রাশিয়ার এই শিশুটি এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে!

হালকা নীলচে রঙের চোখ, যেন সৃষ্টিকর্তার হাতে গড়া এক স্বর্গীয় শিশু। প্রথমবার মেয়েটিকে দেখলে মনে হতে পারে, আপনি বুঝি একটি ছোট্ট পুতুল দেখেছেন। বয়স ৬ এর ঘরে পা দিতে না দিতেই এই ছোট্ট মেয়েটি পেয়ে গেলো পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে হওয়ার খেতাব। রাশিয়ায় বসবাসকারী আনাসতাসিয়া ইয়াজেভা নামের ছোট্ট মেয়েটির ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার এখন প্রায় পাঁচ লক্ষ তেইশ হাজার জন ছাড়িয়েছে। শিশুদের বিখ্যাত রাশিয়ান ব্র্যান্ড ‘ছবি কিডস’ সহ খ্যাতিমান ব্র্যান্ডগুলোও তাদের ক্যাম্পেইনের জন্য লাইন দিয়ে বসে আছে আনাসতাসিয়ার কাছে।

২০১৫ সালে যখন আনাসতাসিয়ার বয়স চার তখন তার মা, মেয়ের সুন্দর সুন্দর ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেন। আর তাতেই কন্যার আপলোড করা প্রতিটি ছবিতে বয়ে যেতে থাকে অজস্র প্রশংসনীয় মন্তব্যের স্রোত। তবে এখন পর্যন্ত কন্যার ঐ ইন্সটাগ্রামের অ্যাকাউন্টটি পরিচালনা করছেন আনাসতাসিয়ার মা আন্না।- প্রিয়.কম

মা আন্নার সঙ্গে আনাসতাসিয়া। ছবি সংগৃহীত। 

সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট। 

সবসময় ফিট থাকতে চান? তাহলে মেনে চলুন সাইফ আলি খানের ৮টি পরামর্শ

অভিনেতা সাইফ আলি খান সম্প্রতি ফিট থাকার উপায় নিয়ে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। এ লেখায় তুলে ধরা হলো সেই পরামর্শগুলো। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইম


১. ডায়েটিং মানে না খাওয়া নয় অনেকেই ডায়েটিংকে খাবার না খাওয়ায় রূপান্তরিত করেন। যদিও বিষয়টি ভুল। ডায়েটিং মানে খাবার বাদ দেওয়া নয়। অনেকেরই আবার ধারণা ডায়েটিংয়ে ভালো খাবার বাদ দিয়ে বিরক্তিকর খাবার খেতে হবে বা সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবে।

যদিও বাস্তবে ডায়েটিংয়ে আপনি খাবার খেতে পারবেন এবং তাতে ভালো অনুভবও করতে পারবেন। এছাড়া একই সঙ্গে আপনি দেহের ওজনও কমাতে পারবেন। এজন্য সঠিক খাবার খেতে হবে, যার মাধ্যমে আপনি শরীর ও মনে ভালো অনুভূতি তৈরি করতে পারবেন এবং জীবনযাপনের মান বাড়াতে পারবেন।

২. রুটিন মস্তিষ্কের রসায়ন অত্যন্ত জটিল। কখনো আমি জিমে যেতে অস্বস্তিবোধ করে এবং খাওয়ার পর শান্তি অনুভব করি। এ বিষয়টি মূলত আপনার রুটিনের ওপর নির্ভর করবে।

৩. ডায়েট, শারীরিক অনুশীলন ও ঘুম এ সময়ে নিজেকে ভালো ও তরুণ দেখানো ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ কারণে আপনার তিনটি বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে- ডায়েট, শারীরিক অনুশীলন ও ঘুম। এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি করার কোনো প্রয়োজন নেই। সার্জিক্যাল কোনো উপায়ও মেনে চলার প্রয়োজন নেই। মাত্র কয়েকটি নির্দিষ্ট উপায়েই ফ্রেশ দেখানো সম্ভব, যা হলো ভালোভাবে ডায়েট মেনে চলা, যথাযথ শারীরিক অনুশীলন করা ও পর্যাপ্ত ঘুমানো।

