিয়ে আনে মিলনায়তনে। এরপই প্রান্তিক পাল পরিবেশন করেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’, সুকুমার রায়ের ‘ভয় পেয়োনা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন জেসমিন আক্তার, আরিকা মাইশার কন্ঠে কাজী নজরুলের ‘কান্ডারী হুঁশিয়ার’, কাজী ফাতেমা হীরার কন্ঠে ময়ূখ চৌধুরী ‘পুনরাবৃত্তি’ আবৃত্তি পরিবেশনা উপভোগ করেন দর্শকরা।

শুধু কণ্ঠনীড় নয়, এ আয়োজনে আমন্ত্রিত হয়ে আসেন কবি, বিভিন্ন সংগঠনের বাচিক শিল্পী, আবৃত্তি সংগঠন। একক পরিবেশনার মাঝেই নির্মাণ আবৃত্তি অঙ্গনের কাব্যনাটক ‘কর্ণফুলীর সাম্পান’ এক ভিন্ন আবহের সঞ্চার করে মিলনায়তনে। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সমুদ্র টিটো।

আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, কাব্য নাটকের মধ্যে ভিন্ন আমেজ নিয়ে আসে প্রান্তিক পাল ও শুভ্রজিৎ এর গান। এছাড়া আমন্ত্রিত কবি হাফিজ রশিদ খান, কবি খালিদ আহসান, কবি মনিরুলমনিরের কবিতা পাঠও ছিল উপভোগের মতো। নগরীর বিভিন্ন সংগঠনের আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীরাও আবৃত্তি পরিবেশন করেন এ আয়োজনে।

বসন্ত বরণে কণ্ঠনীড়ের ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’

ফাগুন মানেই নতুন প্রাণের কলরব। কচি পাতায় নতুন আলোর নাচন। ফেব্রুয়ারির ফাগুন শুধু প্রাণ জাগাবার মাসনয়, এ মাস স্পর্ধিত সাহস ও অবিনাশী চেতনায় জেগে উঠবার মাস। এ চেতনাকেই ধারণ করে বাচিক শিল্পচর্চাকেন্দ্র কন্ঠনীড়।

ফাগুনের এই উদ্বোধনী আলোতেই গতকাল শুক্রবার এই সংগঠনের আয়োজনে নগরীর জেলাশিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’। একক আবৃত্তি, বৃন্দ পরিবেশনা, কাব্য নাটক, সঙ্গীতায়োজন মধ্য দিয়ে মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাহমান নাসির উদ্দিন।আরো উপস্থিত ছিলেন এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, সঙ্গীত ভবনেরঅধ্যক্ষ কাবেরী সেন গুপ্তা, বাংলাদেশ আবৃত্তি

সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ হাসান, বাংলাদেশআবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাচিক শিল্পচর্চাকেন্দ্রের সভাপতি সেলিম রেজা সাগর।

তাজুল ইসলাম ও পূর্ণিমা দেবনাথের সঞ্চালনায় কথামালার আয়োজন শেষে প্রাণবন্ত এক বৃন্দ পরিবেশনা উপভোগকরেন শ্রোতারা। ‘মাতৃভূমির পঙ্কতিমালা’। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সেলিম রেজা সাগর। বৃন্দ পরিবেশনা শেষে বাচিকশিল্পী তাজুল ইসলামের বলিষ্ঠ দীপ্ত কন্ঠে কবি মহাদেব সাহার কবিতা ‘একুশের গান’ দিয়ে শুরু হয় একক আবৃত্তিপরিবেশনা। একে একে শিল্পীদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় শামসুর রাহমানের ‘বর্ণমালা আমার বর্ণমালা’, সুনীলগঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পাহাড় চূড়ায়’, হুমায়ুন আজাদের ‘আমাদের মা’। মনীষা মীরার কন্ঠে এই আবৃত্তি শুনতে শুনতেদর্শকদের চোখ যেন ভেসে আসে প্রিয় মায়ের ছবি। ভেতরে ভেতরে এক বোবা কান্নায় স্তব্ধ করে দেয় সময়। এমননীরবতায় হঠাৎ প্রেমের স্পন্দন। বিবি মরিয়মের কন্ঠে পূর্ণেন্দু পত্রীর ‘সেই গল্পটা’ যেন খানিকটুকুই ছন্দ ফিরিয়েআনে মিলনায়তনে।

