অন্তত ১৫ মিনিট পর্ন দেখেই দিন শুরু করেন এই বলিউড ডিরেক্টর

ব্লু-ফিল্ম না দেখলে দিনটা যেন ঠিকভাবে চলতে চায়না তার। আর সেজন্যই অন্তত ১৫ মিনিট পর্ন দেখেই নতুন দিন আরম্ভ করেন বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক রাম গোপাল ভার্মা। তিনি নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন একথা। শুধু তাই জনই, পর্ন সিনেমা দেখলে নাকি তার মধ্যে একটা শক্তি আসে বলেও জানান তিনি। আর সেই শক্তিই তাকে সাহায্য করে সারাদিনের ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যেতে।

এই তো কিছুদিন আগের কথা, মিয়া মালকোভার নামের বিখ্যাত পর্নস্টারের ছবি ঝড় তোলে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সেই পর্নস্টারের সঙ্গেই কাজ করছেন রাম গোপাল ভার্মা। কিছুদিন আগেই মিয়ার সেই ছবির পোষ্টার টুইট করেছিলেন তিনি। আর সেই থেকেই ঝড় ওঠা শুরু। সকলেই অবাক যে রাম গোপাল ভার্মার মতো একজন নামিদামি পরিচালক মিয়ার সঙ্গে সিনেমা করতে চলেছেন। তবে একথা সুনিশ্চিত যে তিনি বেশ সাহসিকতার কাজ করতে চলেছেন।

সিনেমার নাম “গড-সেক্স এন্ড ট্রুথ”। ইতিমধ্যে ছবির ট্রেলারও মুক্তি পেয়েছে। ৩ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের এই ট্রেলারটিতে মিয়া মালকোভাকে যৌনতা নিয়ে কথা বলতে দেখবেন দর্শক। এমনকি যৌনতা সম্বন্ধে বেশ কিছু করা বার্তাও দেওয়া হয়েছে সিনেমাটিতে।

সিনেমায় বলা হয়েছে- যৌনতা নামের জিনিসটি আসে ভালোবাসা থেকেই যা হলো ঈশ্বর প্রদত্ত। ঠিক এভাবেই যৌনবতা সম্পর্কে বলতে শোনা যাবে মিয়াকে। ট্রেলারে একাধিক হট এন্ড সেক্সী পোজে দেখা যাবে এই পর্নস্টারকে।

জানেন কি মাহবুব আহমেদ থেকে সাদেক বাচ্চু হয়ে ওঠার গল্প

ঝলমলে রঙিন পর্দার খলনায়ক সাদেক বাচ্চুকে সবাই চেনেন। নায়কের চরিত্রসহ প্রায় ৫০০ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। কিন্তু এই সাদেক বাচ্চু হওয়ার গল্পটা কিন্তু সহজ নয়।

সদ্য মেট্রিক পাস করা সাদেক বাচ্চুর বাবা মারা যাওয়ার পর ভাই-বোন-মা-দাদি সহ ১১ জনের পুরো সংসারের দায়িত্ব এসে পড়ে কাঁধে। সেই দায়িত্ব পালন করে নিজের পড়াশোনা, অভিনয় চালিয়ে গিয়ে আজ তিনি সকলের পরিচিত সাদেক বাচ্চু।

১৯৬৩ সালে খেলাঘরের মাধ্যমে রেডিওতে অভিনয় শুরু। একইসাথে মঞ্চেও বিচরণ করেন। প্রথম থিয়েটার ‘গণনাট্য পরিষদ।’ ১৯৭২-৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে যখন এদেশের সাংস্কৃতিক বলয় নতুন ভাবে তৈরি হচ্ছিল, তখন যোগ দেন গ্রুপ থিয়েটারের সাথে।

সে সময়ে উন্মোচন নামের একটি গ্রুপের সাথে পথ চলা। উন্মোচন ভেঙে যাওয়ার পর সম্মিলিতভাবে তৈরি করলেন ‘প্রথম পদক্ষেপ।’