৪. শারীরিক অনুশীলন বহু মানুষই বলেন, তারা ব্যায়াম বা শারীরিক অনুশীলনের জন্য যথেষ্ট সময় পান না। যদিও এটি হাস্যকর কথা। আপনি যদি গোসল করার জন্য সময় পান কিংবা অন্য বিষয়কে গুরুত্ব দেন তাহলে শারীরিক অনুশীলনের জন্যও সময় পাবেন। এক্ষেত্রে আপনার জীবনের ওপর শারীরিক অনুশীলনের প্রভাবটি বুঝতে হবে। এতে এমনকি আপনার সম্পর্কও উন্নত হবে।

৫. শরীরের কথা শুনুন কখনো আপনার শারীরিক অনুশীলনের শুরুটা ভালোই হয়। কিন্তু যখন এ অনুশীলন আরও বেড়ে যায় তখন পরিস্থিতি তেমন থাকে না। তাই এটি সঠিক নয়। আপনাকে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয় মেনে চলতে হবে। আপনার নিজের শরীরের কথা শুনতে হবে। শারীরিক অনুশীলন নির্দিষ্ট মাত্রায় করতে হবে। যখন ক্লান্ত হবেন তখন বিশ্রাম করতে হবে।

৬. সঠিকভাবে সাজাতে হবে আপনার মুখের সবকিছুরই প্রভাব পড়বে। এ কারণে আপনার জীবনকে সঠিকভাবে সাজাতে হবে। আপনি যদি বিষয়গুলো গুছিয়ে নিতে পারেন তাহলে বুঝবেন সবকিছু ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

৭. ভালোভাবে জীবনধারণ সুন্দর মানুষ তারাই যারা জানে কিভাবে ভালোভাবে জীবনধারণ করতে হয়। এ কারণে আপনার দেহের প্রয়োজনীয়তার দিকে মনোযোগী হোন। তাকে কোনো দিকে চালিত করার জন্য জোর খাটানোর প্রয়োজন নেই।

৮. নিয়ম মেনে চলুন মানুষের জিন হলো শুধু প্রবণতা মাত্র। সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে চললেই আপনি তাকে বদলাতে পারবেন, ভালোভাবে বাঁচতে পারবেন

অপহরণের পর কী ঘটেছিল মিস ইউনিভার্সের ভাগ্যে!

জুমবাংলা ডেস্কঃ ১৯৯৫ সালের ২৮ জুন আফ্রিকার ওয়েস্টার্ন কেপ এর সেজফিল্ডের সাধারণ একটি ঘরে জন্ম হয় ডেমি-লেইয়ের। সেদিনের সেই ছোট্ট মেয়েটিই আজ মিস ইউনিভার্স-২০১৭ এর মুকুট জয়ী। গতকাল রোববার যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার আসরে ডেমিকে মুকুট পরিয়ে দেন গত বছরের ‘মিস ইউনিভার্স’ ইরিস।

আফ্রিকা ছেড়ে নিউইয়র্কের বাসিন্দা হন ডেমি-লেই। নর্থ-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পড়াশোনা শেষ করেছেন কিছুদিন আগে। ইংরেজি এবং আফ্রিকান, দুই ভাষাতেই দক্ষ তিনি।

২২ বছর বয়সী ডেমি দক্ষিণ আফ্রিকার পশ্চিম কেপ রাজ্যে বড় হন। সম্প্রতি তিনি নর্থ-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রি নিয়েছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি ডেমি নারীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ দেন। ডেমি ‘মিস সাউথ আফ্রিকা’ হওয়ার এক মাস পরই একবার অপহৃত হয়েছিলেন। কিন্তু পিস্তলের সামনে মাথা নত করেননি এই সুন্দরী। বরং এই ঘটনার পর আত্মরক্ষার কৌশল শেখার নেশা তাঁর আরও বেড়ে যায়।

