ঢামেক নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগের প্রধান হলেন ‘গরীবের ডাক্তার’ এজাজ

ভিজিট ফি কম হওয়ায় সবাই তাকে ‘গরীবের ডাক্তার’ নামে ডাকা হয়। অন্যদিকে অভিনয়ে তিনি এতোটাই জনপ্রিয়, যে কোন নাটক সিনেমায় তার উপস্থিতি মানেই বাড়তি বিনোদন। তিনি জনপ্রিয় অভিনেতা, চিকিৎসক ডা. এজাজ। ডা. এজাজের নতুন খবর হলো তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন।
খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সবাইকে জানালেন নির্মাতা অনিমেষ আইচ। অনিমেষ আইচ বলেন, ‘দেশের মানুষের কাছে তিনি একজন স্বনামধন্য অভিনেতা পাশাপাশি একজন সুচিকিৎসক। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হয়েছেন, অবশ্যই এটি আমাদের জন্য গর্ব ও আনন্দের।
এই নির্মাতা আরো বলেন, ‘কিন্তু এ নিয়ে কোন সংবাদ দেখলাম না কোন পত্রিকা কিংবা টেলিভিশন চ্যানেলে। অথচ কার সংগে কার ডিভোর্স হলো, কার সুন্দরী হওয়ার নেপথ্য ইতিহাস কি? এনিয়ে জাতির মাথা ব্যাথার অন্ত নাই। মিডিয়ার মানুষদের বিজয়ের গল্প ও সাধারন মানুষদের জানা দরকার। এ ইতিহাস কেবল কিছু বিভ্রান্তির গল্পে সীমাবদ্ধ নয়। অভিনন্দন এজাজ ভাই।’
যোগদানের বিষয়ে ডা. এজাজ বলেন, চিকিৎসক হিসেবে ব্যস্ততা তো আগে থেকেই ছিল। এখন নতুন দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ততা আরেকটু বেড়েছে। সবাই আমাকে অভিনয়শিল্পী হিসেবে ভালোবাসেন। এই ব্যস্ততার মাঝেও যখনই সময় বের করতে পারবো অভিনয় করবো। একই সঙ্গে চিকিৎসক হিসেবে আমার দায়িত্বও ঠিকভাবে পালন করে যাবো। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
উল্লেখ্য, ডা. এজাজুল ইসলাম রংপুর মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮৪ সালে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি) থেকে নিউক্লিয়ার মেডিসিনে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।
নন্দিত সাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে মিডিয়ায় অভিনয় শুরু করেন এজাজ। সাবলীল অভিনয় নৈপুণ্যে তিনি নজর কেড়েছেন। ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘তারকাঁটা’ চলচ্চিত্রের জন্য।

জানেন কি, পর্ণগ্রাফী যৌন মিলনে ১০ ধরণের ভুল শেখায়?

সিব্বীর ওসমানীঃ পর্ণগ্রাফী দেখার অভিজ্ঞতা কম বেশী সকলেরই আছে। শুধু খারাপ ছেলে বা মেয়েরাই পর্ণগ্রাফী দ্যাখে, সাধারণের সে ধারণাটিও সঠিক নয়। তবে এটা নি:সন্দেহে বিনোদনের একটি বিকৃত মাধ্যম। আর স্রেফ বিকৃত বিনোদনই বটে, আর কিছু নয়। পর্ণগ্রাফী থেকে শিক্ষা গ্রহণের কিছু নেই। কিন্তু এই বিষয়টি অনেকে উপলদ্ধি করতে না। পর্ণগ্রাফী থেকে যৌনতার ধারনা নিয়ে কেউ কেউ ব্যবহারিক জীবনে কাজে লাগাতে চায়। তারাই বরং যৌনতা সম্পর্কে এক ধরণের বিকৃত ধারণার শিকার হয়। একারণে তারা স্বাভাবিক জীবনে বিড়ম্বনা ভোগ। কোনো কোনো সময় বিষন্নতায় আক্রান্ত হয় এবং মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করে। আবার কেউবা অপরাধ প্রবনতায় লিপ্ত হয়।

