জানেন কি মাহবুব আহমেদ থেকে সাদেক বাচ্চু হয়ে ওঠার গল্প

ঝলমলে রঙিন পর্দার খলনায়ক সাদেক বাচ্চুকে সবাই চেনেন। নায়কের চরিত্রসহ প্রায় ৫০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এই সাদেক বাচ্চু হওয়ার গল্পটা কিন্তু সহজ নয়।

সদ্য মেট্রিক পাস করা সাদেক বাচ্চুর বাবা মারা যাওয়ার পর ভাই-বোন-মা-দাদি সহ ১১ জনের পুরো সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে কাঁধে। সেই দায়িত্ব পালন করে নিজের পড়াশোনা, অভিনয় চালিয়ে গিয়ে আজ তিনি সকলের পরিচিত সাদেক বাচ্চু।

১৯৬৩ সালে খেলাঘরের মাধ্যমে রেডিওতে অভিনয় শুরু। একইসাথে মঞ্চেও বিচরণ করেন। প্রথম থিয়েটার ‘গণনাট্য পরিষদ।’ ১৯৭২-৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে যখন এদেশের সাংস্কৃতিক বলয় নতুন ভাবে তৈরি হচ্ছিল, তখন যোগ দেন গ্রুপ থিয়েটারের সাথে।

সে সময়ে উন্মোচন নামের একটি গ্রুপের সাথে পথ চলা। উন্মোচন ভেঙে যাওয়ার পর সম্মিলিতভাবে তৈরি করলেন ‘প্রথম পদক্ষেপ।’

এই গ্রুপ্টাও একস্ময় ভেঙে যায়। কিন্তু উদ্যমী সাদেক বাচ্চু হতাশ হন না। বলেন, আমরা যারা থিয়েটারের সাথে লেগেই থাকতাম তারা হতাশ হই না। ৮৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মতিঝিল থিয়েটার।’

৩৪ বছর আগেই প্রতিষ্ঠিত এই থিয়েটারের সাথেই এখন পর্যন্ত যুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ভ্যালেন্টাইন দিবসে শিল্পকলা একাডেমি’র স্টুডিও থিয়েটারে হয়ে গেল নতুন একটি প্রযোজনা।

এরই মাঝে সাদেক বাচ্চু নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। চাঁদনী চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচিতি পেয়ে যান। যদিও ছোট পর্দার মাধ্যমে আগেই জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

৭৪ সালে প্রথম টেলিভিশনে অভিষিক্ত হন। প্রথম নাটক ছিল ‘প্রথম অঙ্গীকার নাটকটি পরিচালনা করেন আবুল্লাহ ইউসুফ ইমাম। সোজন বাদিয়ার ঘাট, নকশী কাঁথার মাঠ সহ অসংখ্য নাটকে মূল চরিত্রে অভিনয় করেন। ঝুলিতে যুক্ত হয় প্রচুর সুপারহিট নাটক।

প্রথম চলচ্চিত্র শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রামের সুমতি’ অবলম্বনে রামের সুমতিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন। শহীদুল আমিন ছিলেন পরিচালক।

আরও একটি চলচ্চিত্রেও সুনেত্রার বিপরীতে নায়ক চরিত্রে ছিলেন কিন্তু ছবিটি মুক্তি পায়নি। খল চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন ‘সুখের সন্ধানে’ চলচ্চিত্রে। শহীদুল হক খানের এই ছবিতে ইলিয়াস কাঞ্চন নায়ক ছিলেন।

সাদেক বাচ্চু বলেন, ‘এই ছবির মাধ্যমেই আমি একদম নতুন চরিত্রে আসি। হয়ে গেলাম ভিলেন। জাস্ট ভিলেন তখন।’

চলচ্চিত্রে অভিষেকের পরেও টিভি নাটকে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এই সময়েই তিনি জিয়া আনসারীর প্রযোজনায় করেন ‘জোনাকী জ্বলে’ সে সময়ে বিটিভির তুমুল হিট নাটক ছিল এটি।

এই নাটকের মাধ্যমে সাদেক বাচ্চুর পরিচিতি গরে ওঠে। এখানে রাজাকার চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর সেলিম আল দ্বীনসহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেন। এরপরই চাঁদনী। শাবনাজ নাঈম এই জুটির ছবি’র কথা কারো অজানা নয়।