ডেমি-লি নিল-পিটার্সকে মুকুট পরিয়ে দেন গত বছরের ‘মিস ইউনিভার্স’ ইরিস।সাহসী ডেমি দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশল শেখান এবং তাঁদের স্বাবলম্বী হতে উৎসাহিত করেন। ‘মিস ইউনিভার্স’ অনুষ্ঠানের আসরে তিনি বলেন, ‘এখনো অনেক দেশে একই পরিশ্রমে পুরুষদের থেকে নারীদের কম পারিশ্রমিক দেওয়া হয়। এটি একদম উচিত না। পারিশ্রমিক থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা হওয়া উচিত।’

এবার প্রথম রানারআপ হয়েছেন ২২ বছর বয়সী ‘মিস কলম্বিয়া’ লরা গঞ্জালিজ। তিনি কৈশোর থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আর দ্বিতীয় রানারআপ ‘মিস জ্যামাইকা’ ডেভিনা ব্যানেট। ২১ বছর বয়সী এই প্রতিযোগী মডেলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

যে ৬ কারণে প্রাক্তন ভালোবাসার মানুষকে ‘না’ বলবেন!

ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ব্যাপারটি যে কারোর জন্যেই কষ্টকর একটি অভিজ্ঞতা, যেটার মুখোমুখি হতে ভয় পান সকলেই। তবে বাস্তবতা ভিন্ন হওয়ায় কম কি বেশী, প্রায় সকলকেই জীবনের কোন এক সময়ে সম্পর্ক ভেঙে যাবার মতো কষ্টদায়ক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। ভালোবাসার মানুষের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবার অনেকগুলো দিন পর্যন্ত তার প্রতি ভালোবাসা ও টান রয়ে যায় একই রকম। অনেকেই সম্পর্ক ভেঙে যাবার পরে পুনরায় সম্পর্কে ফিরে আসতে চান। পুনরায় সম্পর্কটিকে প্রাণ দিতে চান। ‘ভালোবাসার মানুষ’টি একবার যখন ‘প্রাক্তন ভালোবাসার মানুষ’ হয়ে যান, এরপরে কি তার সাথে পুনরায় সম্পর্ক স্থাপন করা উচিৎ? নতুন করে তার সাথে ভালোবাসার সম্পর্কটি কে তৈরি করা কি ভুল সিদ্ধান্ত হবে?

জীবনের ভিন্ন মোড়ে, ভিন্ন অভিজ্ঞতার ঝুলিতে এমন অভিজ্ঞতাও নিশ্চয় হয়েছে অনেকের। সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাবার পরও পুনরায় ভালোবাসার সম্পর্কে ফিরে আসতে চাইছেন প্রাক্তন ভালোবাসার মানুষটি। সেক্ষেত্রে তার সাথে আবারও ভালোবাসার সম্পর্কটি তৈরি করা কী উচিৎ হবে? জেনে রাখা প্রয়োজন, প্রাক্তনের সাথে পুনরায় ভালোবাসার সম্পর্কে ফিরে যাওয়া কখনোই উচিৎ নয়। যদি উচিৎ না হয় তবে কেন? সেটাও জেনে নিন কারণসহ বিস্তারিতভাবে।

ইতিমধ্যেই আপনি এগিয়ে গিয়েছেন

সম্পর্ক ভেঙে যাবার পরের যন্ত্রণাময় সময়গুলো ইতিমধ্যেই আপনি পার করে ফেলেছেন একবার। পরিবার ও বন্ধুদের সহায়তায় প্রাক্তনের কথা হয়তো ভুলে গিয়েছেন আপনি। কিন্তু এতকিছুর পরে এবং এতো মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পর যখন আপনি নিজেকে সামলে নিয়েছেন, তখন প্রাক্তন দুঃখিত বোধ করে পুনরায় ফিরে এলেও তার সাথে সম্পর্কে জড়ানো হবে ভুল সিদ্ধান্ত। নিজেকে যখন আপনি নিজের মতো করে তৈরি করে নিতে পেরেছেন, তখন শুধুমাত্র নিজেকেই সময় দেওয়া উচিৎ।