যাহোক, পর্ণগ্রাফী যৌনতা সম্পর্কে যে সমস্ত ভুল ধারণা প্রতিষ্ঠিত করে ‘দি সান’ পত্রিকায় প্রকাশিত নিবন্ধ অবলম্বনে এরকম ১০ ভুল ধারণা তুলে ধরা হলোঃ

১) পর্ণগ্রাফীতে আসক্ত ব্যক্তিরা মনে করে, সবাই সদা সর্বদা কেবল যৌনতার চিন্তা নিয়েই মগ্ন থাকে। মানুষের জীবনে বিনোদনের এটাই সেরা মাধ্যম।

২) নারীর যৌনতার বিষয়ে ভুল ধারণার বশবর্তি হয়ে তারা মনে করে যে, মহিলারা শৃঙ্গার বা কোনো ধরণের শারীরিক ক্রিড়া ছাড়াই অল্প সময়ের মধ্যে চরম পুলক অনুভব করে।

৩) তারা এটাও মনে করে যে, পায়ু পথে যৌনতা একটি স্বাভাবিক প্রবৃত্তি আর সকল নারী পায়ু পথে যৌনতা উপভোগ করে।

৪) তাদের বিকৃত বিশ্বাস জন্মে যে, বীর্য গিলে ফেলাটা খুব আনন্দের বিষয়। আর সব নারীই এটা খুব পছন্দ করে।

৫) তাদের একটা ভুল ধারণা জন্মে যে, মিলনের সময় অর্গাজমের ঠিক আগে যোনিপথের বাইরে বীর্যস্খলন করাটা খুব দরকারী আর আবশ্যক বিষয় এবং সবাই এটা সহজেই করতে পারে। ফলে কার্যক্ষেতে নিজের অপারগতায় তারা হতাশ হয়।

৬) তারা এটাও মনে করে যে, যত জটিল আসনে যৌন মিলন করা যায়, তত বেশী আনন্দ লাভ হয়।

৭) তাদের ধারণা, যৌন মিলনের আগে নারীদের কোনো ধরণের আদর সোহাগ দরকার হয় না। তারা এমনিতেই যৌনতার জন্য উম্মুখ হয়ে থাকে।

৮) নিজেদের বিৃকত দৃষ্টির মত করেই তারা সকল নারীর দৃষ্টিকে বিবেচনা করে। তাই তারা ভাবে যে, সব নারীই পুরুষদের অশ্লীলভঙ্গি দেখতে কিংবা সেদিকে তাকিয়ে থাকতে ভালোবাসে।

৯) তাদের ধারণা, পুরুষদের মত নারীদেরও প্রতিবার যৌনমিলনের সময় চরম পুলক আসে।

১০) পর্ণগ্রাফীর অভিনেতা-অভিনেত্রির আচরণ ও ভাবভঙ্গিকে তারা বাস্তব মনে করে। তারা ভুলে যায় এগুলো সব অভিনয়। তারা ব্যক্তিজীবনেও সেরকম আচরণ কামনা করে। আর ভুল করে ভাবে যে, পর্ণগ্রাফীর পারফর্মাররা প্রতিবার সত্যি সত্যিই দীর্ঘক্ষন যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হচ্ছে।

সূত্রঃ ডেকান ক্রনিকল

যৌন জীবন ভালো রাখতে সক্ষম ২০ টি খাদ্যের কথা জেনে নিন

ভালো খাবার এবং ভালো সেক্স শর্তের মত একটি আরেকটির সাথে সম্পর্কিত। আপনার খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেলের ভারসাম্য ঠিক থাকলে শরীরে এন্ড্রোক্রাইন সিস্টেম সক্রিয় থাকবে। আর তা আপনার শরীরে এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরনের তৈরি হওয়া নিয়ন্ত্রণ করবে। এস্ট্রোজেন এবং টেস্টোস্টেরন আপনার সেক্সের ইচ্ছা এবং পারফরম্যান্সের জন্য জরুরি।

আপনি মুডে আছেন কিনা তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার খাদ্য। আপনার যৌন জীবন ভালো রাখতে সক্ষম ২০ টি খাদ্যের কথা এখানে থাকছে।

