আবার হজে যাচ্ছেন অনন্ত জলিল












ওমরাহ করতে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার নায়ক অনন্ত জলিল। রোববার দুপুরে নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি ভিডিও বার্তা পোস্ট করে তিনি নিজেই জানিয়েছেন সেই খবর। সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমি আজ ওমরাহ পালনে সৌদি আরব যাচ্ছি। প্রথমে মদিনায় যাব। ওখানে তিন দিন থাকার পরে মক্কায় যাবো। আপনারা সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ যেনো আমার হজ কবুল করেন ও সহজ করেন।’

অনন্ত আরও বলেন, ‘আমিও আপনাদের সবার জন্য দোয়া চাইবো এবং দেশের জন্য দোয়া চাইবো। আপনারা যেনো ঈমানের সাথে মরতে পারেন। ঈমান মজবুত রেখে কাজ করতে পারেন। সবাই সৎ পথে চলুন, পাঁচ ওয়াক্ত নামজ পড়ুন ও দেশের জন্য ভালো কাজ করুন।’

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়ক অনন্ত জলিল বেশ কিছুদিন থেকেই সিনেমা থেকে দূরে সরে আছেন। এখন ব্যবসা, পরিবার আর ধর্ম-কর্ম করেই সময় কাটাচ্ছেন তিনি। এই বছরের শুরুতেও তিনি একবার ওমরা হজ পালন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ঢাকাই ছবিতে অভিষিক্ত হন অনন্ত জলিল। তার অভিনীত ছবিগুলো- খোঁজ দ্য সার্চ, হৃদয় ভাঙা ঢেউ, দ্য স্পিড, মোস্ট ওয়েলকাম’, ‘মোস্ট ওয়েলকাম টু’ ও ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’।

এছাড়া অনন্ত জলিল ‘দ্য স্পাই’ ও ‘সৈনিক’ নামে দুটি ছবি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন অনেক আগেই। এখনও ছবি দুটির কাজ শুরু হয়নি।




খাগড়াছড়িতে এবার তাহসান, যা করবেন












মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সোমবার সম্প্রীতির বিজয় কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে খাগড়াছড়িতে। খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে বিকেল তিনটা থেকে কনসার্ট শুরু হবে।

এতে অংশ নিচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তাহসান। তাহসানের সাথে রাঙামাটির মেয়ে তিশা চাকমাও কনসার্টে সংগীত পরিবেশনার কথা রয়েছে।

এছাড়াও স্থানীয় শিল্পীরা গান পরিবেশনায় থাকবেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নৃত্য শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকছে নৃত্য পরিবেশনা। এছাড়া আতশবাজি, ফানুস, লেজার শোসহ থাকছে নানা আয়োজন।

সম্প্রীতির বিজয় কনসার্টের প্রচারণার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে বিলবোর্ড, ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে।

খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়ন থেকে গণমাধ্যমে প্রেরিত প্রচারপত্রে এবারের শ্লোগান রাখা হয়েছে ‘জ্ঞান, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও শান্তির বন্ধনে খাগড়াছড়ি’। পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বাসিন্দাদের নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে অবদান রাখছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।




শাকিবের সিনেমা ‘সুপার হিরো’ চূড়ান্ত নয়!












হার্টবিট কথাচিত্রে প্রযোজনায় একটি সিনেমায় শাকিব খান অভিনয় করবেন এ খবর পুরানো। নতুন খবর হচ্ছে আশিকুর রহমান পরিচালিত সিনেমাটির নাম হচ্ছে ‘সুপার হিরো’। শাকিবের বিপরীতে সিনেমাটিতে অভিনয় করবেন বুবলি।

অবশ্য পরিচালক আশিকুর রহমান বলেন, সিনেমার নাম ‘সুপার হিরো’ চূড়ান্ত নয়। আমরা প্রাথমিকভাবে নামটি রেখেছি। নাম পরিবর্তন করলে খুব শিগগিরই তা ঘোষণা দেব।

সিনেমাটির অধিকাংশ শুটিং হবে অস্ট্রেলিয়ায়। আগামী ২৪ ডিসেম্বর শাকিব খান অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন। পরিচালক জানালেন, সিনেমাটি নির্মিত হবে অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী গল্পে। গল্প লিখছেন দেলোয়ার হোসেন দিল।

