স্যোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই পাপড় বিক্রেতা কে?

‘সুপার ৩০’র এর পর আরেকটি ছবি ভাইরাল হল ভারতের হার্টথ্রব নায়ক হৃত্বিকের। আর এবার ভাইরাল হলো আরেকটি ছবি। বিশ্বখ্যাত ভারতীয় গণিতজ্ঞ আনন্দ কুমারের চরিত্রে রূপদানকারী হৃত্বিককে এবার দেখা যাবে সাইকেল চালিয়ে ভারতের জয়পুরের রাস্তায় পাপড় বিক্রি করতে। একটি সাধারণ মানের শার্ট আর প্যাস্টেল প্যান্ট পরা হৃত্বিককে যেন চেনাই যায় না।

এই ছবিটা পোস্ট হতে না হতেই ভাইরাল হয়ে যায়। আর এতেও খুব সাধারণ চেহারায় উপস্থিত হয়েছেন এই গ্ল্যামার কিং। তবে এটা খুবই পরিষ্কার যে, ছবিটিতে নিজের চরিত্রটিকে বিশ্বাসযোগ্য ভাবে উপস্থাপন করার সব চেষ্টাই করছেন এই বলিউড সুপারস্টার।

ছবিটি বিহারি গণিতজ্ঞ আনন্দ কুমারের জীবনীভিত্তিক। যিনি একাধারে একজন শিক্ষক ও প্রাতঃস্মরণীয় গণিত বিশারদ। তিনি প্রতিবছর ৩০ জন মেধাবী ও গরিব ছাত্রকে বিনা পয়সার পাঠদান করে থাকেন। এ কাজটি তিনি গত ১৫ বছর ধরে করে আসছেন। তিনি ইতিমধ্যেই ৪৫০ জন শিক্ষার্থীকে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ বিভিন্ন শিক্ষাকেন্দ্রে পাঠগ্রহণের জন্য নির্বাচিত করাতে সক্ষম হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৩৯৬ জন গেছেন আইআইটিতে।

কোন ক্রিকেটারকে ভালোবাসেনে আলোচিত সেই প্রিয়া প্রকাশ?‌

তার চোখের চাহনিতে উত্তাল গোটা পুরুষ সমাজ। তামাম যুবকের হৃদয়ে ঝড় তুলেছেন প্রিয়া প্রকাশ ওয়ারিয়ার। কিন্তু প্রিয়ার পছন্দের পুরুষ কে?‌ কাকে ভালোবাসেন তিনি? তিনি আর কেউ নন। মহেন্দ্র সিং ধোনি।

মালয়ালম অভিনেত্রী বলেছেন, ‘‌আমার পছন্দের ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনি।’‌ একটি সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেছেন প্রিয়া। এই মুহূর্তে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন ধোনি। টি-২০ সিরিজ খেলতে ব্যস্ত রয়েছেন দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক।

১৮ বছরের তরুণী অভিনেত্রী বলেছেন, ‘‌বরাবরই আমি ধোনির ফ্যান। মাহির আক্রমণাত্মক ক্রিকেট ও অধিনায়কত্ব আমার পছন্দ।’‌ যখন খেলা শুরু করেছিলেন। দেশের তরুণীরা ধোনির জন্য ছিলেন পাগল। বলিউড অভিনেত্রীরাও তার ব্যতিক্রম ছিলেন না।

এখন কেরিয়ারের সায়াহ্নে এসে পৌঁছেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। কিন্তু মহিলা মহলে যে তিনি আজও সমান জনপ্রিয় তার প্রমাণ মিলল আবার। যিনি জাতীয় ক্রাশ হয়ে উঠেছেন। সেই প্রিয়াও মজে মাহিতে।

বসন্ত বরণে কণ্ঠনীড়ের ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’

ফাগুন মানেই নতুন প্রাণের কলরব। কচি পাতায় নতুন আলোর নাচন। ফেব্রুয়ারির ফাগুন শুধু প্রাণ জাগাবার মাসনয়, এ মাস স্পর্ধিত সাহস ও অবিনাশী চেতনায় জেগে উঠবার মাস। এ চেতনাকেই ধারণ করে বাচিক শিল্পচর্চাকেন্দ্র কন্ঠনীড়।