১) দুধ
বেশি পরিমাণ প্রাণিজ-ফ্যাট আছে এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য আপনার যৌনজীবনের উন্নতি ঘটায়। যেমন, খাঁটি দুধ, দুধের সর, মাখন ইত্যাদি। বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চায়। কিন্তু আপনি যদি শরীরে সেক্স হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সগুলিকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

২) ঝিনুক
আপনার যৌনজীবন আনন্দময় করে তুলতে ঝিনুক খাদ্য হিসেবে খুবই কার্যকরী। ঝিনুকে খুব বেশি পরিমানে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং লিবিডো বা যৌন-ইচ্ছা বাড়ায়। ঝিনুক কাঁচা বা রান্না করে যে অবস্থাতেই খাওয়া হোক, ঝিনুক যৌনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

৩) অ্যাসপারাগাস
আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়াতে চাইলে যেসব প্রাকৃতিক খাবার শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখে সেগুলি খাওয়া উচিৎ। যৌনতার ক্ষেত্রে সবসময় ফিট থাকতে চাইলে অ্যাসপারাগাস খেতে শুরু করুন।

৪) কলিজা
অনেকেই কলিজা খেতে একদম পছন্দ করে না। কিন্তু আপনার যৌন জীবনে খাদ্য হিসেবে কলিজার প্রভাব ইতিবাচক। কারণ, কলিজায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। আর এই জিঙ্ক শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেশি পরিমাণে রাখে। যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক শরীরে না থাকলে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নিঃসৃত হয় না। পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে যে হরমোন নিঃসৃত হয় তা টেস্টোস্টেরন তৈরি হওয়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া জিঙ্ক এর কারণে আরোমেটেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। এই এনজাইমটি অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরোনকে এস্ট্রোজেনে পরিণত হতে সাহায্য করে। এস্ট্রোজেনও আপনার যৌনতার জন্য প্রয়োজনীয় একটি হরমোন।

৫) ডিম
ডিম সারা দুনিয়াতেই উর্বতার প্রতীক হিসাবে চালু আছে। কিন্তু খাদ্য হিসাবে ডিম আপনার যৌন সামর্থ্য বাড়াতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। ডিমে প্রচুর পরিমাণে বি-ফাইভ, বি-সিক্স থাকে। বি-ফাইভ এবং বি-সিক্স হরমোন লেভেলের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং ক্লান্তি দূর করে।

৬) ক্যাভিয়ার
ক্যাভিয়ারেও ডিমের মত বি-ফাইভ এবং বি-সিক্স ভিটামিন থাকে।

৭) কলা
কলাতে প্রচুর পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি এবং ব্রুমাইল্ড এনজাইম থাকে। এইসব উপাদান যৌন আসক্তি বাড়ায়।

৮) মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু শুধু শর্করার ভালো বিকল্পই না, মিষ্টি আলু খুব ভালো ধরনের একটি ‘সেক্স’ ফুড। আপনার শরীর কোনো সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন পেলে তা ভিটামিন-এ তে রূপান্তরিত করে। এই ভিটামিন-এ নারীদের যোনি এবং ইউটেরাসের আকার ভালো রাখে। তাছাড়া এটা সেক্স হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।

৯) কফি
কফি আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার যৌনতার মুড ঠিক রাখে।

১০) চকোলেট
চকোলেট স্বাদ আপনাকে আনন্দে থাকতে সাহায্য করে। চকোলেটে থিওব্রোমাইন নামে এক ধরনের কেমিক্যাল থাকে। এই এলকালয়েড জাতীয় যৌগটি ক্যাফেইনের মত কাজ করে। এই যৌগের কারণে সেরেটোনিন তৈরি হয়। এই সেরেটোনিন আপনার যৌন ইচ্ছার জন্য দরকারী।

১১) কুমড়ার বীচি
কুমড়ার বীচি জিঙ্ক-এর অন্যতম সেরা প্রাকৃতিক উৎস। এই জিঙ্ক টেস্টোস্টেরোনের মাত্রা বাড়ায়। আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ানোতে কুমড়ার বীচির কার্যকারিতা অনেক।