শাকিব-বুবলি ছাড়াও সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করবেন তারিক আনাম খান। শাকিব বর্তমানে ভারতের হায়দরাবাদে অবস্থান করছেন রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘নোলক’ সিনেমার শুটিংয়ে। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে আছেন ববি। সেখান থেকে ২২ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এরপর অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার কথা।




শাকিব সম্পর্কে যা বললেন মনির খান












‘শাকিব এখন শুধু এদেশের জনপ্রিয় নায়ক নয়, কলকাতায়ও দেখেছি তার বেশ চাহিদা রয়েছে। এক সময় তার জনপ্রিয়তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছড়িয়ে পড়বে।’

সঙ্গীত ও ব্যক্তি জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ঢাকাই ছবির জনপ্রিয় তারকা শাকিব খান সম্পর্কে এভাবেই বলেন দেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মনির খান।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই সঙ্গীত শিল্পী এসময় শাকিবের প্রসংশা করে বলেন, শাকিব খান শুধু সুপারস্টার নয়, ভালো মানুষও। তার সঙ্গে আমার দেশে-বিদেশে অনেক স্টেজ শো করার সৌভাগ্য হয়েছে। আমি দেখেছি তার কথা-বার্তা আচার-আচরণ অমায়িক। সদালাপী, হাসি মুখে কথা বলেন। তার অভিনীত সিনেমাও আমি দেখেছি, চমৎকার অভিনয় করেন।

তিনি আরও বলেন, সিনেমায় আমি ৩০০ গান করেছি এর মধ্যে ৫০টির বেশি হবে শাকিব খানের সিনেমা। আমার এসব গানে শাকিবের লিপ মেলানো রয়েছে।

প্রসঙ্গত, মনির খানের প্রথম আ্যালবাম ‘তোমার কোনো দোষ নেই’ ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমার গানে শ্রেষ্ঠ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জনপ্রিয় এই শিল্পী তিন বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন।

এদিকে, শাকিব খান বর্তমানে রাশেদ রাহা পরিচালিত ‘নোলক’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। এতে শাকিবকে দেখা যাবে এক বাইক রেসারের চরিত্রে এবং তার বিপরীতে আবেদনময়ী ববি রয়েছেন একজন সাদামাটা মেয়ের চরিত্রে।




বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে দেরি না করে নিজেকে করুন এই ৫ প্রশ্ন!


২০১৭ ডিসেম্বর ১৭ ২১:৩৮:২৯

বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলে দেরি না করে নিজেকে করুন এই ৫ প্রশ্ন!

চলে এসেছে বিয়ের মৌসুম। আসলে শীতটাই উৎসবের ঋতু। তবে বিয়ের জন্যে বছরের পুরো সময়টাই উন্মুক্ত। অবশ্য বিয়ের সিদ্ধান্ত তো আর মৌসুম দেখে নিতে হয় না। এ সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে অনেক ধরনের বাস্তবতা। বিয়ে করতে মন চাইলেও, মন চাইলেই বিয়ে করা উচিত নয়। এর জন্যে ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রস্তুতি দরকার। তবে যদি কেউ করতেই চান, তবে তাদের কিছু প্রশ্নের পছন্দসই উত্তর মেলা জরুরি। বলতেই হয়, জীবনের সবচেয়ে কঠিন

সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে এটা একটা। এ কাজে পা বাড়ানোর আগে অবশ্যই দ্বিতীয়বার ভেবে নেওয়া দরকার। বিশেষজ্ঞরা বিয়ের পরিকল্পনা করছেন বা ইচ্ছে হচ্ছে বা ভবিষ্যতে করবেন- এমন মানুষদের জন্যে গুটিকয়েক প্রশ্ন তুলে ধরেছেন। এদের উত্তর খুঁজুন। বুঝে যাবেন, বিয়েটা এখনই করা যাবে কি না? বিশেষ করে বর্তমান যুগকে বিবেচনায় রেখে এই প্রশ্নগুলো তৈরি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. সব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড শেয়ার করতে প্রস্তুত আপনি?
এটা আসলেই খুব কঠিন এক বিষয়। কিন্তু সঙ্গী-সঙ্গিনীকে কি আর সব পাসওয়ার্ড দিয়ে দেওয়া যায়? কিন্তু বিয়ের পর বিশ্বস্ততা আনতে দুজনের একজন বা উভয়ই দাবি করে বসতেই পারে। আর সেই বিশ্বস্ততার পরীক্ষায় পাস করতে হবে। না করলেও কিন্তু বিপদ। অশান্তি শুরু হবে। কাজেই বিয়ের আগে আপত্তি উঠতে পারে এমন কোনো সম্পর্ক বা ডিজিটাল সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সততার প্রমাণে সব পাসওয়ার্ড জীবনসঙ্গীকে দেওয়ার সাহস থাকতে হবে।

২. বিরক্তিকর অভ্যাস বা বদভ্যাস এখনও ধরে রেখেছেন?
আপনার নানা কাজে প্রায়ই বন্ধু-বান্ধব বা পরিবারের লোকজন বিরক্ত হয়ে থাকেন? হয়তো পাত্তা দেন না আপনি। কিন্তু অনেকে বিরক্তি প্রকাশ করে থাকলে বুঝতে হবে আপনার মধ্যে একাধিক বদভ্যাস রয়েছে। বিয়ের পর কিন্তু পাত্তা না দিয়ে এসব ধরে রাখলে চলবে না। এ বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। কারণ ছোটখাটো মনে হলেও এগুলো দাম্পত্যজীবনের বড় সমস্যার সৃষ্টি করে।

৩. মায়ের ফোনকল কী তাকে দিতে পারেন?
একটু জটিল বিষয়, তবে প্রশ্নটা ছেলেদের জন্যে প্রযোজ্য হতে পারে। মায়ের ফোনকল আসলেই অধিকাংশ ছেলেদের স্ত্রীর কাছ থেকে একটু দূরে গিয়ে তা রিসিভ করতে দেখা যায়। এখানে বউয়ের সঙ্গে স্বামী আর শাশুড়ির বিস্তার ফারাকের দৃশ্যই ফুটে ওঠে। এটা নিশ্চয়ই সুখী দাম্পত্যজীবনের লক্ষণ নয়। কাজেই বিষয়টি আপনাকেই ঠিক করার মানসিকতা রাখতে হবে। যদি আপনি তেমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তো, বিয়ের চিন্তা করতে সমস্যা নেই।

৪. বিনিময় ছাড়া পয়সা ধার হিসেবে দেওয়া বা এমনিতেই দেওয়ার মানসিকতা আছে?
এটা সবচেয়ে জটিল এক বিষয়। বিয়ের পর অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে রাখা সবচেয়ে চিন্তার। আধুনিক মেয়েরা চাকরিজীবী বা ব্যবসায়ী হন। আবার অনেকেই বিয়ের পর গৃহিনী হিসেবে সংসার করতে চান। তখন স্ত্রীর সব খরচ স্বামীকেই চালাতে হয়। এক হিসেবে চিন্তা করলে, আপনি একজনকে পয়সা দিচ্ছেন, কিন্তু বিনিময়ে কিছু চাইছেন না। এটা অফেরতযোগ্য খরচ। যদি সেই মানসিকতার হন তো সমস্যা নেই।

৫. বাড়ির কাজে হাত লাগাতে প্রস্তুত?
হয়তো সারাদিন শুয়ে-বসে থাকেন। কিংবা দৌড়-ঝাঁপেই দিন কাটে আপনার। যাই করেন না কেন, বাড়ির কাজে হাত লাগানোতে আপনার কোনো ইচ্ছাই নেই। কিন্তু বিয়ের পর সব দায়িত্ব বউয়ের ওপর ছেড়ে দিলে চলবে না। বাড়ি সামলানো আরো অনেক বেশি ঝক্কির কাজ। তাই অমানবিক হবেন না। ঘরের কিছু কাজের দায়িত্ব হাসিমুখে নিজের কাঁধে নিন।

‘অন্তর জ্বালায়’ আমি অভিনেতা হওয়ার চেষ্টা করেছি : জায়েদ খান












শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে মালেক আফসারী পরিচালিত সিনেমা ‘অন্তর জ্বালা’। এতে অভিনয় করেছেন জায়েদ খান। নতুন সিনেমা নিয়ে তিনি বেশ উৎফুল্ল। কেমন ছিল তার কাজের অভিজ্ঞতা? জানালেন নিজেই…..
‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমায় চরিত্রের প্রয়োজনে আপনি রোদে পুড়ে তামাটে রঙ ধারণ করেছিলেন?