এই গ্রুপ্টাও একস্ময় ভেঙে যায়। কিন্তু উদ্যমী সাদেক বাচ্চু হতাশ হন না। বলেন, আমরা যারা থিয়েটারের সাথে লেগেই থাকতাম তারা হতাশ হই না। ৮৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘মতিঝিল থিয়েটার।’

৩৪ বছর আগেই প্রতিষ্ঠিত এই থিয়েটারের সাথেই এখন পর্যন্ত যুক্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ভ্যালেন্টাইন দিবসে শিল্পকলা একাডেমি’র স্টুডিও থিয়েটারে হয়ে গেল নতুন একটি প্রযোজনা।

এরই মাঝে সাদেক বাচ্চু নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। চাঁদনী চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচিতি পেয়ে যান। যদিও ছোট পর্দার মাধ্যমে আগেই জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।

৭৪ সালে প্রথম টেলিভিশনে অভিষিক্ত হন। প্রথম নাটক ছিল ‘প্রথম অঙ্গীকার নাটকটি পরিচালনা করেন আবুল্লাহ ইউসুফ ইমাম। সোজন বাদিয়ার ঘাট, নকশী কাঁথার মাঠ সহ অসংখ্য নাটকে মূল চরিত্রে অভিনয় করেন। ঝুলিতে যুক্ত হয় প্রচুর সুপারহিট নাটক।

প্রথম চলচ্চিত্র শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘রামের সুমতি’ অবলম্বনে রামের সুমতিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন। শহীদুল আমিন ছিলেন পরিচালক।

আরও একটি চলচ্চিত্রেও সুনেত্রার বিপরীতে নায়ক চরিত্রে ছিলেন কিন্তু ছবিটি মুক্তি পায়নি। খল চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন ‘সুখের সন্ধানে’ চলচ্চিত্রে। শহীদুল হক খানের এই ছবিতে ইলিয়াস কাঞ্চন নায়ক ছিলেন।

সাদেক বাচ্চু বলেন, ‘এই ছবির মাধ্যমেই আমি একদম নতুন চরিত্রে আসি। হয়ে গেলাম ভিলেন। জাস্ট ভিলেন তখন।’

চলচ্চিত্রে অভিষেকের পরেও টিভি নাটকে তিনি ছিলেন উজ্জ্বল এই সময়েই তিনি জিয়া আনসারীর প্রযোজনায় করেন ‘জোনাকী জ্বলে’ সে সময়ে বিটিভির তুমুল হিট নাটক ছিল এটি।

এই নাটকের মাধ্যমে সাদেক বাচ্চুর পরিচিতি গরে ওঠে। এখানে রাজাকার চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর সেলিম আল দ্বীনসহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করেন। এরপরই চাঁদনী। শাবনাজ নাঈম এই জুটির ছবি’র কথা কারো অজানা নয়।

সাদেক বাচ্চুর আসল নাম মাহবুব আহমেদ সাদেক। চাঁদপুরে দেশের বাড়ি হলেও জন্ম ঢাকায়। সাদেক বাচ্চু বলেন, এহতেশাম সাহেব চাঁদনী চলচ্চিত্রে আমার নেমপ্লেট বসিয়ে দিল ‘সাদেক বাচ্চু।’

সেই থেকে আমি হয়ে গেলাম সাদেক বাচ্চু। তিনি আমাকে সেটে দেখে বলেন, ‘তু বাড়া বাচ্চু হ্যায় রে, তেরে নাম বাচ্চু, সাদেক বাচ্চু। সেই থেকে সাদেক বাচ্চু-ই হয়ে গেল আমার নাম।

মৌসুমী চলচ্চিত্রে ‘চাচা ঢাকা কতদূর?’ সাদেক বাচ্চুর এই সংলাপটি ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। রিকশা, টেম্পু, বেবিট্যাক্সির পেছনে পেছনে কমন সংলাপ লেখা। সাদেক বাচ্চু বলেন, এখনো অনেকে আমাকে দেখলে এই সংলাপটি বলেন।

টিএন্ডটি নাইট কলেজ থেকে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করেন সাদেক বাচ্চু। তিনি বলেন, মেট্রিকের মাত্র তিন মাস পরে আমার বাবা মারা যায়। আমি বুঝেছি হোয়াট ইজ লাইফ!