১২) ট্রাফল (একধরনের ছত্রাক)
ট্রাফলে পুরুষের যৌন হরমোনের মত একধরনের উপাদান থাকে। কিছু কিছু খাবারে ট্রাফলের এই বিশেষ কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়। যার ফলে, নারীদের পুরুষের প্রতি লিবিডো বা যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। যেমন ম্যাশড পটেটোতে ট্রাফলের ব্যবহার করা হয়।

১৩) জয়ফল
ভারতীয় গবেষকদের মতে, জয়ফল থেকে এক ধরনের কামোদ্দীপক যৌগ নিঃসৃত হয়। সাধারণভাবে এই যৌগটি স্নায়ুর কোষ উদ্দীপিত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে আপনার যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি পায়। আপনি কফির সাথে মিশিয়ে জয়ফল খেতে পারেন, তাহলে দুইটির কাজ একত্রে পাওয়া সম্ভব।

১৪) সূর্যমুখীর বীজ
ওটমিল এবং কুমড়ার বীচির মত সূর্যমুখীর বীজ হরমোন বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে আপনার যৌন আকাঙ্ক্ষাও বাড়ে। সূর্যমূখীর বীজে যে তেল থাকে তা এই কাজটি করে।

১৫) মাছ
ফ্যাটযুক্ত মাছ আপনার যৌন ইচ্ছা বাড়ায়। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ। যেমন, হেরিং মাছ, ট্রাউট, সার্ডিন, টুনা ইত্যাদি মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে। এই কারণে যাদের লিবিডো কম আছে তারা মাছের তেল বা ফিশ-অয়েল সম্পূরক খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

১৬) চীনা বাদাম
চীনা বাদামে প্রচুর জিঙ্ক থাকে। এই জিঙ্ক শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় এবং শক্তিশালী শুক্রাণু তৈরি করে। জিঙ্ক কম থাকলে শরীরে শতকরা ৩০ ভাগ কম বীর্য তৈরি হয়। যারা খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে কম জিঙ্ক গ্রহণ করে তাদের বীর্য এবং টেস্টোস্টেরনের ঘনত্ব দুটিই কমে যায়।

১৭) শিমের বিচি
সীমের বীচিতে প্রচুর ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। এটা আপনার যৌন ইচ্ছা এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়। জাপানিরা যৌন ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য খাবারে প্রচুর সিমের বীচি ব্যবহার করে থাকে।

১৮) রোস্ট গরুর মাংস
কলিজার মত গরুর মাংসেও প্রচুর জিঙ্ক থাকে। তাই আপনি যৌন জীবনকে আরো আনন্দময় করতে কম ফ্যাটযুক্ত গরুর মাংস খান। যেমন গরুর কাঁধের মাংসে, রানের মাংসে কম ফ্যাট থাকে এবং জিঙ্ক বেশি থাকে। এইসব জায়গার মাংসে প্রতি ১০০ গ্রামে ১০ মিলিগ্রাম জিঙ্ক থাকে।

১৯) অ্যাভোকাডো
অ্যাভোকাডোকে এর আকৃতির কারণে একে নারী ফল হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তবে শুধু এর আকৃতিই আকর্ষণীয় না, এতে প্রচুর ভিটামিন বি-সিক্স এবং পটাসিয়াম থাকে। এর ফলে এটা খেলে আপনার যৌন ইচ্ছা এবংযৌন সামর্থ্য বৃদ্ধি পায়। এই ফলের এই নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যটির কারণে একে স্প্যানিশ প্রিস্টরা নিষিদ্ধ করেছিল।

২০) ওটমীল
ওটমিলে প্রচুর পরিমাণে ফাইটোস্ট্রোজেন থাকে। যেসব দানাজাতীয় শশ্যে আবরণ থাকে তাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে। যেমন গম, চাল, রাই ইত্যাদি। ফাইটোস্ট্রজেন আপনার যৌন জীবনের জন্য খুবই কার্যকরী।

আপনার হাতের তালুতে পেঁয়াজ ঘষুন আর দেখুন ম্যাজিক

পেঁয়াজে এমন কিছু উপাদান আছে, যা শরীরে সংস্পর্শে এলে রোগের জ্বালা কমাতে শুরু করে। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে পেঁয়াজ খেতে হবে না। বরং হাতের তালুতে ঘষলেই কাজ হবে। জ্বালা-পোড়া, জ্বর, গলাব্যথা, কাশি, পিরিয়ডের যন্ত্রণা ও ত্বকের সমস্যয় এখন আর ডাক্তারের চেম্বারে দৌড়াতে হবে না। এসব রোগ থেকে আপনাকে রক্ষা করবে পেঁয়াজ!