সাদেক বাচ্চুর আসল নাম মাহবুব আহমেদ সাদেক। চাঁদপুরে দেশের বাড়ি হলেও জন্ম ঢাকায়। সাদেক বাচ্চু বলেন, এহতেশাম সাহেব চাঁদনী চলচ্চিত্রে আমার নেমপ্লেট বসিয়ে দিল ‘সাদেক বাচ্চু।’

সেই থেকে আমি হয়ে গেলাম সাদেক বাচ্চু। তিনি আমাকে সেটে দেখে বলেন, ‘তু বাড়া বাচ্চু হ্যায় রে, তেরে নাম বাচ্চু, সাদেক বাচ্চু। সেই থেকে সাদেক বাচ্চু-ই হয়ে গেল আমার নাম।

মৌসুমী চলচ্চিত্রে ‘চাচা ঢাকা কতদূর?’ সাদেক বাচ্চুর এই সংলাপটি ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। রিকশা, টেম্পু, বেবিট্যাক্সির পেছনে পেছনে কমন সংলাপ লেখা। সাদেক বাচ্চু বলেন, এখনো অনেকে আমাকে দেখলে এই সংলাপটি বলেন।

টিএন্ডটি নাইট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেন সাদেক বাচ্চু। তিনি বলেন, মেট্রিকের মাত্র তিন মাস পরে আমার বাবা মারা যায়। আমি বুঝেছি হোয়াট ইজ লাইফ!

৫টা বোন, বিধবা দাদি, ফুফুসহ ১১ জন সদস্যের পরিবার চালানো পড়াশোনা করা কি যে কষ্টের ছিল, হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এখন আফসোস নেই। এখন আমি সুখি। তার স্ত্রীর নাম শাহনাজ জাহান।

তিনি শুধু অভিনয়ই নয়, সাথে লেখালেখিও করেন। মুক্তধারা প্রকাশনীর কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা সাদেক বাচ্চুর লেখা নাটক প্রকাশ করেছেন। পেশায় সাদেক বাচ্চু বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একজন কর্মকর্তা।

আলোচিত মডেল নায়লা নাঈমের কিছু আলোচিত ছবি দেখুন

বাংলাদেশি মডেল নায়লা নাঈম৷ সম্প্রতি তাঁর কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে৷ এই ছবিঘরে নায়লা নাঈমের বেশ কয়েকটি ছবি রয়েছে৷ সঙ্গে থাকছে তাঁর সম্পর্কে চমকপ্রদ বিভিন্ন তথ্য৷

শুরুটা যেভাবে
ছোটবেলা থেকেই মিডিয়ায় কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন নায়লা৷ ডেন্টাল কলেজে পড়ার সময় নিজের মেধা ও সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করার ইচ্ছা প্রবল হয়৷ শুরুটা এভাবেই৷ বর্তমান সময়ের আলোচিত মডেল নায়লা নাঈম সম্পর্কে আরো জানতে দেখুন পরের ছবিগুলো৷

‘পরিপূর্ণ স্বাভাবিক মানুষ’
নায়লা নাঈম মনে করেন, সৃষ্টিকর্তা তাঁকে একজন পরিপূর্ণ স্বাভাবিক মানুষ হিসাবে তৈরি করেছেন৷ এটা তাঁর কাছে বিশাল ব্যাপার৷ নায়লার কথায়, ‘‘নিজেকে স্বাভাবিক ও সুন্দর একজন মানুষ হিসাবে দেখতে পারাটা আমাকে মুগ্ধ করে৷’’

আত্মবিশ্বাসী নায়লা
বাংলাদেশের মডেল কন্যাদের সচরাচর যেসব পোশাকে দেখা যায় সেসব থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম নায়লা নাঈম৷ অনায়াসেই বিকিনি পরে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছেন তিনি৷ তাঁর মধ্যে কোন ধরনের জড়তাও নেই৷