এই সিনেমার জন্য আমি অনেক কষ্ট করেছি। আগে যে সিনেমাগুলোতে কাজ করেছি, নায়ক হওয়ার চেষ্টা ছিল; এখানে

আমি অভিনেতা হওয়ার চেষ্টা করেছি। আপনি ঠিকই জেনেছেন, চরিত্রের প্রয়োজনে আমাকে রোদে পুড়ে তামাটে রঙ ধারণ করতে হয়েছে এবং টানা দুদিন না খেয়ে থেকেছি। আমি খুবই আনন্দিত এই ছবিতে কাজ করে। সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে আমি ভাঙার চেষ্টা করেছি। এসব কিছু করার কারণ হচ্ছে দর্শককে একটি ভালো সিনেমা উপহার দেওয়া। ‘অন্তর জ্বালা’ সিনেমার গল্পটিও অন্যরকম। প্রয়াত নায়ক মান্নার একজন অন্ধ ভক্তের কাহিনি নিয়ে এই সিনেমার গল্পটি নির্মিত হয়েছে। সেই অন্ধ ভক্তের চরিত্রে আমি অভিনয় করেছি। আমার সহশিল্পী ছিলেন পরী মনি। খুবই কো-অপারেপিভ অভিনেত্রী। ভালো অভিনয় করেছেন। মানুষ হলে গেলে ভালো একটা সিনেমা দেখতে পারবেন বলে মনে করি। এই ছবিতে আরো যারা অভিনয় করছেন, তারাও ভালো করেছেন। যেমন- নবাগত জয় চৌধুরী, মৌমিতা মৌ, প্রয়াত খল অভিনেতা মিজু আহমেদ, সাঙ্কু পাঞ্জা, রেহেনা জলী, বড়দা মিঠু ও চিকন আলী।

এখন পর্যন্ত কেমন দর্শকসাড়া পাচ্ছেন?

ভালো সাড়া পাচ্ছি। কারণ আমি নিজে হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছি। মানুষের আবেগ এবং কান্নাকে কাছে থেকে সরাসরি দেখেছি। আর অনেক মানুষ আমাদের ‘অন্তর জ্বালা’ টিমকে ফোনে, ফেসবুকে ও সাক্ষাতে তাদের ভালোলাগার কথা জানিয়েছে। এখন পর্যন্ত খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি।
আপনারা এই সিনেমার প্রচারণার জন্য কিছু অভিনব কৌশল নিয়েছেন?

প্রথমে ঢাকা ডায়নামাইটসে গিয়েছিলাম। খেলার মাঠে অনেক ভক্তদর্শক পেয়েছি আমরা। তারা আমাদের সঙ্গে নেচেছে, অংশ নিয়েছে। রাজপথে আমরা ঘোড়ার গাড়ি করে প্রচারণায় গিয়েছিলাম। প্রচারণার কাজে আমি প্রযোজক ছিলাম। অনেকদিন পর এভাবে সিনেমার প্রচারণা হয়েছে। মানুষের ভীষণ সাড়া পেয়েছি। এটা অনেকে পছন্দও করেছেন। আর একটা ব্যাপার ছিল, ফেসবুকে সিনেমার পোস্টার শেয়ার করার প্রতিযোগিতা। সেখানে পুরস্কারের ব্যবস্থা ছিল। প্রথম পুরস্কার হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা পেয়েছে সানজিদা নামের একটি মেয়ে। তাকে নিয়ে আমরা ‘অন্তর জ্বালা’ টিম মধুমিতায় একসঙ্গে ছবি দেখেছি। অল্পবয়েসী একটা মেয়ে। কিন্তু মেয়েটা কী ভালো দেখেন- এতগুলো টাকা পেয়ে সে শীতার্ত মানুষের জন্য কাপড় কিনে বিলি করেছে।

নতুন কাজের কথা কিছু বলুন?

