‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’ রাখলেন শিপন-হিমি

বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীন বাংলাদেশ— দুটোই আমাদের গর্বিত করে। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়ে আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছি। তিলে তিলে রক্ত-ঘামে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের অর্জন কম নয়। কিন্তু সঙ্কটও পিছু ছাড়ছে না। এমনই এক সঙ্কটের নাম সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। এরই প্রতিবাদে তৈরি হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’।


চিত্রনায়ক শিপন মিত্র ও ‘মিস বাংলাদেশ’-এর আলোচিত প্রতিযোগী ও মডেল হিমি প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অভিনয় করেছেন সিনেমাটিতে। তাদের সঙ্গে আরো আছেন পাভেল জামান, সোহান ফেরদৌস প্রমুখ। সোমেশ্বর অলির কনসেপ্ট ও চিত্রনাট্যে আল-আমিন ও রাসেল আজমের পরিচালনায় ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’ প্রযোজনা করেছে বাংলাঢোল। এরই মধ্যে দর্শকের নজর কেড়েছে ট্রেইলারটি।

শিপন বলেন, ‘দেশের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে কাজটি করেছি। আমার বিশ্বাস সিনেমাটির কনসেপ্ট ও নির্মাণশৈলী সবার পছন্দ হবে। এ সময়ের রূঢ় বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে শুটিংয়ের সময় বারবার শিওরে ওঠেছি, প্রশ্ন জেগেছে এই কী আমার বাংলা? এই কী আমার তারুণ্য?’

হিমি বলেন, ‘নিয়মিতই কাজ করছি। এ ধরণের কাজ খুব একটা পাওয়া যায় না। কয়েক মিনিটের একটা সিনেমার জন্য আমরা কয়েকদিন খেটেছি। এটা একটা দারুণ টিমওয়ার্ক। সিনেমাটি দর্শকের চিন্তার রাজ্যে একটু হলেও নাড়া দেবে।’

খুব শিগগির ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সিনেমাটি উন্মুক্ত করা হবে। এই তালিকায় আছে বাংলাফ্লিক্স, রবিস্ক্রিন, এয়ারটেল স্ক্রিন ও টেলিস্ক্রিন। পাশাপাশি এটি উপভোগ করা যাবে বাংলাঢোলের ইউটিউব চ্যানেলে।

দেখুন : ‘বিবেকের কাছে প্রশ্ন’-এর ট্রেইলার।

শাকিবের সম্পর্কে যা বলছেন ইমন, নিরব

জুমবাংলা বিনোদন ডেস্ক:  বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাব লিমিটেডের বার্ষিক বনভোজনে আয়োজিত ফুটবল ম্যাচে পরিচালকদের দলকে গোলে পরাজিত করে বিজয়ী হয় শাকিব দল। গতকাল শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার অদূরে আশুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয় এ প্রীতি ম্যাচ। লাল ও হলুদ জার্সি পরে বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সদস্যরা ফুটবল খেলার জন্য মাঠে নেমেছিলেন। রেফারি মাঠে নামার সাথে সাথেই নির্ধারিত সময়েই ১০ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামেন  শাকিব খান।

উত্তেজনা পূর্ন নির্ধারিত ৩০ মিনিট খেলায় ১-১ গোলে ড্র হয়। এরপর দুদলের সম্মতিতে ম্যাচের জয় পরাজয়ের ভাগ্য নির্ধারণ চলে যায় টাইব্রেকারে। শাকিবের দলের গোলরক্ষক নায়ক আলেকজান্ডারের নৈপূণ্যে পরিচালকদের দলকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে শাকিব দল।

ইমনসকাল নাগাদ শাকিব, শাবনূর, রুবেল ছাড়াও তেমন কাউকে দেখা না গেলেও বিকেলে বসে রীতিমত তারার হাট! একে একে এসে উপস্থিত হন চিত্রনায়ক নিরব, ইমন, ওমর সানি, মৌসুমী, বুবলী, নূতন, মিশা সওদাগর, কণ্ঠশিল্পী আসিফ, শিরিন শিলা, অমিত হাসান, আলেক জান্ডার বো, শিরিন শিলা, তানহা মৌমাছি ছাড়াও নবীন, প্রবীণ চিত্রশিল্পী।