এরপই প্রান্তিক পাল পরিবেশন করেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’, সুকুমার রায়ের ‘ভয় পেয়োনা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন জেসমিন আক্তার, তবারিকা মাঈশার কন্ঠে কাজী নজরুলের ‘ কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’, কাজীফাতেমা হীরার কন্ঠে ময়ূখ চৌধুরী ‘পুনরাবৃত্তি’ আবৃত্তি পরিবেশনা উপভোগ করেন দর্শকরা।
শুধু কণ্ঠনীড় নয়, এ আয়োজনে আমন্ত্রিত হয়ে আসেন কবি, বিভিন্ন সংগঠনের বাচিক শিল্পী, আবৃত্তি সংগঠন।একক পরিবেশনার মাঝেই নির্মাণ আবৃত্তি অঙ্গনের কাব্যনাটক ‘কর্ণফুলীর সাম্পান’ এক ভিন্ন আবহের সঞ্চার করেমিলনায়তনে। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সমুদ্র টিটো। আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, কাব্য নাটকের মধ্যে ভিন্ন আমেজ নিয়ে আসেপ্রান্তিক পাল ও শুভ্রজিৎ এর গান। এছাড়া আমন্ত্রিত কবি হাফিজ রশিদ খান, কবি খালিদ আহসান, কবি মনিরুলমনিরের কবিতা পাঠও ছিল উপভোগের মতো।  নগরীর বিভিন্ন সংগঠনের আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীরাও আবৃত্তিপরিবেশন করেন এ আয়োজনে।

বেগম জিয়াকে নিয়ে এ কী বললেন মমতাজ!

মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম এমপি বলেছেন, এতিমদের টাকা সহজে হজম করা যায় না। খালেদা জিয়া পরিবার দেশের মানুষের অনেক টাকা লুট-পাট করে এখন লন্ডন গিয়ে বসে বসে খাচ্ছে। অথচ এতিমদের টাকা ১৭ জায়গায় হস্তাান্তর করেও পার পায়নি। আদালত খালেদা জিয়া, তার পুত্র তারেক রহমানসহ জড়িত সকলকেই সাজা দিয়েছেন।

শনিবার বিকেলে সিংগাইর উপজেলার ধল্লা প্রথম আলো আইডিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, কোরআন শরীফের সূরা নিসার ১০ নম্বর আয়াতে আছে-যে এতিমের টাকা আত্মসাৎ করবে, সে জ্বলে পুড়ে মরবে।

প্রথম আলো আইডিয়াল স্কুলের সভাপতি, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন খানের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মহিদুর রহমানের পরিচলনায় মমতাজ বেগম আরো বলেন, বর্তমান সরকার দেশে বিদ্যুৎ খ্যাতসহ বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। অথচ খালেদার সরকার তার আমলে থাম্বা বিক্রি করে সেই টাকা লুট-পাট করেছে। বর্তমান সরকার ব্যাপক বিদ্যুৎ উৎপাদন করে চাহিদা মত মিটার দেয়ায় এখন মানুষ বিদ্যুৎ নিতে তেমন আসে না। ইতোমধ্যে এ এলাকার ৯০ ভাগ বাড়িতে বিদ্যুৎতের আলো জ্বলছে।

মমতাজ বেগম আরো বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের দরবারে সৎ রাষ্ট্র নায়ক হিসেবে ৩ নম্বরে স্থান করে নিয়েছেন। নেত্রী ১৮ ঘন্টা মানুষের সেবা করেন, দেশের কাজ করেন। সব হারিয়েও তিনি যে তার মানব সেবায় থেমে নেই। তাই আসুন আমরা সবাই এক পতাকার নিচে ঠাই নেই। আগামীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দেই।