ফাগুনের এই উদ্বোধনী আলোতেই গতকাল শুক্রবার এই সংগঠনের আয়োজনে নগরীর জেলাশিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আবৃত্তি সন্ধ্যা ‘পলাশ রাঙা ফাগুন’। একক আবৃত্তি, বৃন্দ পরিবেশনা, কাব্য নাটক, সঙ্গীতায়োজন মধ্য দিয়ে মনোমুগ্ধকর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাহমান নাসির উদ্দিন।আরো উপস্থিত ছিলেন এনায়েত বাজার মহিলা কলেজের সাবেক সহকারী অধ্যাপক রোকেয়া বেগম, সঙ্গীত ভবনেরঅধ্যক্ষ কাবেরী সেন গুপ্তা, বাংলাদেশ আবৃত্তি

সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদ হাসান, বাংলাদেশআবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের নির্বাহী সদস্য মাহফুজুর রহমান মাহফুজ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাচিক শিল্পচর্চাকেন্দ্রের সভাপতি সেলিম রেজা সাগর।

তাজুল ইসলাম ও পূর্ণিমা দেবনাথের সঞ্চালনায় কথামালার আয়োজন শেষে প্রাণবন্ত এক বৃন্দ পরিবেশনা উপভোগকরেন শ্রোতারা। ‘মাতৃভূমির পঙ্কতিমালা’। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সেলিম রেজা সাগর। বৃন্দ পরিবেশনা শেষে বাচিকশিল্পী তাজুল ইসলামের বলিষ্ঠ দীপ্ত কন্ঠে কবি মহাদেব সাহার কবিতা ‘একুশের গান’ দিয়ে শুরু হয় একক আবৃত্তিপরিবেশনা। একে একে শিল্পীদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় শামসুর রাহমানের ‘বর্ণমালা আমার বর্ণমালা’, সুনীলগঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পাহাড় চূড়ায়’, হুমায়ুন আজাদের ‘আমাদের মা’। মনীষা মীরার কন্ঠে এই আবৃত্তি শুনতে শুনতেদর্শকদের চোখ যেন ভেসে আসে প্রিয় মায়ের ছবি। ভেতরে ভেতরে এক বোবা কান্নায় স্তব্ধ করে দেয় সময়। এমননীরবতায় হঠাৎ প্রেমের স্পন্দন। বিবি মরিয়মের কন্ঠে পূর্ণেন্দু পত্রীর ‘সেই গল্পটা’ যেন খানিকটুকুই ছন্দ ফিরিয়েআনে মিলনায়তনে।

এরপই প্রান্তিক পাল পরিবেশন করেন সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘ছাড়পত্র’, সুকুমার রায়ের ‘ভয় পেয়োনা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন জেসমিন আক্তার, তবারিকা মাঈশার কন্ঠে কাজী নজরুলের ‘ কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’, কাজীফাতেমা হীরার কন্ঠে ময়ূখ চৌধুরী ‘পুনরাবৃত্তি’ আবৃত্তি পরিবেশনা উপভোগ করেন দর্শকরা।
শুধু কণ্ঠনীড় নয়, এ আয়োজনে আমন্ত্রিত হয়ে আসেন কবি, বিভিন্ন সংগঠনের বাচিক শিল্পী, আবৃত্তি সংগঠন।একক পরিবেশনার মাঝেই নির্মাণ আবৃত্তি অঙ্গনের কাব্যনাটক ‘কর্ণফুলীর সাম্পান’ এক ভিন্ন আবহের সঞ্চার করেমিলনায়তনে। গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় সমুদ্র টিটো। আবৃত্তি, কবিতা পাঠ, কাব্য নাটকের মধ্যে ভিন্ন আমেজ নিয়ে আসেপ্রান্তিক পাল ও শুভ্রজিৎ এর গান। এছাড়া আমন্ত্রিত কবি হাফিজ রশিদ খান, কবি খালিদ আহসান, কবি মনিরুলমনিরের কবিতা পাঠও ছিল উপভোগের মতো।  নগরীর বিভিন্ন সংগঠনের আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীরাও আবৃত্তিপরিবেশন করেন এ আয়োজনে।

ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে ‘ভাড়াটে বয়ফ্রেন্ড’ হতে চেয়ে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন তরুণ ব্যবসায়ীর

ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষ্যে সিঙ্গল মহিলাদের জন্য অভিনব ‘ভাড়াটে বয়ফ্রেন্ড’ অফার নিয়ে শোরগোল ফেললেন গুরুগ্রামের যুবক।

রাত পোহালেই ভ্যালেন্টাইনস ডে। আগামীকাল, কিশোর-কিশোরী হোক বা তরুণ-তরুণী—অনেকেই নিজের মনের মানুষের সঙ্গে দিনটি উদযাপন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

কিন্তু, এর মাঝেও, এমন অনেকে আছেন যাঁরা এখনও তথাকথিত ‘সিঙ্গল’ জীবনযাপন করছেন। বা বলা ভাল, তাঁদের ওপর এখনও সেন্ট ভ্যালেন্টাইনের কৃপাদৃষ্টি পড়েনি। ‘কিউপিড’ তাঁদের হৃদয়ভেদ করেনি। সেই তালিকায় বহু মহিলাও রয়েছেন।

আর সেই সব ‘ইচ্ছুক’ মহিলা ও তরুণীদের জন্যই এক অভিনব প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন ২৬ বছর বয়সী গুরুগ্রামের ব্যবসায়ী শকুল গুপ্ত। ভ্যালেন্টাইনস ডে-র দিন ‘বয়ফ্রেন্ড অন রেন্ট’ বা ভাড়াটে পুরুষসঙ্গী হতে চেয়ে নিজের ফেসবুকে রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়েছেন এই যুবক।

শুধু তাই নয়। বিভিন্ন প্যাকেজ ও তার দর কী হবে তাও দিয়ে রেখেছেন ওই যুবক। যেমন শুধু হাতে হাত, বা কোমরে হাত, বা চুম্বন—সবকিছুর জন্যই আলাদা আলাদা রেট। অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। শকুলের এই পোস্ট চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে তাই নয়। আলোড়নও ফেলে দিয়েছে।

এক নজরে শাকুলের দেওয়া প্যাকেজ:

প্যাকেজ ১— হাত ধরা ও কাঁধে হাত রাখা

প্যাকেজ ২— হাত ধরা, কাঁধে হাত রাখা, জড়িয়ে ধরা, গালে ও কপালে চুম্বন।

প্যাকেজ ৩— হাত ধরা, কাঁধে হাত রাখা, জড়িয়ে ধরা, গালে, কপালে ও ঠোঁটে চুম্বন।

প্যাকেজ ৪— যা চাইবেন!

নিজের ফেসবুকে এই প্যাকেজগুলির আরও বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছেন শকুল। সেখানে বলা হয়েছে, চাইলে একসঙ্গে নেটফ্লিক্স দেখবেন, তিনি মেক-আপ মডেল হতেও তৈরি তিনি।

শুধু তাই নয়, ইচ্ছুক মহিলাদের তিনি নিজের বিলাসবহুল অডি গাড়িতে বিনামূল্যে চড়াবেন বলেও জানিয়েছেন শকুল। নিজের হাতে রান্না করেও খাওয়াবেন।

এখানেই শেষ নয়। তাঁকে প্রস্তাব পাঠানোর সময় কোনও মহিলা যদি একটি বিশেষ ‘প্রোমোকোড’ ব্যবহার করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে তাঁরা অতিরিক্ত ২০ শতাংশ ছাড় পাবেন বেল আশ্বাস দিয়েছেন এই ব্যবসায়ী।

তবে, এর পাশাপাশি, কিছু কিছু বিষয়ে তীব্র আপত্তিও রয়েছে তাঁর। সেগুলিও তিনি নিজের ফেসবুকে জানিয়ে দিয়েছেন।

 

বাংলা সিরিয়ালের এই জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রকৃত জীবনসঙ্গী

 