৫টা বোন, বিধবা দাদি, ফুফুসহ ১১ জন সদস্যের পরিবার চালানো পড়াশোনা করা কি যে কষ্টের ছিল, হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। এখন আফসোস নেই। এখন আমি সুখি। তার স্ত্রীর নাম শাহনাজ জাহান।

তিনি শুধু অভিনয়ই নয়, সাথে লেখালেখিও করেন। মুক্তধারা প্রকাশনীর কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা সাদেক বাচ্চুর লেখা নাটক প্রকাশ করেছেন। পেশায় সাদেক বাচ্চু বাংলাদেশ ডাক বিভাগের একজন কর্মকর্তা।

ভারতের জনপ্রিয় গায়ক অরিজিত সিং এর স্ত্রী কে দেখেছেন , ছবিগুলোতে দেখুন

অরিজীত সিং বলিউডের মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে একটি বড় জায়গা নিয়ে নিয়েছে ।আর নিজের এমন একটি পরিচয় গড়ে তুলেছে যেরকম পরিচয়টি কিশোর কুমার এর মত সিংগারের ছিল ।আর আজকাল কাল দিনের যুবকের কাছে সব থেকে বড় গায়ক এখন ।আর আজকাল এমন কোন ফিল্মে নেই যেখানে অরিজিত সিং এর গান নেই ।আর তাঁর আশিকি ২ফিল্মে কিউকি তুম হি হো গানটি তাকে রাতারাতি ফেমাস করে দিয়েছিল ।

আর খুব কম মানুষেই জানেন যে অরিজিত সিং একটি গায়কের পাশাপাশি একজন বেডমিন্টন প্লেয়ার ।কিন্তু এই বড় গায়ক অরিজিত এর জীবনে আর একটি অন্য গল্প আছে যেগুলি কেউ জানে না ।আর এই কাহীনিটি হল অরিজিত সিং এর স্ত্রী নিয়ে যাকে অনেক লোক জানে না ।শুধু অরিজিত সিং কেউ তারা জানে ।

অরিজীত সিং কে সবাই তাঁর সুন্দর গলার গানের জন্যে সব থেকে বেশী জেনে থাকে ।আর অরিজিত সিং ফেম গুরুকুল এর অংশগ্রহন করার পর নিজের জীবন শুরু করেছিল ।আর তাঁর জীবনের সব থেকে বড় সময় তখন এল যখন অরিজিত সিং আশিকি ২ ফিল্মে দুটি গান করল ।আর সবার পছন্দের একটি গায়ক হয়ে গেল ।

আর অরিজিত সিং সব সময় তাঁর পত্নীকে কতটা ভালোবাসেন তা সব সময় বলে থাকেন ।আর তাঁর স্ত্রী দুনিয়ার সব থেকে ভালো পত্নী এটি তিনি বলে থাকেন ।কিন্তু এই কথাটি খুব কম লোক জানেন যে অরিজিত সিং বিয়ে করেছেন ।আর অরিজিত সিঙ্গের স্ত্রী নাম কয়েল ।আর কোয়েল তাঁর ছোটোবেলায় বান্ধবী ।

আর সে তাঁর ছোটোবেলার বন্ধু কোয়েল রায়ের সাথে ২০ জানুয়ারি ২০১৪ সালে পশ্চিমবাংলার তারা পিঠে বিয়ে করে নিয়েছিলেন ।আর এই ঘটনার সত্যতা তখনই জানা যায় যখন তাদের বিয়ের ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে যেতে থাকে ।আর এটি অরিজিত সিং এর দ্বিতীয় বিয়ে ছিল ।

অরিজিত সিং এর পত্নীর নাম কোয়েল ।আর অরিজিত সিঙ্গের পত্নীর এটি দ্বিতীয় বিয়ে ।আর তাঁর একটি মেয়েও আছে ।কিন্তু তাদের তালাকের পেছনে আসল কি কারন তা জানা জায়নি ।আর অনেক ভেবে চিন্তে তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ।অরিজিত সিং এখন কার দিনে একটি বড় গায়ক ।