শিক্ষকদের মর্যাদার কথা তুলে ধরে মমতাজ বলেন, আমাদের নেত্রী লাল গালিচা ছেড়ে মাটি দিয়ে হেটে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তাই সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ভালো চিন্তা করে ভালো মানুষ হওয়ার আহবার জানাই। সেই সাথে বাল্য বিবাহ থেকে বিরত থাকতেও বলেন সংসদ সদস্য।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ারা খাতুন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুর রহমান শহিদ, ধল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুল ইসলাম ভুঁইয়া, জার্মিত্তা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম রাজু , জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট কোহিনূর ইসলাম সানি , ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সিরাজ খান ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল হাসান প্রমুখ। এ সময় আওয়ামীগ তার অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মমতাজ বেগম দক্ষিণ ধল্লা সামসুল হক ও জায়গীর গ্রামের সাবেক মেম্বার নূর মোহাম্মদ মোল্লাহ বাড়িতে উঠান বৈঠক করেন।

-বিডিপ্রতিদিন

বেগম জিয়া শাস্তি পেয়েছে খুশি হয়ে যা বললেন এই তারকারা

এতিমের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আর তারেক জিয়াসহ ৪ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। এর পরপরই বেগম জিয়াকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে। এই রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন কয়েকজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

ফারুক

প্রথমে বুঝতে হবে বিএনপির জন্ম কেন আর আওয়ামী লীগের জন্ম কেন? আওয়ামী লীগ দেশের প্রয়োজনে জন্ম হয়েছে। বিপরীতে বিএনপি স্বার্থের জন্য জন্ম হয়েছে। বিএনপিতে খোঁজ নিয়ে দেখলেই পাবে কতজন রাজনীতিবিদ আর কতজন ব্যবসায়ী। আর এই ব্যবসার মূল হচ্ছে তারেক ও তাঁর মা। শাস্তি তো তাদের পেতেই হবে। কতদিন জেল খাটলো এটা আমার কাছে বিষয় নয়। কিন্তু তারা যে শাস্তি পেয়েছে এর জন্য দেশবাসীর খুশি হওয়ার কথা। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে এ রায়ে খুশি। তবে সরকারের বড় দায়িত্ব হলো তারেককে দেশে এনে আইনের আওতায় আনা।

তারিন

অন্যায় করলে তার শাস্তি পেতেই হবে। সেটারই বহি:প্রকাশ এই রায়। এখানে আমি কোন দলের সাপোর্টার সেটা মুখ্য নয়। আদালত রায় দিয়েছে। সেখানে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারেননি তিনি। সেভাবেই জেল হেয়ে গেছে। আর প্রথম যেদিন আমি এ কেসের কথা শুনেছি। সেদিনই চেয়েছি যারা এতিমের টাকা আত্নসাৎ করে তাদের শাস্তি হওয়া উচিত।

সুইটি

প্রথমত এটা কোনো রাজনৈতিক পদক্ষেপ নয়। একজন অন্যায় করেছে, প্রমাণিত আদালতে। তার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এটা আমি সাধারণ ব্যাপার হিসেবেই দেখি। সেক্ষেত্রে যেহেতু তিনি বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান। সেহেতু এ নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। আমি সাধারণ মানুষ হিসেবে বলবো, সরকারের সজাগ দৃষ্টি দেয়া উচিত এ নিয়ে যেন তারা আবার জ্বালাও পোড়াও রাজনীতির পুনরাবৃত্তি করার সুযোগ না পায়। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেখানে শক্তহাতে এগুলো হ্যান্ডেল করা উচিত। আমি বিশ্বাস করি এই সরকারের এগুলো প্রতিহত করার ক্ষমতা আছে।

সোহেল রানা

আমি টিভি দেখতেছিলাম আর অমনি ফোন দিলে। অবাক হচ্ছি এ নিয়ে বিএনপির গলাবাজি দেখে। তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সতর্ক করা উচিত। এ রায় কতটা রাজনৈতিক সে প্রশ্নেও যদি যাই। শেখ হাসিনাও কিন্তু এমন মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তিনি লড়েছেন, জিতে খালাস হয়েছেন। আর এটা এমন মামলা যেখানে চাক্ষুস সব দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। আমি নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না একজন বিএনপির সিনিয়র নেতাই আমাকে বলেছে। মানে আমি তাকে কয়েকদিন আগে ফোন দিয়েছিলাম অবস্থা জানতে। তিনি বলেন, কি বলবো ভাই। ম্যাডাম আর তাঁর ছেলে যা ইচ্ছে করেছে। আমরা আগেও রাজনীতি করতাম এখনো করি। মামলা খাই। ভয়ে বাসায় থাকি না। কিন্তু ওই সময় তাদের সঙ্গে যারা ছিলেন। তারা কিন্তু কেউ আজ পাশে নেই। আমাদের আর কি করার। জেল হলে আমাদের মতো আন্দোলন করবো। এ কথাটা বলার কারণ, তাদের নিজেদের মধ্যেই ভক্তিশ্রদ্ধা উঠে গেছে। বাইরের মানুষ আমরা আর কী বলবো!