এখন কয়েকটি ছবিতে কাজ করছি। নতুন সিনেমায় কাজের কথাও চলছে। মুক্তির অপেক্ষায়ও আছে ছবি। কিন্তু এখন আমি ‘অন্তর জ্বালা’র ঘোরে আছি। অন্যকিছু এখন ভাবছি না।
‘অন্তর জ্বালা’ চলচ্চিত্র দিয়ে খুলছে বন্ধ থাকা ১৭টি প্রেক্ষাগৃহ- এমন একটি খবর বেরিয়েছিল?

ঢাকার বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ঘটনা। অনেকদিন ধরে সেই হলগুলো বন্ধ ছিল। তারা হয়তো আগামী রোজার ঈদে সিনেমা চালাবে- এমন পরিকল্পনা ছিল। হল রঙ করা এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করছিল। কিন্তু ‘অন্তর জ্বালা’ ছবির ট্রেলার দেখে এবং নানারকম প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ১৭টি হল আমাদের এই সিনেমাটা প্রদর্শন করছে। এটা খুব এটা আনন্দের খবর।

মানুষের ভালোবাসা কেমন উপভোগ করেন?

এটা অবশ্যই এঞ্জয় করি। কারণ দেশে কোটি কোটি মানুষ- কে কাকে চেনে? কাজেই মানুষ আমার সিনেমা দেখে আমাকে চেনে এবং ভালোবাসে, এটা আমি খুবই উপভোগ করি। এটা আমার পরম সৌভাগ্য। বাইরের গেলে মানুষ যখন কাছে এসে কথা বলে, আমাকে জড়িয়ে ধরে, ছবি তুলতে চায়- আমি খুব আনন্দ পাই। এর সবকিছুই আমার আল্লাহর অনুগ্রহ। তার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।




বাবা ক্লাস এইট ফেল, আমি টেন পাশ: রণবীর












ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বলিউডের অনেক তারকার কাছে সব সময় সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না। আর যদি পড়াশোনায় ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে অনেকেই হয়ত সত্যিটা লুকিয়ে রাখতে চাইবেন। কিন্তু রণবীর কাপূর তাদের মধ্যে ব্যতিক্রম একজন মানুষ।

সম্প্রতি নিজ থেকেই নিজের পড়াশোনার কথা জানালেন এই অভিনেতা- এক সাক্ষাৎকারে রণবীর বলেন, পড়াশোনায়

নাকি তার একেবারেই মন ছিল না। আর খারাপ রেজাল্ট হলেই মা অর্থাৎ নীতু কপূর রণবীরের বাবা ঋষি কপূরকে কমপ্লেন করার ভয় দেখাতেন!

এই অভিনেতা বলেন, আমার রেজাল্ট বেরনোর সময় মা স্কুলে যেত। আর আমি প্রত্যেকবারই বলতাম, আরো ভাল করে পড়ব। ভাল মার্কস পাব। কোনও সাবজেক্টে ফেল করব না। তখন আমার মা বলত, যদি কোনও সাবজেক্টে লাল কালির দাগ থাকে তা হলে বাবাকে বলে দিব। আমি সেটাও খুব ভয় পেতাম।

তারপর রণবীর মজা করে বলেন, ও হ্যাঁ ভাগ্যিস সে সময় টুইটার ছিল না। না হলে বাবা হয়ত আমার মার্কস টুইট করে দিত।

এই অভিনেতা আরো বলেন- বাবা ফুটবল খেলতে ভালবাসতেন। কিন্তু পড়াশোনায় গড়পড়তা ছাত্রদের থেকেও নাকি তিনি খারাপ ছিলেন। তবে তার পরিবারে তিনি সবচেয়ে বেশি শিক্ষিত।

রণবীর বলেন, আমার বাবা ক্লাস এইটে ফেল করেছিলেন। কাকা ক্লাস নাইনে। আর দাদু ক্লাস সিক্সে। আমি সেখানে ৫৬ শতাংশ নম্বর নিয়ে ক্লাস টেনে বোর্ডের পরীক্ষায় পাশ করেছিলাম।