আলোচনা-সমালোচনা
স্বল্পবসনে তোলা নায়লা নাঈমের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা, সমালোচনার জন্ম দিয়েছে৷ তিনি অবশ্য সমালোচনায় পিছিয়ে যাবার পাত্র নন৷ ডয়চে ভেলেকে নায়লা বলেন, ‘‘অনেকে হয়তো ব্যাপারটিকে সহজভাবে নিতে পারেননি এবং সমালোচনা করেছেন৷ কিন্তু অনেকেই কিন্তু এই একই কাজগুলোর অনেক প্রশংসাও করেছেন৷’’

গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা
নায়লা নাঈম তাঁর অনুসারীদের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সমালোচনার মাঝে সৃজনশীল কিছু পেলে সেটাকে গ্রহণ করতে বা সেখান থেকে কিছু শেখার থাকলে সেটাকে ইতিবাচকভাবে নিতে আপত্তি নেই আমার৷’’

‘ধমীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল’
বলাবাহুল্য বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ৷ নায়লা অবশ্য তাঁর কাজের ক্ষেত্রে ধর্মকে কোন বাধা মনে করেন না৷ বরং তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের নিজেদের একটা স্বকীয় সংস্কৃতি আছে৷ দেশীয় সংস্কৃতির কথা এবং ধমীয় মূল্যবোধের কথা মাথায় রেখে যতটুকু অগ্রগতি সম্ভব ঠিক ততখানি এগিয়ে যাওয়া আমি সমর্থন করি৷’’

বিবসনা হবেন না নায়লা
বিকিনি কিংবা পশ্চিমা আদলে তৈরি স্বল্প পোশাকে সাবলীল হলেও কখনো মডেলিং বা অভিনয়ের প্রয়োজনে নগ্ন বা বিবসনা হবেন না নায়লা৷ নিজের এই অবস্থানের কথা পরিষ্কার জানিয়েছেন তিনি৷ নায়লা বলেন, ‘‘আমাকে কখনোই এইরকম কোন দৃশ্যে দেখা যাবার সম্ভাবনা নেই যেটা আমাদের সংস্কৃতির সাথে পুরোপুরি বেমানন৷’’

ব্যস্ত সময়
নায়লা নাঈম এখন অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন৷ মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়ে মনোযোগ দিচ্ছেন তিনি৷ রানআউট, আদি, ওয়ান মিলিয়ন ডলারসহ কয়েকটি চলচ্চিত্রে কাজ করছেন তিনি৷ শীঘ্রই সংগীত শিল্পী প্রীতম আহমেদ এর সাথে একটি মিউজিক ভিডিওতে দেখা যাবে তাঁকে৷

অভিনয়ই মূল লক্ষ্য
মডেলিং এর মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করলেও বাংলা চলচ্চিত্রে স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করাই নায়লার বর্তমান লক্ষ্য৷ ভবিষ্যতে দর্শকদের গতানুগতিক ধারার বাইরে ব্যতিক্রমধর্মী কিছু উপহার দিতে চান তিনি৷ পশুপ্রেমিক নায়লা ভবিষ্যতে পশুপাখির জন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্র ও অভয়ারণ্য গড়তে আগ্রহী৷

ফেসবুকে নায়লা
মডেল, অভিনেত্রী নায়লা নাঈমকে পাওয়া যাবে ফেসবুকেও৷ তাঁর আনুষ্ঠানিক পাতার ঠিকানা: www.facebook.com/artist.nailanayem৷ বর্তমানে (১২.০৫.২০১৪) এই পাতায় অনুসারীর সংখ্যা ষাট হাজারের মতো৷

সঞ্জয় দত্তের মেয়ে অনালাইন কাপাচ্ছে, ছবিগুলো দেখলেই বুঝবেন

বাবা সঞ্জয় দত্ত, দাদা-দাদি সুনীল দত্ত ও নার্গিস কিংবা বড় ভাই গুরু দত্তের মতো সিনেমায় অভিনয় করেন না ত্রিশলা দত্ত। কিন্তু পারিবারিক কারণেই লাইমলাইটে থাকেন তিনি। যেমন বলিউডের স্টার কিড হওয়ায় সব সময় লাইমলাইটে থাকেন সারা আলি খান, জাহ্নবী কাপুর, সুহানা খানেরা। তাই সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে আলোচনায় উঠে আসলেন ত্রিশলা।