প্রেম, ভালোবাসার কাহিনি নিয়েই তৈরি হচ্ছে একের পর এক সিরিয়াল৷ এক প্রেমিকের একাধিক প্রেমিকা কিংবা এক প্রেমিকার একাধিক প্রেমিক৷ আর তা নিয়ে দিনের পর দিন টানাপোড়েন৷ এই হচ্ছে ছোটপর্দার মেগা সিরিয়ালগুলির রসদ৷ কিন্তু সিরিয়ালের অভিনেতা-অভিনেত্রীরর বাস্তবেও একটা জীবন কিন্তু আছে৷ তাঁদেরও মনে আছে প্রেম-ভালোবাসা৷ বাস্তব জীবনেও তাঁদের মনের কোঠরে আছে একজন ভালোবাসার মানুষ৷ যারা সারাদিনের ক্লান্তির পর একে অপরের হাত ধরা, কাছে আসা৷ তা যেন অনেকটা এনারিজী এনে দেয় তাদের৷

সিরিয়াল কিংবা মেগা সিরিয়ালের চরিত্রের মতোও তাদের জীবনে আছে নানা প্রেম-ভালোবাসার কাহিনি৷ ছোটপর্দার দেখতে দেখতে যেন অনেকেরই ধারনা হয়েছে গিয়ে যে, পর্দার ছেলে কিংবা মেয়ের ভালোবাসার পাত্র তারাই৷ কিন্তু তা এক্কেবারেই নয়৷ সেই বোকা বাক্সের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের প্রকৃত ভালোবাসার মানুষদের খুঁজে বের করে আনলাম আমরা৷ দেখে এবং জেনে নিন বাস্তবে কে কার প্রকৃত হিরো আর হিরোইন৷

সোমরাজ মাইতি৷‘এই ছেলেটা ভেলবেলেটা’ সিরিয়ালের মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন৷ তাঁর জীবন সঙ্গিনী সিরিয়াল জগতের এক্কেবারের বাইরের মানুষ৷ নাম আয়ুসী তালুকদার৷ পেশায়

দৈপায়ন দাসকে প্রায় সকলেই চেনে৷ তবে দৈপায়ন নামে কতটা লোকে চেনে, তা নিয়ে সংশয় আছে৷ তবে ‘ইচ্ছে নদী’ সিরিয়ালের পিকলুকে যে সকলেই চেনে তা নিয়ে কোন কথা হবে না৷ তাঁর জীবন সঙ্গিনীও বেশ famous। ‘বেহুলা’ সিরিয়ালের বেহুলাকে দুই বাংলার প্রায় প্রত্যেকের এক পরিচিত নাম৷ সেই  বেহুলা মানে পায়েল দাসই হচ্ছে পিকলুর প্রকৃত ভালোবাসার মানুষ৷

‘ঝোঝে না সে বোঝে না’ সিরিয়ালের পাখির পরিচিতি প্রায় ধরাছোঁয়ার বাইরে৷ সেই পাখি, যার প্রকৃত নাম মধুমিতা সরকার৷  ‘বধু কোন আলো লাগলো চোখে’ সিরিয়ালের সৌরভের বাকদত্তা।

রণিতা আর রিজু ছোটপর্দায় বেশ ফেমাস জুটি৷ রণিতাকে প্রায় ‘বাহা’ নামেই সকলে চেনে৷ আর দল নূপুরের নীল, যার আসল নাম রিজু৷ তাঁরও পরিচিতি কম নয়৷ আর বাস্তবেও এদের জুটি খুবই হিট জুটি।

তৃনা হল জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘খোকাবাবু’র বউ৷ বাস্তব জগতে তাঁর বয়ফ্রেন্ড নীল ঠিক যেন ‘লাভ স্টোরি’ সিরিয়ালের ফেমাস হিরো৷

পুরো সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছেন এই ভিডিওটি ! জেনে নিন কে এই সুন্দরী

ভাইরাল হতে হতে প্রায় সব নেটিজেনদের কাছেই পৌঁছে গিয়েছে এই ভিডিও। জেনে নিন কে এই ভিডিওর সুন্দরী।