পুরনো সম্পর্কের সময়কালীন ‘আপনি’ এখন আরো ‘উন্নত আপনি’

নিজের পুরনো সম্পর্ক ভেঙে যাবার সময়ে আপনি যেমন ছিলেন, এরপরের কষ্টকর সময় পার করার সময়ে আপনার মাঝে অনেক পরিবর্তন চলে আসবে, যেটা স্বাভাবিক। আপনি এই সময়টুকুর মাঝে বাস্তবতাকে চিনতে শিখবেন, মানুষকে বুঝতে শিখবেন, নিজেকে আরো বেশী কঠোর করে গড়ে তুলতে শিখবেন। মোট কথা, আগেরকার সময়ের ‘আপনি’ বর্তমানে আরও উন্নত ‘আপনি’ হিসেবে গড়ে উঠবেন। তখন আপনার চোখের সামনে আপনার অতীত সময়ের ভুলগুলো খুব পরিষ্কার হয়ে ধরা দেবে। যার ফলে, আপনি নিজ থেকে কখনোই প্রাক্তনের সাথে সম্পর্কে ফিরে যেতে চাইবেন না।

কোন একটা কারণের জন্যেই সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল

বর্তমানে প্রাক্তন হয়তো অনেক বেশী আবেগী কথা লিখে ক্রমাগত বার্তা পাঠাচ্ছেন, ফোনকল দিচ্ছেন। আপনাকে তিনি কতোটা ভালোবাসেন তা বলছেন, আপনাকে কতোটা সুখী রাখবেন সেটাও জানাচ্ছেন। কিন্তু সকল কিছুর পরেও শুধুমাত্র একটা কথা মাথায় রাখতে হবে। সম্পর্ক ভেন্নগে যাওয়ার পেছনে কিংবা সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবার পেছনে অবশ্যই গুরুত্বর কোন কারণ ছিল। যার ফলে ভালোবাসার সম্পর্কটিকে ধরে রাখা আর সম্ভব হয়নি। সেই কারণটি মনে করুন। ভাবুন তো একই কারণটি মেনে নিয়ে সম্পর্ককে পুনরায় এগিয়ে নিতে পারবেন কি?

সময় অনেক বদলে গেছে

ভালোবাসার সম্পর্ক চলাকালীন সময়ে সবকিছুই অনেক বেশী রোমান্টিক থাকে। কিন্তু সেই সম্পর্কটা একবার ভেঙে গেলেই ফাটল ধরে যায় সবকিছুর মাঝে। আর একবার সম্পর্কের মাঝে এই ফাটল দেখা দিলে, সেটা আর কখনোই আগের মতো ঠিক হয়ে যায় না। বিশেষ করে, সম্পর্ক ভেঙে যাবার পর, একে অপরের প্রতি ভালোবাসাটাও আগের মতো থাকে না। আর তাই পুনরায় প্রাক্তনের সাথে সম্পর্কের মাঝে ফিরে যেতে চাইলেও ভালোবাসাটা কখনোই আগের মতো থাকবে না।

একা থাকার প্রতি অগ্রাধিকার দেওয়া

সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর একজন মানুষ স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি মানসিক বিপর্যয়ের মাঝে দিয়ে সময় পার করে। এই বাজে সময়টা কাটিয়ে ফেলার পর যখন নিজেকে অনেকটাই সামলে নেওয়া সম্ভব হয় তখন একা থাকার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ, পুনরায় কোন ভালোবাসার সম্পর্কের মাঝে জড়ানোর ইচ্ছা কাজ করে না একেবারেই। এমন সময়ে প্রাক্তন ভালোবাসার মানুষ যতোই ফিরে আসার জন্য আকুতি জানাক না কেন, একা থাকার সিদ্ধান্তে অটল থাকাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