ইনস্টাগ্রামের ছবিতে দেখা যায়, সাদা ট্রান্সপারেন্ট কাফতান পরে সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন মোহময়ী ত্রিশলা। কোথাও আবার সমুদ্রের পাশে পুলের পানিতে পা ভিজিয়ে বসে থাকতেও দেখা যাচ্ছে সঞ্জয় দত্তের মেয়েকে। আবার কোথাও সাদা গাউন পরে পোজ দিচ্ছেন।

সবকিছু মিলিয়ে সারা, জাহ্নবীদের মতো ত্রিশলাও যে বলিউডে ডেবিউ করার জন্য এক্কেবারে তৈরি, তা কিন্তু বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠে তার এই ছবিগুলোতে।

টাইগার শ্রফের বোনও সুপার হট, ছবিগুলো দেখলেই বুঝবেন

বলিউড অনেক অভিনেতা আর অভিনেত্রি আছে যাদের আমরা কেউ ভালো ভাবে চিনি না ।আসলে হয়ত আমরা নিজেদের পছন্দের হিরোদের দেখে থাকি কিন্তু তাদের রিয়েল লাইফে কে কে আছে আর তারা সারাদিন কি ভাবে তাদের লাইফ কাটিয়ে থাকে তা আমাদের কাছে খুব অজানা ।আমরা তা জানার চেষ্টা করি না ।আমাদের পছন্দের হিরো বা হিরোয়িনের আর কে কে আছে বাড়িতে আমরা জানি না ।আজ আমরা কথা বলব টাইওগার শ্রফের বোনের নিয়ে …

বলিউডে সব থেকে বড় কালাকার জেকি শ্রফের ছেলে টাইগার শ্রফকে আজকাল কার দিনের সব থেকে বড় স্টার হিসাবে মানা হয় আর তার ফিল্ম গুলি খুব হিট হয়ে থাকে ।আর তার ড্যান্স আর তার একসেনের জন্যে সকলেই তাকে খুব পছন্দ করে থাকে ।আর তার ফিল্ম খুব হিট হয়ে থাকে এখন ।

কিন্তু আপনি কি এই টাইগার শ্রফের বোনকে জানেন ।কি করে সে ,কেমন দেখতে ? আজ আমরা আপনাদের কাছে সেই সব অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে এসেছি ।আর তার বোন খুব মডার্ন আর খুব বোল্ড লুকের ।আর সে দেখতে খুব সুন্দরী বিশ্বাস না হলে এই সব ছবি গুলি দেখুন …

আর আপনাদের জানিয়ে রাখি টাইগার শ্রফের বোনের নাম কৃষ্ণা শ্রফ ।আর সে দেখতে খুব বোল্ড লুকের ।আর বলিউডে তার পরিচয় প্রডিওসার আর ডিরেক্টরের রুপে আছে ।আর আপনাদের জানিয়ে রাখি কৃষ্ণার বয়স এখন ২৪ বছর ।আর সে দেখতে খুব হট ।

আর নিজের কাজ গুলি ছাড়াও কৃষ্ণা সামাজিক কাজ করতে খুব পছন্দ করে থাকে ।আর কৃষ্ণার সব থেকে বড় ইচ্ছে হলে গরিবদের জন্যে কিছু করতে পারা ।যেটি খুব কম লোক চায় কিন্তু বলিউড এমন অনেক মানুষ আছেন যারা এই সব সামাজিক কাজে খুব মনোযোগি ।

আর কৃষ্ণা চায় সে সেই সব মানুষ দের সাহায্য করতে যাদের খাবার জোটে না আর থাকার জন্যে বাড়ি নেই ।আর আপনারা দেখেছে জেকি আর টাইগার শ্রফ দুজনেই খুব বড় স্টার কিন্তু কৃষ্ণা তাদের থেকে আলাদা তার সব থেকে বড় ইচ্ছে সে এখজন বড় ডিরেক্টর হবে ।

আর কৃষ্ণা এই সব শোশ্যাল মিডিয়ায় কুব কম একটিভ থাকে সে তার নিজের কাজে খুব ব্যস্ত থাকে ।

আরো কিছু ছবি দেখুন

সত্যিই হট, তাই না !!