এছাড়া সেখানে ফিল্ম ক্লাবের সদস্যা এবং প্রযোজক ও প্রযোজকরাও উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু তাদের মধ্যে নীরব আর ইমন এ খেলার সম্পর্কে বলতে গিয়ে শাকিবের প্রশংসা করতে দেখা গেলো। নীরব বলেন ‘ আমি দুপুরের পর ফিল্ম ক্লাবের বনভোজনে আসি। শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে দেখা হয়।’

‘ওনার সঙ্গে ৩০ মিনিটের মতো আলাপ হয়।  আমার প্রথম ৩ টি ছবিতে শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করি। সেখান থেকে তিনি আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন। আজ অনেকদিন পর দেখা হলো। পাশে গেলে শাকিব ভাই বুকে টেনে নিলেন।’

অন্যদিকে ইমন বলেন, ‘শাকিব ভাই আমার শ্রদ্ধার একজন মানুষ। তিনি আমাদের চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক। শুটিং ব্যস্ততার কারণে আমাদের উভয়ের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ কম হয়। আজ ওনার দেখা পেয়ে অনেক কথা হলো। আমার কাজের খোঁজ খবর নিলেন। খুব ভালো লেগেছে।’

অবশেষে ভেঙেই গেলো বাপ্পা-চাঁদনীর সংসার

তারকা ও অন্যান্য সাধারণের মতই প্রেম-ভালোবাসায় বুঁদ হয়েই এক ছাদের নিচে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাপ্পা মজুমদার ও মেহবুবা মাহনুর চাঁদনী। একজন খ্যাতিমান সঙ্গীত শিল্পী আর একজন জনপ্রিয় নৃত্য শিল্পী ও অভিনেত্রী।

কিন্তু দুই তারকার সংসারটা সুখের শেষ হয়নি। বিচ্ছেদের ঘুণপোকা চূড়ান্ত ভাবে খেয়ে দিয়েছে ভালোবাসার স্তম্ভ।

তাই অবশেষে ভেঙেই গেল বাপ্পা মজুমদার ও মেহবুবা মাহনুর চাঁদনীর সাজানো সংসার। অবশ্য এমন একটা খবর বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই।

এবার বাপ্পা নিজেই জানিয়ে দিলেন, ‘ আমরা এখন আলাদা থাকছি।’ এমনকি ফেসবুকে রিলেশন স্ট্যাটাসটাও পাল্টে নিয়েছেন দুজন। সরিয়ে ফেলছেন একে অন্যের ছবি।

তবে ডিভোর্স প্রসঙ্গে সরাসরি কিছু বলতে নারাজ দুজনই। বাপ্পা সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেখুন, এই নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না।’ একই কথা চাঁদনীর মুখেও।

২০০৮ সালের ২১ মার্চ ধানমন্ডির ২৭ সিয়ার্স রেস্টুরেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে বাপ্পা মজুমদার ও চাঁদনীর বাগদান হয়। বাপ্পা ও চাঁদনী ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের হলেও বাগদানের আগেই বাপ্পা ধর্মান্তরিত হয়ে আহমেদ বাপ্পা মজুমদার হন। দুই পরিবারের সম্মতিতেই এই বাগদান সম্পন্ন হয়। পরে তাদের দুই পরিবার একসাথ হয়ে ঘরোয়াভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন।

হৃতিকের জন্য মুম্বাইয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে বিহারের রাজধানী পাটনা!

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুদিন আগেই হৃতিকের নতুন ছবির লুক ফাঁস হয়। ছবির নাম ‘সুপার থার্টি’। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বলিউডের এই সুপারস্টার সাইকেলে করে পাঁপড় বিক্রি করছেন। শোনা গেছে, এই ছবির জন্য হৃতিক দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

এর চেয়ে বড় খবর হচ্ছে হৃতিকের জন্য মুম্বাইয়ে গড়ে তোলা হচ্ছে বিহারের রাজধানী পাটনা! ভারতের বাণিজ্যিক রাজ্যে আরেকটি অঞ্চলের রাজধানী। এটি ভেবেই নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। না বিচলিত হওয়ার কিছু নেই হৃতিকের জন্যই এ অবাস্তবকেও বাস্তব করতে হচ্ছে।

এ ছবিটি নির্মিত হচ্ছে সমাজসেবক, অঙ্কবিদ ও শিক্ষাবিদ আনন্দ কুমারের জীবনী নিয়ে। ছবিতে বিহারের আনন্দ কুমারের চরিত্রে অভিনয় করছেন হৃতিক রোশন। ছবির প্রথম ধাপের শুটিং শেষের পর্যায়ে।