সানিয়া মির্জার বোন কতটা হট ও সুন্দরী ছবিগুলো দেখলে বুঝবেন

টেনিস প্লেয়ার সানিয়া মির্জা কে, কে না চেনে !! এই মহিলা টেনিস প্লেয়ার এর কোনো পরিচয় এর প্রয়োজন হয় না । কিন্তু আজ আপনাদের জানাব টেনিস প্লেয়ার সানিয়া এর বোন এর ব্যাপারে যে সানিয়া এর মতই খুব সুন্দরী । সানিয়া গ্লামর আর ফ্যাশান এর জন্য ও বিখ্যাত । আপনাদেরজানিয়ে রাখি সানিয়া এর বোন বাস্তবে খুবই গ্লামারিওস ও সুন্দরী । এক বোন নিজের মাটি শক্ত করেছে খেলার দুনিয়ায় আর একজন ফ্যাশন ডিজিয়ান এর দুনিয়ায় । এমনিতে আপনি তো সানিয়া এর অনেক ছবি দেখেছেন আর সানিয়ার ফ্যান যে কোটি কোটি ফ্যান সেটাও আপনি যানেন । আপনাদের জানিয়ে রাখি সানিয়ার বোনের নাম অনম মির্জা

আজ আপনাদের সানিয়ার বোন এর সম্পর্কে বলবো ।

সানিয়ার এর বোন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট এ খুব সুন্দর সুন্দর ছবি পোস্ট করে ।
আর এর জন্যই ওনার সোশ্যাল মিডিয়া তে অনেক ফ্যান ।

সানিয়ার বোন অনম যে কোনো ড্রেস এই সুন্দরী লাগে সে ট্রাডিশনাল হোক বা ওয়েস্টার্ন ।

সানিয়া এবং অনম প্রায়ই বলিউড এর সেলিব্রিটি দের সাথে পার্টি তে নজরে আসে । অনম বলিউড কিং শাহরুখ খানের বড় ফ্যান ।

আপনাদের জানিয়ে রাখি অনম হায়দ্রাবাদের বড় ব্যাবসায়ী আকবর রাশিদিন এর সাথে বিয়ে করেন । আর এই দুজনের বিয়েতে অনেক বড় বড় সেলিব্রিটি উপস্থিত ছিলেন ।

New Delhi: Tennis star Sania Mirza with her mother Naseema and sister Anam Mirza at a felicitation function in New Delhi on Tuesday. PTI Photo by Manvender Vashist (PTI12_23_2015_000072A)

আসুন দেখে নিই আরো কিছু ছবি

চিনতে পারছেন এই নায়িকাকে, তিনি পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন!

বাহুবলী তারকা অনুশকা শেট্টি পেট্রোল পাম্পে কাজ করছেন সকাল সকাল আসছেন কাজ করতে।তিনি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন পেট্রোল।পেট্রোল বিক্রিতে ব্যস্ত বাহুবলী তারকা অনুশকা শেট্টি। ভক্তরা তাকে পেট্রোল বিক্রি করতে দেখে রীতিমত তাজ্জব। ব্যাপারটা কী!

সকলেরই প্রশ্ন একটাই যে কী এমন হলো যে হঠাৎ বাহুবলীর জনপ্রিয় অভিনেত্রী অনুশকাকে পেট্রোল পাম্পে এসে পেট্রোল বিক্রি করতে হবে?

গরিব ও অসহায়দের স্বার্থে দক্ষিণী অভিনেত্রী লক্ষ্মী মানচুর টিভি শো ‘মেমু সইতম’ যথেষ্ঠ জনপ্রিয়। যে শোয়ে দুঃস্থ, গরিব মানুষদের সাথে টেলিভিশন ও সিনেমা জগতের বিভিন্ন তারকাদের হাজির করা হয়। যেখানে তারকারা দুঃস্থ মানুষজনের সমস্যা শোনেন। তারাই আবার সাধারণ মানুষদের মতো বিভিন্ন কাজে অংশ নিয়ে অর্থ উপার্জন করেন। সেই উপার্জনের টাকা এবং তারকাদের নিজেদের অনুদানের অর্থ দুঃস্থদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এবার সেই টিভি শো ‘মেমু সইতম’-এর সিজন ২-এ অংশ নিয়েছেন বাহুবলীর দেবসেনা অনুশকা।