কে এই নারী যিনি হিজাব পরা বিশ্বের প্রথম মডেল

লন্ডনে হিজাব পরে বিশ্বখ্যাত প্রসাধনী ব্র্যামন্ড লরিয়েল প্যারিসের হেয়ারকেয়ার ক্যাম্পেইনে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এক মুসলিম নারী। এই নারীর নাম আমিনা খান।

আমিনাই প্রথম কোনও মুসলিম মডেল, যিনি হিজাব পরে লরিয়েলের মতো বিশ্বখ্যাত ব্রান্ডের মডেল হলেন।

হিজাব পরা অবস্থায় আমিনা খানের এ খবরটি এমন এক সময়ে ব্রিটিশ মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার হলো, যখন লন্ডনের বিভিন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ রীতিমতো আইন করে স্কুলে শিক্ষার্থীদের হিজাব পরা ও রোজা রাখা বন্ধ করতে চাইছে।

ব্রিটিশ মুসলিম নারী আমিনা খান তার স্বামী ও আট বছরের ছেলেকে নিয়ে বসবাস করছেন যুক্তরাজ্যের লেস্টারে। তিনি পার্ল ডেইজিস নামে একটি হিজাব প্রস্তুতকারী কোম্পানির স্বত্বাধিকারী।

রবিবার (২১ জানুয়ারি) হাফিংটন পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিনা খান বলেছেন, হিজাব পরে চুলের প্রসাধনীর এমন বড় পরিসরের মডেলিং-এ প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে অংশ নিতে পেরে তিনি আনন্দিত।

ফুলবা সিরিয়ালের সেই পিচ্ছি জন্নত এখন সুপার সেক্সি, দেখুন কিছু ছবিতে

একদশক আগে বাচ্চাদের জন্যে সিরিয়ালের মেলা বসত ।শাকা লাকা বুম বুম থেকে সোনপরি এই সব সিরিয়ালের জন্যে সকল ছেলে মেয়ে পাগল ছিল ।আর তারা এইও সব সিরিয়াল দেখার জন্যে সব সময় অপেক্ষা করে থাকত ।আর এই সব সিরিয়াল শেষ হাওয়ার পর বালিকা বধু আর ফুলবা নামে সিরিয়াল চল ছিল তখন ।আর এই সব সিরিয়ালে অভিনয় করা ছোটো ছোটো ছেল মেয়েরা আসতে আসতে ফেমাস হতে শুরু করল ।

আর তারা তাদের ভোলাভালা চেহেরার জন্যে সকলের খুব পছন্দের হয়ে উঠোল ।আর সকলের মনে ত্তারা জায়গা করে নিয়ে ছিল ।আর আজ আমরা সেই সব সিরিয়ালের একটি বাচ্চা আর্টিস্ট কে নিয়ে কথা বলব ।কালার চ্যানেলে ফুলবা নামে সিরিয়ালের জন্নত রহমানীকে আপনাদের সকলের মনে আছে ।

আর সকলেরবাড়িতে তাকে খুব ভালো ভাবে জানত ।যারা এই সব সিরিয়াল দেখতে তাকে খুব পছন্দ করত ।আর সেই এখন আর ছোটো নেই সে এখন খুব বড় হয়ে গেছে আর সসে দেখতে এখন খুব সুন্দরী ।আসুন দেখে নেওয়া যাক কি করে সে বড় হয়ে কেমন দেখতে হয়েছে এখন

ফুলবা সিরিয়াল ২০১১ সালে শুরু হয়েছিল আর ২০১২ সালে সিরিয়ালটি শেষ করে দেওয়া হয়েছিল।আর জন্নত এখন বড় হয়ে গেছে ।ছোটোবেলায় তার কিউট নেসের জন্যে সকলের মনে সে জায়গা করে নিয়েছিল আর এখন সে তার থেকে বেশী কিউট দেখতে হয়েছে ।

২৯ অগাস্ট ২০০২ সালে জন্ম হাওয়া জন্নত এর বয়স তখন ১১ বছর ছিল যখন সে সিরিয়ালে কাজ করা শুরু করেছিল ।আর এখন তার বয়স ১৫ বছর আর এখন সে দেখতে খুব সুন্দরী ।আর সে তার বন্ধুদের সাথে পার্টি করতে খুব পছন্দ করে থাকে আর এই ছবিগুলিতে আপনি তা দেখতে পাবেন ।