প্রাক্তনরা সত্যিকার অর্থে আপনাকে ভালোবাসেন না

সম্পর্ক শেষ হয়ে যাবার বেশ কিছুদিন পর প্রাক্তন যদি পুনরায় সম্পর্কে ফিরে আসতে চান, তবে একটি কথা মাথায় রাখতে হবে- তিনি আপনাকে ভালোবেসে সম্পর্কে ফিরে আসতে চাইছেন না। সম্পর্ক একটা অভ্যাসের মতো ব্যাপার। নিয়মিত একজন মানুষের সাথে যোগাযোগ করা, দেখা করার মাধ্যমে একটা অভ্যস্ততা গড়ে ওঠে নিজের মধ্যে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর প্রতিদিনের অভ্যাসে বাধা চলে আসে বলে বিরক্তি কাজ করে। সময় কাটতে চায় না মোটেও। বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র এই কারণেই প্রাক্তনরা পুনরায় পুরোন সম্পর্কের মাঝে ফিরে আসতে চান।

সূত্র: Boldsky

ব্রেকআপের পরে মেয়েরা যে কাজগুলো করে!

ব্রেকআপ হলে সবারই মনের কোনে একটু হলেও ক্ষত তৈরি হয়। মুখে হাসি থাকলেও, ভিতরে ভিতরে কষ্ট হয়ই। এই কষ্ট থেকে দূরে সরতে মহিলারা ঠিক কী কী করে জেনে নিন।

  • মদ্যপান করলে নাকি কষ্ট কমে। এই ধারণা থেকেই ব্রেক আপে-এর পরে একবার অন্তত মদ্যপান করেন মহিলারা।

  • সোশ্যাল মিডিয়াই এই সময়ে ভরসা। ব্রেক-আপেরও পরেও সঙ্গী কতটা সুখে আছেন, বা তাঁর আবার কোনও গার্ল ফ্রেন্ড হয়েছে কি না, তার উপর গোপনে নজর রাখেন।

  • নিজের কবি সত্তা জাগিয়ে তোলেন। সে কবিতা পড়ার মতো না হলেও, নিজেদের কবি ভাবতে থাকেন।

  • ভিতরে কষ্ট হলেও সোশ্যাল মিডিয়া ও বন্ধুদের সামনে নিজেকে এমন ভাবে প্রকাশ করেন যেন তিনি মুক্ত বিহঙ্গ।

  • প্রাক্তন প্রেমিকের উপরে যত ক্ষোভ চেপে রাখার পরে, বন্ধুর (বিশেষ করে পুরুষ বন্ধু) কাছে নিন্দা করেন। যদিও মনে মনে কিন্তু অন্য কিছুই ভাবেন।

  • টিন্ডার বা ফেসবুক থেকে নতুন কারোর সঙ্গে ঘোরা ও তাঁকে নিয়ে ভাবার চেষ্টা করেন। কিন্তু একটি ব্রেক-আপ থেকে বেরনোর জন্য আর একটি সম্পর্কে গেলে, সেই সম্পর্ক টেকে না। কারণ এই নতুন সম্পর্কটি আশ্রয় মাত্র। আশ্রয়ের প্রয়োজন শেষ হয়ে গেলেই সম্পর্কও শেষ হয়ে যাবে।

  • বান্ধবীদের নিয়ে শপিং করতে যান।

  • জীবনে পরিবর্তন আনতে চুল কেটে ফেলেন।
  • ভাল থাকার কোনও মূল্য নেই— এই ধারণা পোষণ করে, নিজেও ‘খারাপ’ হওয়ার চেষ্টা করেন।

বিগ বসের নায়িকার ঘনিষ্ঠ এমএমএস ফাঁস, ভিডিও ভাইরাল

এমএমএস ফাঁস হয়ে যাওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। অভিনেতা-অভিনেত্রী বা সেলিব্রেটিদের সঙ্গে হামেশাই এমন ঘটনা ঘটে থাকে।