এর আগে ‘সুপার থার্টি’ ছবির শুটিং হওয়ার কথা ছিল বিহারে। কিন্তু বিহারে গিয়ে শুটিং করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন হৃতিক। কারণ যখন শুটিং হবে, তখন বিহারে প্রচুর গরম পড়বে। আর বিহারের এ ভয়ংকর গরমে শুটিং করতে রাজি নন হৃতিক। তার দাবি, বিহারের রাজধানী পাটনা মুম্বাইয়ে গোড়ে তোলা হোক।

ছবির নির্মাতারাও তাই হৃতিকের কথা ফেলতে পারেননি। এখন এইনগরীর বুকে ‘বিহার’ গড়ে তুলতে ব্যস্ত তারা। এখন পর্যন্ত যে বাজেট হয়েছে, তাতে ‘বিহার’ তৈরিতে প্রায় ১০ কোটি রুপি খরচ হবে।

হৃতিক

উল্লেখ্য, এমন ঘটনা বলিউডে নতুন কিছু নয়। এর আগে আলিয়া ভাটের ছবি ‘রাজি’র জন্যও মুম্বাইয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল কাশ্মীর। কাশ্মীরকে মুম্বাইয়ে উড়িয়ে আনার প্রধান কারণ ছিল সেখানকার রাজনৈতিক অস্থিরতা।

খাবার খাওয়া প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে, কত দিন যে..

সিয়াম আহমেদ। ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা। না এখন আর ছোট পর্দার নয় বড় পর্দায়ও জনপ্রিয়দের একজন হতে যাচ্ছেন তিনি। বচনভঙ্গি আর অভিনয় গুনে স্থান করে নিয়েছেন বড় পর্দায়। ‘পোড়ামন ২’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে তার। এ ছবিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন নবাগত পূজা চেরি। শুধু তাই নয় এ ছবি মুক্তির আগেই সিয়াম আরো কয়েকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে ‘দহন’।

ছবিটির জন্য নিজেকে ভালোভাবেই প্রস্তুত করছেন এ অভিনেতা। এক্ষেত্রে ফিটনেস নিয়েই করছেন কসরত। এ ছবিতে ভিন্নরুপে উপস্থিত হওয়ার পাশপাশি দর্শকদের পছন্দের দিকেই নজর দিচ্ছেন সিয়াম।

তাইতো গত কয়েকদিনের মধ্যেই ৮ কেজি ওজন কমিয়েছেন, আরও ১২ কেজি কমাতে হবে। নিজের ওজন ৬৫ কেজি করার জন্য এখন কসরত করে যাচ্ছেন ক্রমাগত।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে সিয়াম বললেন, ‘খাবার খাওয়া প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। কত দিন যে পছন্দের সব খাবার খাওয়া হয় না। মনে হয় আর খেতেও পারব না।’

সিয়াম আহমেদ

তাহলে খাবারের তালিকায় কী কী আছে এমন প্রশ্নে এ নায়ক বলেন, ‘পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়েছি। তিনি যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা মেনে চলছি। প্রতিদিন একবেলা গ্রিলড চিকেন খাচ্ছি। বাকি সময় ফল আর সালাদ।’

‘দহন’ ছবিতেও সিয়ামের সঙ্গে জুটি বাঁধছেন পূজা চেরি। সিয়াম জানালেন, ‘পোড়ামন ২’ ছবিতে তিনি যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন, ‘দহন’ ছবিতে অভিনয় করবেন ঠিক উল্টো চরিত্রে। তা নিয়ে এখনই কিছু জানাতে চাননা। ছবিতে আরও কিছু চমক থাকবে।

 

সাংবাদিককে খুনের হুমকি দিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন শাহরুখ খান!