আর সে সিরিয়ালে কাজ করএ ।আর এই ছবিগুলি দেখুন তাকে এই সব ছবিগুলিতে কতটা সুন্দর লাগছে ।আর এই কিউটনেশ সকলের খুব পছন্দের ।আর আপনাদের জানিয়ে রাখি জন্নতের বাবা এক্টিং দুনিয়ার সাথে যুক্ত আছেন ।আর সে এতটাই সুন্দরী যে কোন ফিল্মে কাজ করলে খুব খ্যাতি পাবে ।

আর সে তার ছবি ইন্সট্রাগ্রামে মাঝে মাঝে শেয়ার করে থাকে যাতে তাকে দেখতে খুব সুন্দর লাগে ।

১২ জন অভিনেত্রী যারা প্রকাশ্যে নির্যাতিত হয়েছে, দেখুন ছিবিতে

তাঁরা আর পাঁচজন সাধারণ মহিলাদের মত নয়। তাঁদের জন্য পুলিসি প্রহরা থাকে, নিরাপত্তরক্ষী, বডিগার্ড, বাউন্সারও থাকে। কিন্তু এরপর এদের ওপর শ্লীলতাহানী করা হয়। দেখুন এমন এক ডজন মহিলা সেলেবদের যারা শ্লীলতাহানীর শিকার হয়েছেন-

১২) ক্যাটরিনা কাইফ

দক্ষিণ কলকাতায় দূর্গাপুজোর উদ্বোধনে এসে তাঁকে নিয়ে জনতাদের মধ্যে এত উত্সাহ দেখা যায়, যে তাঁর নিরাপত্তারক্ষী, পুলিস মানুষের ভালবাসার অত্যাচার করতে পারেনি। ক্যাটকে একবার ছুঁয়ে দেখতে হুড়মড়িয়ে পড়ে মানুষ। কোনওরকমে ক্যাটকে সেখান থেকে বের করে আনা হয়।

১১) জেরিন খান

অকসর টু সিনেমার প্রচারে গিয়ে রাজধানী শহর দিল্লিতে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয় অভিনেত্রী জেরিন খানকে। সেই সময়ে ছবির প্রচারের জন্য এমন একটি জায়গায় গিয়েছিলেন জারিন, যখন তাঁর চারপাশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তারক্ষী ছিল না। ফলে চারপাশের জনতা একেবারে ঘিরে ফেলে জারিনকে। সেই দলে ছিল প্রায় ৪০-৫০ জন। তারা জারিনকে ঘিরে ধরে সেলফি তুলতে চায়। আশপাশে থাকা একজনও পুরুষ সদস্য এই সময়ে নায়িকাকে বাঁচাতে আসেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরিস্থিতি একেবারেই হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল বলে জানা যায়। কোনও মতে উদ্ধার পান জারিন। ওই সংবাদমাধ্যমকে জারিন জানিয়েছেন, ‘‘আমি অত্যন্ত বিরক্ত হয়েছি ওদের আচরণে। এর পরই সিদ্ধান্ত নিই সমস্ত কাজ সেরে গভীর রাতের উড়ান ধরেই মুম্বইয়ে ফিরে আসার।’’

১০) শুভশ্রী

ফালাকাটার একটি কলেজের বাৎসরিক অনুষ্ঠানে শুভশ্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী আসার খবরে সকলের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা দেয়। দুপুর থেকে চলছিল সঙ্গীতানুষ্ঠান। কিন্তু সকলেই অপক্ষোয় ছিলেন শুভশ্রীর। নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়েছিল। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় শুভশ্রীর গাড়ি কলেজে পৌঁছালে একদল যুবক তাকে ঘিরে ধরে। অনেকে ছুঁতেও চেষ্টা করেন এ অভিনেত্রীকে। সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে ভিড়। নিরাপত্তার দ্বায়িত্বে থাকা পুলিশ চেষ্টা চালালেও ভিড় থেকে নায়িকাকে উদ্ধার করতে পারেনি। বরং একদল যুবকের হয়রানির শিকার হন শুভশ্রী। যতক্ষণে মূল মঞ্চে উঠতে পেড়েছেন তখন পুরোপুরি বিপর্যস্ত দেখা গেছে শুভশ্রীকে।