এখন প্রশ্ন আসতে পারে কীভাবে?

গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁয়াজে উপস্থিত কিউয়ারসেটিন নামক একটি উপাদান হাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে বেশ কিছু রোগ সারাতে সাহায্য করে। এই সবজিতে অ্যান্টিসেপটিক প্রপাটিজ রয়েছে, যা ক্ষত স্থানে যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়।

পেঁয়াজে আর কী কী রোগ মুক্তির জাদু আছে জেনে নিন:

পুড়ে গেলে:
রান্না করতে গিয়ে হাত পুড়ে গেলে একটু পিঁয়াজ কেটে ক্ষতস্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন। দেখবেন জ্বালা-যন্ত্রণা কমে গেছে। এছাড়া পোড়া দাগ মেটাতেও পিঁয়াজ দারুণ কাজ করে।

ত্বকের সৈন্দর্য বাড়ায়:
পরিমাণ মতো পেঁয়াজের রসে অল্প করে হলুদ মিশিয়ে সেই মিশ্রণটা নিয়মিত মুখে লাগান। দেখবেন অল্প দিনেই মুখের দাগগুলো মুছে যাবে। সেই সঙ্গে স্কিনের জেল্লাও বাড়বে।

পিরিয়ডের ব্যথা কমায়:
মাসের এই বিশেষ সময়ে যত পারবেন কাঁচা পিঁয়াজ খাবেন। পেঁয়াজ হল প্রকৃতিক পেইনকিলার, যা অল্প সময়ে ব্যথা কমাতে দারুন কাজে আসে।

গলার ব্যথা হলে:
অল্প করে পেঁয়াজ নিয়ে গরম পানিতে ফোটান, এরপর ঝটপট ওই পানি পান করুন। এমনটা কয়েকবার করলেই দেখবেন গলার ব্যথা কমে গেছে। পেঁয়াজে উপস্থিত অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের অন্দরে তৈরি হওয়া যে কোনো ধরনের প্রদাহ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

নখের ওপরের চামড়া তুলে দেয়:
অনেকেরই নখের ঠিক উপরে আঙুলের অংশে উল্টো দিকে চামড়া ওঠে। এমনটা হলে খুব কষ্ট হয়। এক্ষেত্রে কম করে এক ঘণ্টা যেখানে চামড়া উঠছে সেখানে পেঁয়াজ চেপে রাখুন। সময় হয়ে গেলে দেখবেন পেঁয়াজের সঙ্গে সঙ্গে চামড়াও উঠে এসেছে।

চুলকানি কমায়:
মশা ও মৌমাছির কামড়ে হাত-পা চুলকালে ওই স্থানে এক টুকরো পেঁয়াজ ঘষুন। তাহলেই দেখবেন যন্ত্রণা কমে গেছে। আসলে পেঁয়াজ তার শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় সালফার। এই উপাদানটি যে কোনো ধরনের ইরিটেশন কমাতে দারুন কাজে আসে।

কানের যন্ত্রণা কমায়:
কয়েক টুকরো পেঁয়াজ ১৫ মিনিট পুড়িয়ে নিন। এরপর সেই পেঁয়াজের রসটা সংগ্রহ করুণ। কান ব্যথা হলে ওই রস ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করুন। অল্প সময়ের মধ্যেই দেখবেন ব্যথা কমে গেছে।

নাক পরিষ্কার করে:
বর্ষাকালে সর্দি-কাশি তো লেগেই থাকে। সেই সঙ্গে নাক দিয়ে পানি পড়ে। এমন অবস্থায় অ্যালোপ্যাথি ওষুধ না খেয়ে মাঝারি মাপের একটা পিঁয়াজ গন্ধ নিন। দেখবেন কয়েক মিনিটেই নাকের ব্লকেজ উধাও হয়ে যাবে।

জ্বর হলে:
শ্রাবণে হঠাৎ ঠাণ্ডা জ্বর হলে একটা মাঝারি মাপের পেঁয়াজ দু টুকরো করে মাথার কাছে রেখে দিন। আর কিছু করতে হবে না। দেখবেন কয়েক দিনেই একেবারে চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন। এছাড়া একটা পেঁয়াজকে দু’টুকরো করে মোজার মধ্যে নিয়ে পায়ে পড়ে ঘুমান। সকালে উঠে দেখবেন জ্বর থাকবে না।

জেনে নিন মাত্র ৫ টাকায়, কিডনির যন্ত্রণা থেকে বাঁচার প্রাকৃতিক উপায়!

