একি কাণ্ড, ভাগ্নের হাত ধরে খালা উধাও

পরকীয়ার সম্পর্কে ভাগ্নের হাত ধরে নগদ ১০ লাখ টাকা, ছয় ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে দুই কন্যা সন্তানকে ফেলে রেখে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছে খালা। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী ও আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার নলচিড়া ইউনিয়নের লেবুতলী গ্রামের।

ওই গ্রামের আব্দুস সাত্তার বেপারীর পুত্র সৌদি প্রবাসী সাইদুর রহমান জানান, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সামাজিকভাবে তিনি একই উপজেলার টিকাসার গ্রামের জনৈক এস্কেন্দার হাওলাদারের কন্যা খাদিজা আক্তার নুপুরকে (২৪) বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

প্রবাসী সাইদুর রহমান আরো জানান, সম্প্রতি তার স্ত্রী নুপুরের সাথে তার খালাতো বোনের ছেলে (ভাগ্নে) পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার আঠারোগাছিয়া গ্রামের দুলাল সরদারের পুত্র কুমিল্লার ১৬ বেঙ্গল ক্যান্টমেন্টের জনৈক আব্দুল করিমের অধীনস্থ ঝাড়ুদার নাসির সরদারের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ১২ আগস্ট প্রবাসী সাইদুর রহমান ছুটিতে নিজ বাড়িতে আসেন। পরবর্তীতে কৌশলে প্রবাসীর অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে তার স্ত্রী নুপুর বেগমকে গত ২৭ আগস্ট পরকীয়া প্রেমিক নাসির বাগিয়ে নিয়ে অজানার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়।

সহকর্মী নিয়ে হোটেলে রাত কাটাতে এসে স্ত্রীর হাতে ধরা, অতপর ঘটল ভয়ঙ্কর কান্ড

সহকর্মী কেবিন ক্রু নিয়ে হোটেলে রাত কাটাতে গিয়ে স্ত্রীর হাতে ধরা পড়েছেন বেসরকারি এক বিমানের কর্মকর্তা। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত ওই ব্যক্তির নাম মীর ফয়সাল আহমেদ (৩০)। তিনি বেসরকারি বিমান কোম্পানী নভো এয়ারের কাস্টমার সার্ভিসে বিভাগে কর্মরত আছেন।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, মীর ফয়সাল আহমেদ তার ঘনিষ্ট বান্ধবী নভো এয়ারের কেবিন ক্রু সোনিয়াকে নিয়ে শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহের শহরতলী ঢোলাদিয়া এলাকার হোটেল সিলভার ক্যাসলে উঠেন।

বিষয়টি ফয়সালের স্ত্রী মিরাজ্জুম মনিরা নিরা জানতে পেরে পরের দিন আত্মীয়-স্বজনসহ হোটেলে এসে তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এসময় ফয়সাল ক্ষিপ্ত হয়ে তার শাশুড়ীর সামনেই স্ত্রীকে মারধর করেন।

বিষয়টি কোতোয়ালী মডেল পুলিশকে অবহিত করা হলে পুলিশ ফয়সাল এবং তার বান্ধবী সোনিয়াকে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্ত্রী মিরাজ্জুম মনিরা নিরা বাদী হয়ে সোমবার কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। পরে ফয়সালকে সোমবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। সোনিয়াকে পরিবারের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

ঘুষসহ হাতেনাতে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ঘুষের টাকাসহ ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ত্রিশাল ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দীনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গ্রেপ্তারকালে তার দেহ তল্লাশি করে আরো ২৬ হাজার ৯০০ টাকা পায় দুদক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অজয় চন্দ্র রায় নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণকালে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক নাসিম আনোয়ারের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য‌ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

দুদক সূত্র আরো জানায়, অভিযোগকারী অজয় চন্দ্র রায় তার নামে নতুন জরিপের ওপর নামজারি করতে পূর্বের মাঠ জরিপের নামজারি ও ভূমি কর পরিশোধ সংক্রান্তে রেকর্ডপত্র দাখিল করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যান। এ সময় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হেলাল উদ্দীন অফিস খরচ বাবদ তার কাছ থেকে ১৩০০ টাকা আদায় করেন।

পরবর্তীকালে অভিযোগকারীর কাছে আরো ৪ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। শুধু তাই নয়, ওই টাকা না দিলে নামজারি সংক্রান্ত প্রস্তাব সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে প্রেরণ করবেন না বলেও জানান তিনি।

সূত্র জানায়, এ বিষয়ে তিনি অভিযোগ করলে দুদক ওই ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তরের জন্য ছয় সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করে। এরপরই দুদকের পরামর্শে হেলাল উদ্দীনকে ওই কর্মকর্তার নিজ দপ্তরে চার হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে দুদক।

গ্রেপ্তারের পরপরই দুদকের ময়মনসিংহের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে ত্রিশাল থানায় মামলা দায়ের করেন।

অনার্স ২য় ও ৩য় বর্ষ পরীক্ষার ফরম পূরণের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬ সালের অনার্স ২য় বর্ষ (বিশেষ) পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ৭ আগস্ট থেকে এবং ২০১৬ সালের অনার্স ৩য় বর্ষ (বিশেষ) পরীক্ষার ফরম পূরণ আগামী ২ আগস্ট থেকে শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শ দফতর এ তথ্য জানিয়েছে।