এরপর মঞ্চে উঠে শুভশ্রী বলেন, ‘আমি মেয়েদের বিশেষ করে বলতে চাই, ছেলেরা আমার সঙ্গে ভীষণ বাজে ব্যবহার করেছে। আমার সঙ্গে যেটা হয়েছে তা কোনো মেয়ের সঙ্গে করা উচিত নয়। এর জন্য আমার মানসিক অবস্থা ভালো নয়।’

৯) করিনা কাপুর

২০১৩ সালে এক শপিং মলের উদ্বোধনে গিয়ে একদল জনতা তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। করিনার বাউন্সার কোনওমতে সেখান থেকে উদ্ধার করে।

৮) হেদিয়া খান

এই ইজিপশিয়ান গায়িকা স্টেজে গান করার পর গাড়িতে ওঠার পথে তাঁকে ঘিরে ধরে একদল জনতা। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকে ঠেলে সরিয়ে ধরে তাকে জড়িয়ে ধরে চলে শ্লীলতাহানী। সেই শ্লীলতাহানীকে কার্যত ধর্ষণের পর্যায়ে ফেলা যায়।

৭) সোনাক্ষি সিনহা

তখন সবে বলিউডে পা দিয়েছিলেন। ঘটনাটা ২০১০ সালে তাঁর প্রথম সিনেমা দাবাংয়ের পর তিনি যান দক্ষিণ মুম্বইয়ের গান্ধী গ্রাউন্ডে এক অনুষ্ঠানে। কিন্তু সেখানে একদল উচ্ছশৃঙ্খল জনতা তাঁকে কটুক্তি করে, তারপর তাঁকে ছুঁতে ঝাপিয়ে পড়ে। চোখে জল নিয়ে অনুষ্ঠান মঞ্চ ছাড়েন সোনাক্ষি।

৬) সোনম কাপুর

২০১৩ সালে রঞ্ঝনা সিনেমা মুক্তির পর নিজের সিনেমা সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে দেখতে সিনেমা হলে যান অনিল কাপুর কন্যা সোনম। কিন্তু সেখানে কিছুক্ষণ পরেই তাঁর ভক্তরা এমনভাবে তাকে ঘিরে ধরে যাতে তাকে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। সোনমকে আড়াল করতে চাওয়ায় সিনেমার নায়ক ধনুষের মুখে ঘুষিও চালানো হয়। শেষ অবধি অবশ্য হিরো সুলভ কায়দায় ধনুষই সোনমকে উদ্ধার করেন।

৫) আমিশ প্যাটেল

গোরক্ষপুরে এক জুয়েলারি শপের উদ্বোধনে যান ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ সিনেমার নায়িকা আমিশা প্যাটেল। আমিশা শর্ট স্কার্ট পরেছেন এই কারমে তাঁকে চড় মারেন এক ব্যক্তি। আমিশা সেখানেই কেঁদে ফেলেন।

৪) সুস্মিতা সেন

পুণেতে এক জুয়েলারি শপের উদ্বোধনে গিয়ে শ্লীলতাহানির শিকার হন সুস্মিতা সেন। উদ্বোধ

উদ্বোধন সেরে গাড়িতে ওঠার সময় সুস্মিতার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল একদল তরুণ।

৩) বিপাশা বসু

বিপাশাকে দু বার প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়। দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে একদল মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বিপাশার উপর। তারপর আমেদাবাদে রাজ থ্রি-র প্রচারে গিয়ে বিপাশার স্কার্ট ধরে টানেন এক ব্যক্তি।

২) গুল পানাং

দিল্লি ম্যারাথনে দৌড়নোর সময় গুল পানাংকে ছুঁতে তারহ পিছনে ধাওয়া করেন একদল জনতা।

১) কোয়েনা মিত্র

মুম্বইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে নিউ ইয়ার পার্টিতে কোয়েনাকে ছেঁকে ধরেন একদল মদ্যপ যুবক। সে সময় নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন না। কোয়েনার শরীরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তারা। এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে বড় করে কভার করা হয়।