সেই শোয়ের জন্য অনুশকাকে স্থানীয় পেট্রোল পাম্পে গিয়ে সাধারণ কর্মীর মতো পেট্রোল বিক্রি করতে দেখা গেল। স্বভাবতই অনুশকাকে দেখে ভিড় জমান তার ভক্তরা। যে ভিডিওটি নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে নিজেই শেয়ার করেছেন অনুশকা।

এর আগে মেমু সইতাম টিভি শোয়ের সিজন-১ এ হাজির হয়েছিলেন রানা দগ্গুবাতি, রবি তেজা, শ্রেয়া সরন, রাকুল প্রীত সিং সহ আরও অনেকেই।

রবীনা টেন্ডনের মেয়ে মায়ের চেয়েও বেশী সুন্দরী ,ছবিতে দেখলেই বুঝবেন

বলিউডে এমন কিছু মাঝে মাঝে ফিল্ম আসে যেগুলি মানুষদের মনে অনেক দিন গাথা হয়ে থেকে যায় ।আর বলিউডের স্টাররা আজ সারা দুনিয়া ফেমাস হয়ে গেছে ।আর তাঁর থেকেও বড় ব্যাপার হল বলিউড হিরোয়িনদের সুন্দরতা ।আর যদি বলিউডের অভিনেতাদের কথা বলা হয়ে থাকে তাহলে সেখানে একের পর আর এক বড় স্টার আছেন ।আর বলিউডে এমন অনেক অভিনেত্রি আছেন যারা তাদের সুন্দরতা আর অভিনয়ে সকলকে মুগ্ধ করে দিয়েছেন ।

আর বলিউডের এমন অভিনেত্রি অনেক আছে যাদের সুন্দরতা দিন দিন বেড়েই চলেছে ।আর এই বলিউডে অনেক বড় বড় অভিনেত্রি এসেছেন আর তাদের একটি বড় জায়গা করে নিয়েছেন ।আর আজ আমরা আপনাদের এমন একজনের কথা বলব যে তাঁর মায়ের থেকে অনেক বেশী সুন্দরী ,কে সে ?

বলিউডের বড় অভিনেত্রি রবীনা টেন্ডনকে আপনারা সকলেই জানেন ।আর তাঁর সুন্দরতা আপনারা সকলেই দেখেছেন ।আর তাঁর ফিল্ম আপনারা দেখেছেন ।

রবীনা টেন্ডন এল বলিউডকে অনেক কিছু দিয়েছেন ।আর বলিউডের একসময় টপ অভিনেত্রিদের মধ্যে তাদের নাম ছিল ।আর রবীনা টেন্ডন অনেক হিট ফিল্মে কাজ করেছেন ।

আর তাঁর সুন্দরতা এখন তেমনি আছে যেরকম আগে ছিল ।

১৯৯১ সালে আসা ফিল্ম পত্থর সে ফুল ফিল্মে অভিনয় করে রবীনা টেন্ডন তাঁর এই বলিউড জীবন শুরু করেছিলেন ।

আর এখন তাঁর অন্য এক নাম হয়েছে এই বলিউডে ।রাশা আর রনবীর রবিয়ার দুটি সন্তান কিন্তু তাঁর আরও দুটি মেয়ে আছে যাদের তিনি দত্তক নিয়েছেন ১৯৯৫ সালে ।

তখন পুজা ৮ বছরের ছিল আর ছায়া ১১ বছরের ছিল ।পুজার বিয়ে হয়ে গেছে আর ছায়ার বিয়ে হিন্দু আর খ্রিষ্টান মতে হয়েছিল ।আর তাদের বিয়ের সব কিছু মিডিয়া দেখেইয়েছিল ।

আর আজ আমরা কথা বলছি রবীনা ছোটো মেয়ে ছায়াকে নিয়ে ।আর ছায়া তাঁর মায়ের থেকেও বেশী সুন্দরী কিন্তু সে বলিউডে আশা একদম পছন্দ করেনি ।