শুধুমাত্র অনিয়মিত ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা ২০০৯-১০ হতে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের সিলেবাসে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। ফরম পূরণসহ অন্যান্য বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.edu.bd) ও (www.nubd.info) থেকে জানা যাবে।

গাজীপুরে নারী শ্রমিককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর: গাজীপুরে এক নারী শ্রমিককে এক ওসি থাপ্পর মেরে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকলে স্থানীয় কাউন্সিলর মো. খলিলুর রহমান এর কার্য্যলয়ে লাঞ্ছিত ওই নাড়ীশ্রমিক এসে অভিযোগ করেন।

অভিযোগে জানায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আমবাগ এলাকায় মো. সোহরাফ হোসেন ইন্সপেক্টর (ওসিতদন্ত) এর বাড়িতে বাসাভাড়া নিয়ে স্থাীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। বিদ্যুৎ বিলের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ওসি তার এক ভাড়াটিয়া নারীকে থাপ্পর মেরে কান অবস করে দেন। লাঞ্ছিত ওই নারী শ্রমিক পটুয়াখালী জেলার মৌকরণ গ্রামের মো. সেলিম হোসেনের স্ত্রী মোসা. শাহিনুর বেগম।

শাহিনুর জানান, স্বামী, সন্তান নিয়ে সোহরাফ ওসির বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করি। গত মাসের চেয়ে এ মাসের বিদ্যুৎ বিল আড়াইশ টাকা বেশি হওয়ায় বিষয়টি জানতে চাওয়া মাত্র ওসি সোহরাফ হোসেন তাকে থাপ্পর ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

এ ঘটনা জানাজানি হলে ওসির আত্বীয় মো. আব্দুস ছামাদ সেক্রটারী ওই রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে তার পক্ষে ক্ষমা প্রার্থনা এবং স্থানীয় একটি ফার্মাসি থেকে ঔষধ কিনে দিয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এলাকাবাসি জানায়, মো. সোহরাফ হোসেন টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানায় ইন্সপেক্টর (ওসি তদন্ত) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তিনি কিছু দিন পর পর ছুটিতে এসেই মাঝেঁর মধ্যে এ ধরণের এঘটনা ঘটান। শাহিনুর বেগম দৈনিক ভোরের ডাককে জানান, থাপ্পর মারার পরে ওসি এসে ক্ষমা চেয়েছে আমি তাকে ক্ষমা করিনি।

মা-ছেলের যুগলবন্দি; একসাথে এইচএসসি পাশ

প্রায় প্রত্যেক পাবলিক পরীক্ষায় বাংলাদেশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে। এবারও তার ব্যাতিক্রম কিছুই ঘটেনি। একসাথে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করলেন মা-পুত্র। ঘটনাটি ঘটেছে নাটোর জেলায়।

পড়া লেখার যে কোনো বয়স নেই তা প্রমান করেছেন নাটোরে মা শাহনাজ পারভিন (৪০) এং ছেলে রাকিব আমিন সবুজ (২০)। এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এক সঙ্গে পাস করেছেন শাহনাজ পারভিন এবং ছেলে রাকিব আমিন সবুজ।

শাহনাজ পারভিন নাটোর মহিলা কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ৪ দশমিক ৮৩ এবং ছেলে রাকিব নাটোর টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে ৩ দশমিক ৬৭ পেয়েছেন।

ছেলের চেয়ে মায়ের ফলাফল ভাল হওয়ায় আনন্দের বন্যা বইছে শাহনাজ পারভিনের পরিবারে। মা ছেলে পাস করার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শাহনাজ পারভিনের বাড়িতে ভিড় করছেন এলাকাবাসীরা। তবে উচ্চ শিক্ষার জন্য তারা সরকারের সকল সহযোগিতার দাবী জানিয়েছেন।

শাহনাজ পারভিনের পরিবার জানায়, ১৯৯২ সালে তেলকুপি এলাকার রুহুল আমীনের সাথে বিয়ে হয় শাহনাজ পারভিনের। এরপর পরিবার নিয়ে শহরের নাটোর শহরের মল্লিকহাটি মধ্যপাড়ায় বসবাস করে আসছেন তিনি। বিয়ের পর ১৯৯৫ সালে স্থানীয় একটি স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সেকেন্ড ডিভিশনে পাস করেন তিনি।

এরপর অভাবের সংসারের কারনে আর লেখা-পড়া চালিয়ে যেতে পারেননি শাহনাজ পারভিন। এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের জননী শাহনাজ পারভিন স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নার্সের চাকরি করে সংসার পরিচালনা করে আসছিলেন।

কিন্তু লেখাপড়ার গুরুত্ব বুজে চল্লিশ বছর বয়সেই শাহনাজ পারভিন ২০১৫ সালে নাটোর মহিলা কলেজে কম্পিউটার বিষয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকেই ২০১৫-১৬ শিক্ষা বর্ষে পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৪দশমিক ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে উত্তীর্ন হয় শাহনাজ পারভিন।