কিডনি মানুষের শরীরের এক অন্যতম প্রয়োজনীয় অঙ্গ। কিডনির মূল কাজ হল, আবর্জনা আলাদা করে, মূত্রের সাথে শরীর থেকে সেটা বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা। কিডনি কোনরকম সমস্যা হলে,সারা শরীরের ক্রিয়াকর্মে সেটা ব্যাঘাত ঘটায়।

যখন আবর্জনা শরীরে একত্রিত হতে থাকে,তখন শরীরে নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়, এমনকি কিডনি যন্ত্রনার কারণ হয়। তাই কিডনির সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা খুবই প্রয়োজনীয়।

এখানে কিছু প্রাকৃতিক উপায়ের কথা উল্লেখ করা হল, যা কিডনি যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিবেঃ-

১। পর্যাপ্ত পানি পান করাঃ প্রচুর মাত্রায় জল খেলে শরীরের আদ্রতা বজায় থাকে। এর ফলে, মূত্রস্থলীতে জমে থাকা পাথরগুলো বেরিয়ে যায়। আর নাহলে এ পাথার গুলোই ব্যাথার আসল কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই সারাক্ষন পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।

২। তরমুজের বীজঃ তরমুজের বীজ আপনার কিডনি আবর্জনা মুক্ত করে এবং পরিস্কার করতে সাহায্য করে। ফুটন্ত গরম জলে, এক চামচ তরমুজের বীজ দিন। ৫ মিনিট মত ঢেকে রেখে দিন। তারপর ছেঁকে নিয়ে, ওই জলটা দিনে ২-৩ বার খান। তবেই কিডনির যন্ত্রনার হাত থেকে মুক্তি মিলবে।

৩। লেবুর রসঃ একটা লেবুর রস বের করে নিন। এটাকে এক গ্লাস জলে মিশিয়ে, রোজ সকালে খালি পেটে খান। লেবুতে আছে এ্যাসেটিক এ্যাসিড,যা পাথর গলাতে সাহায্য করে এবং কিডনিতে জমা বিষাক্ত পদার্থ পরিত্যাগে সহায়তা করে।

৪। জলপাই তেলঃ কিডনি যন্ত্রনার হাত থেকে মুক্তি পেতে জলপাই তেলের জুড়ি মেলা ভার। এক চা চামচ লেবুর রসের সাথে,এক চা চামচ জলপাই তেল মেশান। এটা দিনে একবার খান। এতে কিডনি যন্ত্রনার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

৫। তুলসী পাতাঃ তুলসী পাতা- এক অতি পরিচিত প্রাকৃতিক উপাদান, যা কিডনিকে শক্তিশালী করে, এবং কিডনি পরিস্কার করে। এক চা চামচ তুলসীর রস নিন,এবং সেটা মধুর সাথে মেশান। দিনে এটা একবার করে ৩-৪ মাস খেতে হবে। এত যদি কিডনির পাথরের সমস্যা থাকে, তাহলে সেটা দূর হবে।

মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট উদ্বোধন

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ রেল স্টেশনে আজ শনিবার একটি ওয়াটার ট্রিটম্যান্ট প্ল্যান্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি।