তবে বিগ বসের নারী প্রতিযোগীকে নিয়ে যদি অন্যরকম ঘটনা ঘটে তাহলে তা নিয়ে যে আলোড়ন হবে তা বলাই বাহুল্য। ঠিক এবার যেমন হচ্ছে ভাবিজি ঘর পর হ্যায় ধারাবাহিকের আঙ্গুরি ভাবি ওরফে বিগ বস রিয়্যালিটি শো-এর প্রতিযোগী শিল্পা শিন্ডের সঙ্গে।

বিগ বসের বাড়িতে পা রাখার পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন শিল্পা। আর এবার একটি এমএমএস-এর সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও পড়েছে হইচই।

ক্রমশ ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বিছানাতে এক নারী শুয়ে আছেন। অনেকের ধারণা এই নারী আসলে শিল্পা শিন্ডে। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, শিল্পার দাবি শো চলাকালীন এই এমএমএস তাকে ব্ল্যাকমেল করার জন্য তৈরি করা হতে পারে।

অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করেন রিয়্যালিটি শো-এর টিআরপি বাড়ানোর জন্যও এমনটা করা হতে পারে।

বিগ বসের বাড়িতে যেমন বিকাশ-শিল্পার লড়াই মানুষ দেখেছে, তেমনই এবার শিল্পার সাবেক বয়ফ্রেন্ড রোমিত রাজকেও দেখা যাবে।

বলাই যায় দর্শকের এক্সাইটমেন্ট বাড়াতে সব রসদ নিয়ে আসছে বিগ বস। শিল্পার থেকে রোমিত প্রায় তিন বছরের ছোট। একটি টেলিভিশন শো-এর শ্যুটিংয়ের সময়ই দেখা হয় দুজনের। একে অপরকে ডেট করতেও শুরু করেন। বিয়ের কার্ডও নাকি ছাপা হয়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন শিল্পা। সেই রোমিতের সঙ্গে বিগ বসের বাড়িতে শিল্পার একসঙ্গে থাকা কোন দিকে এগোবে? সেই প্রশ্নই উঁকি দিচ্ছে বিগ বস প্রেমীদের মধ্যে।

ভূত নিয়ে বিতর্ক; এবার সত্যিকারের ভূতদের চিনে নিন

ভূত বলে কিছু আছে কি না এই বিষয়ে বিতর্ক থাকলেও ভূতের ভয় বলে যে কিছু একটা আছে তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ নেই। ভূত না থাকলেও ভূতদের জন্য একটা দিন আছে।

ভূতে বিশ্বাস করে না এমন এক যুবক বন্ধুদের সাথে বাজি ধরেছে। সে গভীর রাতে শ্মশানে যাবে। শ্মশানের কিছু একটা হাতে করে নিয়ে এসে বন্ধুদের দেখাবে। যেই কথা সেই কাজ। বুক ভরা সাহস নিয়ে গ্রামের শ্মশানে চলে গেল। গভীর রাত। চারদিকে জোনাকির আলো। হঠাৎ হঠাৎ অচেনা পাখির ডাকও তাকে ভয় ধরাতে পারলো না। শ্মশানে গিয়ে দেখে তার মতো আরেক যুবক শ্মশানের প্রাচিরে বসে পা দোলাচ্ছে। যুবক ঐ যুবকের পাশে গিয়ে বসল। তার দেখাদেখি পা দোলাতে দোলাতে বলল, শ্মশানে ভূত থাকে বন্ধুদের এই ধারণা মিথ্যে প্রমাণ করতে  আমি এখানে এসেছি। নিশ্চয় আপনিও কারও সাথে বাজি ধরে এসেছেন? আপনিও বিশ্বাস করেন, শ্মশানে ভূত প্রেত থাকে না?