রায় নিয়ে এবার কথা বললেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক

জুমবাংলা ডেস্ক: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এ ছাড়া তারেক রহমানসহ অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ও দুই কোটি টাকা করে জরিমানা করেন ।

এদিকে রায়ের পর পর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে। তাকে নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ডে-কেয়ার সেন্টারে খালেদা জিয়াকে রাখতে পারে কারা অধিদফতর।

অন্যদিকে এ রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে  অনেকে অনেক কথা বলছেন। এবার এ নিয়ে  সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বললেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন।

তিনি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে লিখেছেন, ‘এ‌তিম‌দের অর্থ আত্মসা‌তের ফল। চো‌রের রাণী চো‌রের মা, এবার ত‌বে জে‌লে যা। তা‌রেক রহমানসহ বাকী দণ্ড প্রাপ্ত আসামীদের বিরু‌দ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা‌ নেওয়ার জোর দা‌বি জানাই।’

 

 

 

আনন্দ-উৎসবকে কেন্দ্র করে ডিজে পার্টির উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী

বিয়ে, গায়ে হলুদ কিংবা জন্মদিন। পারিবারিক এসব অনুষ্ঠান আনন্দ-উৎসবের গণ্ডি ছাড়িয়ে দিন দিন বিরক্তির কারণ হচ্ছে নগরবাসীর। সন্ধ্যা থেকে ভোররাত অবদি উচ্চ শব্দে গান বা ডিজে পার্টি প্রতিবেশীর ভয়াবহ সমস্যার সৃষ্টি করলেও ভ্রুক্ষেপ নেই আয়োজকদের।শহরকেন্দ্রিক এই শব্দ সন্ত্রাসের জন্য নাগরিক দায়িত্ববোধের অভাবকে দায়ী করে জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ সমাজবিজ্ঞানীদের। আর ‘নাইন নাইন নাইনে’ কল করলে তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অনুষ্ঠান পারিবারিক। আনন্দও সীমাবদ্ধ পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে। কিন্তু উৎসবকে কেন্দ্র করে আয়োজিত ডিজে পার্টি বা গানের শব্দ যেন সার্বজনীন। পুরো পাড়া বা মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ছে গগন বিদারী বিরক্তিকর শব্দ। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোতে চলছে এমনই শব্দ সন্ত্রাস। যা কখনো কখনো কারণ হচ্ছে সহিংসতার।

রাজধানীতে পারিবারিক এসব অনুষ্ঠান আনন্দ-উৎসবের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিরক্তির কারণ হচ্ছে পাড়া-প্রতিবেশীর। উচ্চ শব্দে গান বা ডিজে পার্টির এসব প্রোগ্রাম অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ছে দিনে দিনে। । গেল শুক্রবার রাজধানীর ওয়ারীতে বিয়ে বাড়ির উচ্চ শব্দের গান-বাজনা বন্ধের কথা বলায় খুন হন এক বৃদ্ধ। এদিকে অনুমতির প্রয়োজন হলেও আইন মানছে না কেউই। তবে পুলিশ বলছে বিরক্তিকর শব্দ নিয়ে অভিযোগ করলে সমাধানে নেয়া হবে ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের চাওয়া অনুষ্ঠান পারিবারিক, আনন্দও পারিবারের সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকুক কিন্তু বিরক্তি যেন পুরো পাড়া বা মহল্লার কারণ না হয়ে দাঁড়ায় ।

‘শাম্মু’র ভালোবাসাই ছিল ইরফান সাজ্জাদের ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি

জুবায়ের জুয়েল : বর্তমান সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদকে এক নামেই চেনেন এ প্রজন্মের তরুণরা। ফেসবুকে এ পর্যন্ত তার ফলোয়ার এক লাখ তিন হাজার সাতশ। হাজারো তরুণীর হৃদয় আকাশে উদ্ভাসিত ২০১২ সালের ইমামি ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম -চ্যানেল আইয়ের ‘হ্যান্ডসাম : দ্য আল্টিমেট ম্যান’ এর চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হওয়া এই তারকা।
কিন্তু তাতে কী! সেই কলেজ জীবনে নিজের হৃদয়ের সিংহাসনে রাণী হিসেবে বসিয়েছেন সহপাঠী শারমিন বিনতে হককে। তিনি আর কেউ নন। চ্যানেল আই’র জনপ্রিয় সংবাদ পাঠিকা, যাকে আমরা চিনি শারমিন সাজ্জাদ নামে। যৌথ প্রযোজনার জীবন শুরু করেন, যখন দুজনের বয়সই ২০ বছর। তারপর দেখতে দেখতে নয়টি বছর পার করেছেন এই যুগল। আর আজ ছিল তাদের বিয়ে বার্ষিকী। সে উপলক্ষে ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনে দুজনের যুগল ছবি পোস্ট করেছেন সাজ্জাদ। তাতে ক্যাপশন জুড়ে দিয়েছেন, “ইটস দ্য স্টার্ট অফ ডিকেইড!!! আ বিগ ‘থ্যাংকস’ ফর ইওর ননস্টপ সাপোর্ট!! হ্যাপি নাইনথ অ্যানিভার্সারি, শাম্মু!!”

মেহজাবিন চৌধুরী, সালহা খানম নাদিয়া, বিদ্যা সিনহা মিম-সহ জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেলদের পাশাপাশি অসংখ্য ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভ কামনায় ভেসে গেছে টাইমলাইনের পোস্ট। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ভালোবাসার শাম্মুকে বিয়ে বার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানানোর মধ্যে কৃতজ্ঞতার রেশ কেন। ভাবছেন স্বামী-স্ত্রী দুজনেই তো টিভি তারকা। নিশ্চয়ই বেশ জমকালো বিয়ের মাধ্যমে প্রণয়ে পরিণতি ঘটেছিল তাদের। কিন্তু জুমবাংলার সঙ্গে আলাপচারিতায় উঠে এলো দুজনের সংগ্রামমুখর প্রেমের অজানা কাহিনী।


ইরফান সাজ্জাদ বলেন, ‘২০০৬ সালে যখন চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে অনার্সে পড়ি, তখন শারমিনের সঙ্গে পরিচয় হয়। জীবনে ওই প্রথমবারই কোনও মেয়ের সাথে যেচে-পড়ে কথা বলতে গিয়েছিলাম। ভালো লাগা থেকে বন্ধুত্ব, বন্ধুত্ব থেকে প্রেম। আমি রিজোয়ান রাজন পরিচালিত প্যান্টোমাইম মুভমেন্টের একজন মূকাভিনয় শিল্পী ছিলাম। বেছে বেছে মডেলিংয়ের কাজ করতাম খালিদ ভাই, বিপুল ভাইদের সাথে। ওদিকে শারমিন ছিল চট্টগ্রামের প্রাপন একাডেমির একজন নৃত্যশিল্পী। দুজনের সম্পর্কটা এগুতে থাকে, চলতে থাকে অবুঝ মনে সবুজ স্বপ্ন বোনা। কিন্তু কথায় আছে, ‘মানুষ ভাবে এক, হয় আরেক’। সিনেমার মতোই দুই পরিবারে শুরু হয় ঝামেলা। প্রেমের শত্রু হয়ে যান আপন মানুষগুলোই।’

কিন্তু প্রেমের মরা কি জলে ডোবে? ভাসতে ভাসতে ঠিকই পৌঁছে যায় ভালোবাসার মানুষটির কাছে। সাজ্জাদ আর শারমিনের দৃঢ়তাও ছিল ঠিক তেমনি। সাজ্জাদ বলেন, ‘পরিবারের হাজারো বারণ থাকলেও আমরা ছিলাম অটল। ২০০৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর ছোট্ট পরিসরে বিয়েটা সেরে ফেলি। কিন্তু অল্প কিছু বন্ধু-শুভানুধ্যায়ী থাকলেও পরিবারের তেমন কেউ উপস্থিত ছিলো না। পরিবারের অসহযোগে বাস্তবতা মোকাবেলা করাটা একটু কঠিনই হয়ে দাঁড়ালো। পরিবারের সব কথা তো আর বলা যায় না! কিন্তু হতাশায় ভেঙে পড়িনি। কারণ শারমিন পাশে ছিল সাহস যোগানোর জন্য। প্রেমের যে একটা শক্তি আছে, তা তখন অনুভব করছিলাম।’