এতে মোহনগঞ্জ স্টেশন ব্যবহারকারী ৫ হাজারের বেশি যাত্রী এই পানির প্ল্যান্ট থেকে উপকৃত হবেন। প্ল্যান্টটি ঘন্টায় ৫০০ লিটার বিশুদ্ধ পানি উৎপাদন করবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান। এ সময় রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড পিপল অফিসার মতিউল ইসলাম নওশাদ ও ওয়াটার এইড বাংলাদেশ’র কান্ট্রি হেড ড. মো. খায়রুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতন, সাধারণ সম্পাদক শহীদ ইকবাল, মোহনগঞ্জ ইউএনও নিজাম উদ্দিন আহাম্মেদ, মোহনগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল হক, নেত্রকোনা পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম খান, নেত্রকোণা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার রায়, নেত্রকোনার পুলিশ সুপার জয়দেব চৌধুরী, নেত্রকোনার ডেপুটি কমিশনার মো: মুশফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ রেলওয়ে’র ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার মো. আরিফুজ্জামান।

কম ঘুমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা

খাওয়া-দাওয়া ঠিকঠাক। নিয়মিত শরীরচর্চাও করছেন। ভাবছেন সব ঠিক আছে। কিন্তু, প্রতিদিন সাত ঘণ্টা ঘুমোচ্ছেন তো? তার চেয়ে কম ঘুম মানেই মহাবিপদ। হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা, সেটা হতে পারে ঘুমের মধ্যেই।

ঘুম আসছে না? হাঁকাহাঁকি, ডাকাডাকি করেও ঘুম অধরা? ঘুমের আর দোষ কোথায়? শরীরের বেয়াড়াপনায় ঘুমও বলছে পালাই পালাই। শরীরের নাম যতই হোক মহাশয়, অবাধ্য লাইফস্টাইলে শরীরের দফারফা হবেই। আর পর্যাপ্ত ঘুম না হলে তো মারাত্মক বিপদ। কম ঘুম মানেই উদ্বেগ, ডিপ্রেশন, অল্পে বিরক্তি, খিটখিটে স্বভাব, মোটিভেশনের অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতার অভাব, মনোযোগের অভাব, পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করার প্রবণতা বাড়তে থাকে।

শুধু তাই নয়, চিকিৎসকদের দাবি, ঘুমের মধ্যেই হবে হার্ট অ্যাটাক। সুস্থ থাকতে খেলাধুলা, শরীরচর্চা কিছুই কাজে লাগবে না। যতই খান পুষ্টিকর খাবার, যতই ওজন রাখুন আয়ত্তে, ৭ ঘণ্টার কম ঘুম মানেই মৃত্যুকে হাতছানি দিয়ে ডাকা।

আমেরিকার ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশনের ঘুম বিশেষজ্ঞদের দাবি, ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের রাতে অন্তত ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। ৬ থেকে ১৩ বছর বয়সীদের রাতে অন্তত ৯-১০ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। টিনএজার অর্থাৎ ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের ঘুমোতে হবে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা। প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ অর্থাৎ ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের ঘুম প্রয়োজন ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা। ২৬ থেকে ৬৪ বছর বয়সীদের ঘুমোতে হবে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা। ৬৫ বা তার বেশি বয়সীদের নিউরনের একটি অংশ নষ্ট হতে থাকে। ফলে ঘুম কমে যায়। কিন্তু ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোতেই হবে।

৫ ঘণ্টার কম ঘুমোলে ব্লাড প্রেশার বাড়বে ৩৫০ থেকে ৫০০ শতাংশ। হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয় ৩৯ শতাংশ। সারাদিন শরীর থাকবে ক্লান্ত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকবে। ৬ ঘণ্টার কম ঘুমোলে হৃদরোগের সম্ভাবনা বাড়ে ৮ শতাংশ। ৭ ঘণ্টা ঘুমাতেই হবে।

কিন্তু নানা কারণে যদি ঘুম না আসে, তাহলে উপায়? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ঘুমের নির্ধারিত সময় মেনে চলতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। বেডরুমের তাপমাত্রা, আলো এবং শব্দ হতে হবে ঘুমের আদর্শ। বিছনা ও বালিশ হতে হবে আরামদায়ক। বর্জন করতে হবে অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন। ঘুমোতে যাওয়ার আগে বেডরুমে সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করে দিতে হবে। তাহলেই ঘুম আসবে নিশ্চিন্তে।

ভিডিও নিউজ : মূহুর্তেই যে ভাবে আপনার শিশুর কান্না থামাবেন !!! দেখেনিন কিভাবে (ভিডিও সহ)