আগে থেকে বসে থাকা সেই যুবক বলল, একদম ঠিক বলেছেন। ত্রিশ বছর আগে আমাকে পোড়ানো হয়েছে। কই এই ত্রিশ বছরে একটা ভূতকেও তো দেখলাম না?

বিশ্বের অন্যান্য দেশে ভূত আছে কি না এই বিতর্ক চলতে পারে। বাংলাদেশে কিন্তু একদম চলে না। কারণ আধুনিক যুগেও আমাদের দেশে ভূতের প্রাদুর্ভাবের শেষ নেই। ভাবছেন আমাদের ভূত কারা? আসুন জানি আমাদের আরও কিছু ভূতের খবর।

প্রশ্নফাঁসভূত:
এত লেখালেখি, এত আন্দোলন, কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রশ্ন প্রণয়নের পরও পরীক্ষার আগে টাকা পয়সা নিয়ে প্রশ্ন বিতরণ করে কে? বিশেষ ছাত্রদের মেইলে, মেসেঞ্জারে প্রশ্ন পাঠায় কারা? তারা আমাদের প্রশ্নফাঁসভূত।

অদ্ভুতভূত:
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ টিএসসিতে রাত আটটার পর কেউ অবস্থান করতে পারবে না মর্মে আইন জারি করে কর্তৃপক্ষ। রাত আটটার পর টিএসসি খালি করে কাদের থাকার ব্যবস্থা করার জন্য এই আইন জারি হয়? নিশ্চয় ভূতেদের? নাকি যারা আইন করে তারাই ভূত? গবেষণার বিষয়।

প্রশ্নপত্রভূত:
একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধর্মের মানুষ পরীক্ষা দেয়। সেই ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নে কোন ধর্মীয় গ্রন্থ সেরা সেই প্রশ্ন করে বসে, এরা কারা? প্রশ্নপত্রভূত?

ডিবিভূত:
আইন যাদের কাঁধে। সাধারণ মানুষকে যারা রক্ষার মহান দায়িত্বে। সেই আইনের হাতে যখন সাধারণ মানুষ অপহৃত হয় এবং ১৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে রক্ষা পেতে হয় তখন গর্ব করে বলতেই হয় এরাই আমাদের ভূত।

গুজবভূত:
নোবেল কমিটি  শান্তিতে নোবেল পাওয়ার জন্য কারা মনোনয়ন পায় সেটা ৫০ বছর পর্যন্ত গোপন রাখে। সেই গোপন তথ্য সংবাদ আকারে প্রকাশ করে যারা তারাই তো আমাদের গুজবভূত। এরা কয়েকদিন পর পর কোন কোন তারকার মৃত্যুর গুজব রটায়। আবার তারাই সংবাদ দেয় অমুক তারকার মৃত্যুর গুজবটি গুজব ছিল।

দ্রব্যমূল্যভূত:
এককেজি পেঁয়াজ কিনলে আর বাজার করার টাকা থাকে না। ব্যাগ ভর্তি টাকায় ব্যাগ ভর্তি চাল কেনা যায় না। দ্রব্যমূল্যকে পাগলা ঘোড়ার মতো উর্ধমূখী চালায় কোন ভূত?

নির্যাতনভূত:
চুরির অপবাদে শিশু পিটিয়ে হত্যা, প্রেম-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চাপাতি দিয়ে কোপানো, গৃহকর্মীর গায়ে গরম তেল ঢেলে ঝলসে দেওয়ার মতো কাজগুলো কোনো মানুষের দ্বারা সম্ভব? নিশ্চয় এগুলো ভূতেদের কাজ।

ধর্ষণভূত:
ঘরে, বাইরে, রাস্তায়, স্কুলে, বাসে। ছোট, বড়, শিশু নারী কোথাও নিরাপদ নয়। মানুষের আদতে ভূত ঘুরে বেড়ায় বলেই তো এই অবস্থা। কোন মানুষের দ্বারা এমন জঘন্য কাজ তো আর সম্ভব না।