চলছে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহ। সামনেই ভ্যালেন্টাইন্স ডে। কিশোর থেকে তরুণ— হৃদয়ে হৃদয়ে টরে টক্কা পাঠাচ্ছেন মদন দেব। আর ঠিক এই সময়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন এই রূপসী। ভাইরাল হতে হতে প্রায় সব নেটিজেনদের কাছেই পৌঁছে গিয়েছে এই ভিডিও। জেনে নিন কে এই ভিডিওর সুন্দরী।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, যে ভিডিও ক্লিপে দেখা মিলেছে এক মন ছুঁয়ে যাওয়া রোম্যান্সের, সেটা আসলে একটি মালয়ালম ছবি ‘ওরু আদার লাভ’-এর দৃশ্য। পরিচালক ওমর লুলু। ছবিটি অবশ্য এখনও মুক্তি পায়নি। আপাতত কেবল একটি গানই কেবল মুক্তি পেয়েছে অনলাইনে। এই ভিডিও ক্লিপটি সেই গানেরই দৃশ্য। আর তাতেই ভিনি ভিডি ভিসি। দীপিকা-প্রিয়ঙ্কাও যেন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গিয়েছেন প্রিয়া প্রকাশ ভরিয়ার নামের এক একেবারে আনকোরা মুখের সামনে। এটাই প্রিয়ার প্রথম ছবি! কেবল একটি গানেই তিনি জয় করেছেন আসমুদ্র হিমাচলের তরুণ হৃদয়।

ভিডিওয় যে নিরুচ্চার প্রেমের দৃশ্য দেখা গিয়েছে, তাতে কেবল চোখে চোখেই প্রেমের এক মধুর বাতাবরণ তৈরি হয়ে যেতে থাকে। ছেলেটি ও মেয়েটির ভ্রু-ক্রীড়া যেন মনে করিয়ে দেয় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সেই অমোঘ লাইনকে— ‘ভ্রুপল্লবে ডাক দিলে দেখা হবে চন্দনের বনে।’ এর পর প্রিয়া তাঁর একটি চোখকে মুদ্রিত করে (যাকে বলা যায় চোখ মারা) যে লাস্যময় সঙ্কেত পাঠান তাও যেন কেবল উলটো দিকে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটিকেই নয়, মুহূর্তে বিদ্ধ করে সোশ্যাল মিডিয়ার লাখো প্রেমিক-হৃদয়কে।

 

একে তো ‘দারুণ এ সময়’। তার উপর এক সুন্দরীর মধুর সব বিভঙ্গ। এই ভিডিও ভাইরাল হবে, তাতে আর আশ্চর্য কী!

আজ তৌসিফ মাহবুবের গায়ে হলুদ! নিজেই জানালেন বিস্তারিত…

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা তৌসিফ মাহবুবের গায়ে হলুদ আজ (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায়। রাজধানীর ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে এই গায়ে হলুদের আয়োজন করা হয়েছে, আর বিয়ে হবে শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি)।

মঙ্গলবার দুপুরের একটি অনলাইন নিউজ সাইটকে তৌসিফ মাহবুব খবরটি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ধানমন্ডিতে বাসার পাশেই গায়ে ছোট একটি কমিউনিটি সেন্টারে গায়ে হলুদের আয়োজন করেছি। শুক্রবার বিয়ে হবে। আর বউ-ভাতের আয়োজন থাকছে ১২ ফেব্রুয়ারি।

তৌসিফ মাহবুব বিয়ে করছেন মিরপুরের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস সুষমাকে। তিনি লেখাপড়া করছেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) এর বিবিএ-তে। পারিবারিকভাবেই তৌসিফ-সুষমার বিয়ে হচ্ছে। এই বিয়েতে দুই পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

তৌসিফের সঙ্গে সুষমার পরিচয় তিন বছরের বেশি সময় ধরে। এই সময়ে তারা মন দেয়া-নেয়া করেছেন। পাশাপাশি তৌসিফ মাহবুবের কাজকে সবসময় সাপোর্ট দিয়েছেন সুষমা। এবার তারা বিয়ের মাধ্যমে চার হাত এক করছেন।