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। বলিউড পাড়ার সব থেকে সম্মানীয় অভিনেতাদের মধ্যে একজন। সাংবাদিকদের সঙ্গে সবসময় ভদ্র ভাষায় কথা বলেছেন। কিন্তু একবার এক সাংবাদিককে খুনের হুমকি দিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন শাহরুখ।

হ্যা সত্যি, একবার একটা জনপ্রিয় ফিল্ম ম্যাগাজিনে শাহরুখ সম্বন্ধে একটা আর্টিকল প্রকাশিত হয়। সেখানে লেখা হয় একজন পরিচালকের কথায় নাকি শাহরুখ একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে রাত কাটিয়েছেন। এটা পড়ার পর শাহরুখ প্রচণ্ড রেগে গিয়ে ওই পত্রিকার একজন সাংবাদিককে মেরে ফেলার হুমকি দেন।

অনুপমা চোপড়া পরে এই বিষয়ে তার বই ‘কিং অফ বলিউড: শাহরুখ খান অ্যান্ড দ্য সিডাকটিভ ওয়ার্ল্ড অফ ইন্ডিয়ান সিনেমা’ তে এই ঘটনার উল্লেখ করেন।

ঘটনার সালটা ছিল ১৯৯২। এই সময় শাহরুখ ‘ মায়া মেমসাব‘ ছবির জন্য একটা অত্যন্ত অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শ্যুটিং করেন অভিনেত্রী দীপা শাহির সঙ্গে। এই ছবির পরিচালক ছিলেন দীপা শাহির স্বামী কেতন মেহতা।

ওই সময়কার জনপ্রিয় ফিল্মি পত্রিকা সিনে ব্লিতজ একটা আর্টিকল প্রকাশ করে। সেই আর্টিকল থেকে জানা যায় কেতন মেহতা নাকি শাহরুখকে দীপার সঙ্গে একটা হোটেলে রাত কাটানোর নির্দেশ দেন অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শ্যুটিং এর আগে। যাতে তারা একসঙ্গে রাত কাটানোর পর স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এবং সহজেই ওই দৃশ্যটার শ্যুটিং করতে পারেন।

সেইখান থেকে আরো জানা যায় শাহরুখ নাকি কেতনের কথায় রাজি হয়ে দীপার সঙ্গে রাত কাটান এবং এর পরের দিন ওই দৃশ্যের শ্যুটিং হয়।

পত্রিকাতে প্রকাশিত ওই আর্টিকলটা যিনি লেখেন তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। কিন্তু এর কয়েকদিন পরে এই পত্রিকার একজন সাংবাদিক কেত ডি কোস্টা‘র সঙ্গে দেখা হয় শাহরুখের। শাহরুখ ধরেই নেন ওই আর্টিকলটা কেত লিখেছেন। উনি সবার সামনেই কেত কে গালাগালি দেন।

এখানেই শেষ নয়। সেই রাতে কেত কে ফোন করে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন শাহরুখ। এবং তার পরের দিন সত্যিকারের কেতের বাড়িতে গিয়ে কেতের বাবা মায়ের সামনেই সাংবাদিককে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন উনি। গালিগালাজ করা ছাড়াও উনি কেত কে আরো একবার মেরে ফেলার হুমকি দেন।

পত্রিকার সম্পাদকের বুদ্ধিতে কেত শাহরুখের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি‚ শাহরুখ তাকে ফোনে হুমকি দিতেই থাকেন। এর পরের দিন শাহরুখকে গ্রফতার করে পুলিশ। ততদিনে শাহরুখ একজন নামকরা স্টার হয়ে গেছেন। তাই জেলে পোড়া হয়নি তাকে। এমনকি থানাতে কয়েকজন পুলিশ তার অটোগ্রাফও নেন। সেখানে শাহরুখ পুলিশের কাছে একজনকে একটা ফোন করার অনুরোধ করেন। এবং অবিশ্বাস্য হলেও তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাউকে ফোন না করে তিনি কেতকে ফোন করে থানা থেকে গালাগালি দেন।

শাহরুখ পুলিশের সামনেই কেতকে বলেন, আমি এখন থানায় আছি কিন্তু যে মুহূর্তে ছাড়া পাবো তোমার ওখানে গিয়ে আই উইল ফা.. ইউ। পরে রাত সাড়ে ১১টার না দিকে শাহরুখের এক বন্ধু জামিন দিয়ে ছাড়ায় তাকে।

শাহরুখ খান

এই ঘটনার দু‘বছর বাদে সিনে ব্লিটজ পত্রিকার অন্য এক সাংবাদিক শাহরুখকে বোঝাতে সক্ষম হন যে কেত ডি কোস্টা সেই আর্টিকলটা লেখেননি। শাহরুখ নিজের ভুল বুঝতে পারেন এবং কেতের কাছে ক্ষমা চান। এমনকি কেতের মা বাবার কাছেও ক্ষমা প্রার্থনা করেন উনি।