ছায়া দেখতে খুব সুন্দরী তাঁর মায়ের মত ।আর কিছু দিন আগে তাঁর বিয়ে হয়েছে ।তাঁর বিয়েতে তাঁর মা আর বন্ধুদের উপস্থিতি সেখানে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল ।আর এতে কোন সন্দেহ নেই যে ছায়া সুন্দরতা কোন বলিউড অভিনেত্রি থেকে কম না ।

ইন্দোনেশিয়ান এই সুপার সুন্দরীর কাছে হেরেছে দুনিয়ার তাবৎ সুন্দরীরা, ছবিগুলো দেখলেই বুঝবেন

আপনারা সকলেই জানেন ভগবানের তৈরি এই দুনিয়াতে সব রকম লোক পাওয়া যায় । ভগবান অনেক রকমের মানুষ বানিয়েছেন আর সকলের মধ্যে আলাদা আলাদা রকমের কোন না কোন গুন আছে ।আর সবাই রকম রকম কাজে পারদর্শী ।আর এমন কিছু সুন্দর দেখতে মানুষ আছে যাদের দেখলে আপনি বলবেন ভগবান তাদের সময় নিয়ে বানিয়েছেন ।আবার কিছু মানুষ একদম সাধারন হয়ে থাকে ।আর এই দুনিয়ায় সুন্দর লোকের অভাব নেই ।

দুনিয়ায় এমন কিছু দেশ আছে যেখানে সুন্দরী মহিলা অনেক আছে ।আর আমরা যদি ভারতের কথা বলে থাকি তাহলে এখানে সুন্দরী মহিলার দিক থেকে একদম পিছিয়ে নেই ।আর এখানে মেয়েদের সুন্দরতা দেখে অনেক ভালো ভালো লোক পাগল হয়ে যান তাদের জন্যে ।আরে বলিউডে এমন কিছু অভিনেত্রি আছেন যাদের চর্চা সব জায়গায় হয়ে থাকে ।

আর বলিউডের চমক এই কয়েক জন অভিবনেত্রির জন্যে রয়েছে ।কিন্তু আজ আমরা কোন বলিউডের অভিনেত্রিদের সুন্দরতার কথা বল না আজ আমরা কথা বলব বিদেশী সুন্দরী মহিলাদের নিয়ে ।

আর এই সুন্দরী মহিলার কাছে বলিউডের সকল অভিনেত্রি ফেল হয়ে যায় আর তাঁর ছবি দেখলে আপনি তা বুঝতে পারবেন ।

আসলে আজ আমরা ইন্দোনেশিয়ার একজন বড় মডেলের কথা আপনাদের বলব ।আর যার সুন্দরতার জন্যে সকলেই পাগল ।আর তাঁর এই সুন্দরতা দেখার পর আপনিও তাঁর দীবানা হয়ে যাবেন ।আর এখন সারা দুনিয়া এই মহিলার সুন্দরতার চর্চা করছে ।আর এই ইন্দোনেশিয়ান মডেল এখন সারা সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব চর্চা হচ্ছে ।

আর এই মডেল এত সুন্দরী যে একে দেখার পর সকলেই মুখে একটি কথা ,এর আগে এত সুন্দর মডেল তারা কখন দেখনি ।আর এই সুন্দরী মডেলের সাথে পরীদের তুলনা করা হয়ে থাকে ।আর আজ আমরা এই ইন্দোনেশিয়ান মডেলকে নিয়ে কিছু কথা আপনাদের জানাব ।আসলে এই মডেলের নাম অলদীনা জেনা ।

আর এই মডেলকে ইন্দোনেশিয়ায় বেবী ডল হিসাবে জানা হয়ে থাকে ।আর তাকে এই রকম নামে বলা হয়ে থাকে কারন তাকে দেখতে একদম একটি পুতুলের মত ।আর এখন তাঁর ছবি সারা দুনিয়াতে খুব ভাইরাল হচ্ছে ।আর মানুষ তাঁর সুন্দরতা দেখে একদম মুগ্ধ ।