মা শাহনাজ পারভিন বলেন, ১৯৯৫ সালে এসএসসিতে সেকেন্ড ডিভিশন নিয়ে পাস করি। এরপর আর লেখা পড়া করার সুযোগ হয়নি। কিন্তু যখন বুঝলাম লেখা-পাড়ার কোনো বয়স নাই তখন কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশুনায় মনোযোগ দেই।

তিনি আরো বলেন, ভবিষৎতে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভাল কোনো কলেজে ভর্তি হতে চাই। কিন্তু অভাবের সংসারে সাংসারিক কাজ করে লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়া খুব কঠিনই। তাই সরকারি কোনো সহযোগিতা পেলে লেখা-পাড়া আরো দুরে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

এদিকে, শাহনাজ পারভিনের ছেলে রাকিব আমিন সবুজ শহরের নাটোর টেকনিক্যাল এন্ড কলেজ থেকে ইলেকট্রিক্যাল বিষয় নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। এবারের পরীক্ষার ফলাফলে মায়ের চেয়ে কম পয়েন্টে ৩ দশমিক ৬৭ নিয়ে উত্তীর্ন হন তিনি।

ছেলে রাকিব আমিন সবুজ বলেন, আমার রেজাল্টের চেয়ে মায়ের রেজাল্ট ভালো হওয়ায় খুব খুশি হয়েছি। তাছাড়া মায়ের ফলাফল ভালো হওয়ার কারণে পরিবারের সবাই আনন্দিত।

শাহনাজ পারভিনের ভাই সাংবাদিক কাউছার আহম্মেদ বলেন, পিতার অভাবের সংসারে অনেক আগেই বোনকে বিয়ে দিয়ে দিই। একদিন হঠাৎ করেই বোন বলেন, পুনরায় লেখাপড়া শুরু করবেন তিনি। এতে আমরাও সাই দিই। পরে নাটোর মহিলা কলেজে কম্পিউটার বিষয়ে ভর্তি করে দিই।

তিনি আরো বলেন, বোন শাহনাজ স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চাকরি করে সংসার পরিচালনা করেন। দায়িত্ব পালনের পাশাপাশিই লেখাপড়া চালিয়ে গেছেন। কলেজের অধ্যক্ষকে বলে ফরম পুরনের টাকা সহ অন্যান্যে টাকা কম দিয়েই পড়াশুনা চালিয়ে গেছেন তিনি। তার অদম্য এই ইচ্ছা শক্তিকে আরো দুরে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের সহযোগিতা চাই।

শাহনাজ পারভিনের স্বামী রুহুল আমীন এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তার স্ত্রী এবং ছেলে এক সাথে পাস করায় পরিবারে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। অভাবের সংসারেও যে তারা পাস করেছে এই জন্য ভালো লাগছে।

তিনি আরো বলেন, তার স্ত্রী একটি ক্লিনিকে চাকরি করার পর অবসর সময়ে পড়ালেখা করতেন। তাদের উচ্চ শিক্ষার জন্য আমার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। তবে অভাবের সংসারে যদি সরকারি কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া গেলে তারা আরো ভালো ফলাফল করবে।

এ বিষয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, পড়াশুনার কোনো বয়স নাই। তার উদাহরণ শাহনাজ বেগম এবং সবুজ। তাদের যে অদম্য মনোবল তারা আরো এগিয়ে যাবে এই প্রত্যাশা করি। সরকারি কোনো সহযোগিতার প্রয়োজন মনে করলে তাদের সকল সহযোগিতা করা হবে।

উল্লেখ্য, গত এসএসসি পরীক্ষায় বাগাতিপাড়ার গালিমপুর এলাকার মা মলি রানী কুন্ডু এবং ছেলে মৃন্ময় কুমার কুন্ডু এক সাথে এসএসসি পরীক্ষায় পাসকরায় আলোড়ন সৃষ্টি করে। সে সময় নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন, স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ সহ অন্যান্যেরা অভিনন্দন জানিয়ে উচ্চ শিক্ষার জন্য তাদের পাশে এসে দাঁড়ান।

লক্ষ্মীপুরে মাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদণ্ড

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন এলাকায় মা খায়রুন নেছাকে (৪৭) হত্যার দায়ে ছেলে হারুন অর রশিদকে (৪০) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সাইদুর রহমান গাজী এ রায় দেন। রায়ের সময় মামলার একমাত্র আসামি হারুন অর রশিদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আবুল কালাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৭ জুলাই রাতে পারিবারিক কলহের জের ধরে মা খায়রুন নেছাকে কুপিয়ে হত্যা করে ছেলে হারুন অর রশিদ। পরে মা খায়রুন নেছার মরদেহ তিনি টয়লেটের ভিতরে গুম করে রাখে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে মিনারা বেগম বাদী হয়ে ১৮ জুলাই রামগতি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় হারুন অর রশিদকে একমাত্র আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর হারুন অর রশিদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট দেয় পুলিশ। ১৩ জনের স্বাক্ষ্য, প্রমাণ ও শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার আদালত এ রায় প্রদান করেন।