একই সঙ্গে সিনে ব্লিটজের জন্য এক্সক্লুসিভ ফটোশ্যুটও করেন শাহরুখ। তবে আজ অবধি জানা যায়নি সেই সাংবাদিকের নাম যিনি শাহরুখ আর দীপাকে কেন্দ্র করে ওই আর্টিকলটি লেখেন।

প্রসঙ্গত ‘মায়া মেমসাব‘ ছবি থেকে ওই অন্তরঙ্গ দৃশ্য বাদ দিয়ে দিতে হয় সেন্সর বোর্ডের নির্দেশে। কিন্তু ২০০৮ সালে ইন্টারনেটে ওই দৃশ্য ফাঁস হয়ে যায়।

 

সোনম চুপিচুপি বাগদান সেরে ফেললেন?

অনেকদিন ধরেই বি-টাউনে চলছে গুঞ্জন। অনেকে বলছেন এই বছরের শেষেই বিয়েটা করে ফেলবেন তাঁরা। আবার অনেকে বলছেন এই বছর না হলেও সামনের বছরের শুরুতেই পাকাপাকিভাবে ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার গৃহিনী হতে চলেছেন সোনম কাপুর। কিন্তু গত বুধবার একটি অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখে চমকে গেলেন একদল সাংবাদিক। কারনটা শুনলে আপনিও চমকে যেতে পারেন।

আগে তিনি নিজের প্রেম নিয়ে মোটেই মুখ খুলতেন না সকলের সামনে। তবে বর্তমানে মিডিয়ার সামনে নিজের প্রেম নিয়ে কথা না বললেও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রেমের বিষয়ে তিনি বেশ খোলামেলা। আর সেই কারণেই ভ্যালেন্টাইনস ডে-র দিন প্রথমে তিনি নিজেদের পুরনো একটি ছবি দিয়ে তাঁদের প্রেমের কথা জানিয়েছেন।

তারপর আবার আনন্দ তাঁকে যে উপহার পাঠিয়েছেন সেই ছবিও তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে শেয়ার করে লিখেছিলেন, এরকম একটা উপহার ছাড়া দিনটাই মাটি।

আরও খবর : ইউটিউবে বাজিমাত করলেন এভ্রিল

আর এবারে তো একেবারে হাতেনাতে ধরা পড়লেন সোনম। বুধবার একটি অনুষ্ঠানে কথা বলার সময়ই সাংবাদিকরা লক্ষ্য করেন তাঁর হাতের রয়েছে একটি বিশেষ আংটি। দেখা মাত্রই তাঁরা সরাসরি প্রশ্ন করেন, এই আংটি কি আনন্দ তাঁকে দিয়েছেন? কিন্তু কথাটি সুন্দরভাবে এড়িয়ে যান সোনম। তিনি বলেন, ‘দিলেও আমি মিডিয়ার সামনে সেই কথা কেন বলব?’

তখন তাঁকে অন্য একজন ঘুরিয়ে প্রশ্ন করেন তবে আপনারা কবে বিয়ে করছেন সেটা যদি বলেন? তখন সোনম জানান, ‘আমি আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিডিয়ার সামনে আগেও কখনও কথা বলিনি। এবারেও বলব না।’

এসব শুনে অনেকেই মনে করছেন বিরাট-অনুষ্কার মতই সোনম-আনন্দও হয়ত সকলের চোখের আড়ালে কাউকে কিছু না জানিয়ে পরিবারের উপস্থিতিতে বিয়েটা সেরে ফেলবেন বিদেশের মাটিতে। আর তাঁর আগেই বোধহয় চুপিচুপি নিজেদের এনগেজমেন্টবাগদানটাও সেরে ফেলেছেন তাঁরা। আর তার প্রমাণ স্বরূপ এদিন তাঁর হাতে ওই বিশেষ আংটি দেখা গিয়েছে।

যদিও বর্তমানে সোনম তাঁদের নিজেদের প্রোডাকশন হাউসের সিনেমা ‘বীর দি ওয়েডিং’ নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত। কারণ চলতি বছরের পয়লা জুন এই ছবিটি মুক্তি পাবে বলেই তিনি জানিয়েছেন।

এসএইচ-০৪/২৪/০২ (বিনোদন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : সংবাদ প্রতিদিন)