আজকে টিভি পর্দায় যে অভিনেতা সাজ্জাদ ও সংবাদপাঠিকা শারমিনের হাসিমুখ দেখতে পাই, তাদের হাসির পেছনে রয়েছে ভালোবাসার সুখানুভূতি। আর সেই সুখের পেছনে কোনও প্রভাব-প্রতিপত্তি নয়, রয়েছে ত্যাগ আর সংগ্রামের গল্প।

সাজ্জাদ বলেন, “অনেক স্বপ্ন ছিল অভিনয় করবো। সংসার ও লেখাপড়া চালাবার প্রয়োজনে সবকিছু ছেড়ে দিতে হলো। একটা চাকরি জুটলো এক্সিকিউটিভ কেয়ারে। ২০১০ এর দিকে, যখন আমরা তৃতীয় বর্ষে পড়ি, ঢাকায় একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি হয় আমার। শারমিনের চাকরি হয় গ্রামীণ ফোনে। একদিন ঘুরে দাঁড়াবো বিশ্বাস ছিল। কিন্তু অভিনয়ে ফিরবো, তাও আবার টিভিতে -এমনটা কল্পনায় ছিল না। ২০১২ সালে ইমামি ফেয়ার অ্যান্ড হ্যান্ডসাম-চ্যানেল আইয়ের ‘হ্যান্ডসাম : দ্য আল্টিমেট ম্যান’ এ প্রতিযোগী হবার জন্য পীড়াপীড়ি করতে থাকে শারমিন। আমি বলি, পাঁচ বছর অভিনয় থেকে দূরে আছি। আমি কি পারবো?’ শারমিন আবারো সাহস যোগায় ভালোবাসার শক্তিতে লড়াই করার জন্য। এক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় বারবার অংশ নেয়ার প্রয়োজনে মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির চাকরিটাও ছেড়ে দিতে হয়। আবারো পড়তে হয় আর্থিক সংকটে। অবস্থাটা এমন ছিল যে, ব্যর্থ হলে ‘আমও যাবে, ছালাও যাবে’।”

“কিন্তু সেই পরিণতি আর বরণ করতে হয়নি সাজ্জাদ দম্পতিকে। জীবনযুদ্ধের দামামা শুনে দয়াময় আল্লাহ মুখ তুলে চাইলেন বলে। চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হয়ে সাজ্জাদ সবাইকে দেখিয়ে দিলেন এভাবেই ঘুরে দাঁড়ানো যায়, এভাবেও ফেরা যায়। নাট্যজগতে একের পর এক ভালো অভিনয় দিয়ে তিনি স্থান করে নিয়েছেন দর্শকদের হৃদয়ে। তার অভিনীত ‘এলার্মিং গ্লাস’, ‘হাত বাড়িয়ে দাও’, ‘কথা দাও তুমি’, ‘প্রহর শেষে’, ‘আনম্যারেড’ ‘মুক্তির টানে’, ‘হেমন্তের অরণ্যে’, ‘নাটকীয় বাস্তব’, ‘তুমি এলে তাই’, ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’, ‘ভুল লিখতে ভুল করিও না’, ‘বন্ধুর জন্য’, ‘অন্য বসন্ত’-সহ বহু নাটকই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ‘আমাদের গল্পটা এমনও হতে পারতো’ নাটকটি ইউটিউবে এক মিলিয়ন ভিউ পার করেছে।

যে প্রিয়তমা স্ত্রী তার বুকে ভালোবাসার শক্তি সঞ্চার করেছেন, তার প্রতি কৃতজ্ঞতার কি শেষ আছে! এরই মধ্যে চ্যানেল আইয়ে সংবাদপাঠিকা হিসেবে প্রশংসা কুড়ানো শারমিন সাজ্জাদ তার স্বামীর কাছ থেকে ‘বিগ থ্যাংকস’ তো পাওয়ারই কথা।