ভেঙে গেল শাকিব-অপুর সংসার

তারকা দম্পতি শাকিব-অপুর গোপন বিয়ের খবর জানাজানি হয় চলতি বছর ১০ এপ্রিল। এরপর থেকে চলচ্চিত্র পাড়ায় গুঞ্জন ছিল শাকিব-অপুর সংসার নাকি টিকবে না! সেই গুঞ্জন সত্যি হচ্ছে। অবশেষে ভেঙে যাচ্ছে শাকিব-অপুর সংসার।

শাকিবের পক্ষ থেকে অপুকে ডিভোর্সের চিঠিও দেয়া হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অপু এখনও ডিভোর্স লেটার রিসিভ করেননি।

শাকিব খানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শাকিব-অপু গোপনে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। বিয়ের ৮ বছরের মাথায় তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জয়ের জন্ম হয়।

আরও খবর : ভক্তদের সাথে খারাপ আচরণ করলেন জেনিফার লরেন্স

অপুর কাছে ডিভোর্সের চিঠি পাঠানোর বিষয়টি ভারতের হায়দ্রাবাদ থেকে শাকিব খান সংবাদ মাধ্যমকে স্ত্রী অপুকে ডিভোর্সের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৩০ নভেম্বর হায়দ্রাবাদ যাওয়ার আগে ডিভোর্স পেপারে স্বাক্ষর করেছি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ ডিভোর্সের আইনজীবী ছিলেন রোকন উদ্দিন মাহমুদ।

অপরদিকে চিত্র নায়িকা অপু বিশ্বাস সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘গণমাধ্যমের খবরে জেনেছি শাকিব আমাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। কিন্তু আমি তা হাতে পাইনি। কারণ আমি বাসায় ছিলাম না।’

শাকিব তার পক্ষ থেকে ডিভোর্স দিয়েছেন এমনটা জানা গেছে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জাগো নিউজকে এসব কথা বলেন অপু বিশ্বাস।

তিনি বলেন, বাসায় গেলে বলতে পারব চিঠি এসেছে কি-না। চিঠি পেলে কী ব্যবস্থা নেবেন- জানতে চাইলে অপু বলেন, কী আর ব্যবস্থা নেব। সে যদি এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে আমার আর কিছু করার থাকবে না। আমার পরিবারের লোকদের সঙ্গে বসে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেব। এমন কিছু হলে আমাদের দু’জনেরই ইমেজ নষ্ট হবে। আমাদের একমাত্র ছেলের জীবনটাও একটা ধাক্কার মধ্যে পড়বে। দেখা যাক কী হয়।

শাকিব-অপুর গোপনে বিয়ে করেন ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। বিয়ের ৮ বছরের মাথায় তাদের কোল জুড়ে আসে এক পুত্রসন্তান। তার নাম আব্রাহাম খান জয়। ২০১৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জয়ের জন্ম হয়।

শাকিব খান বর্তমানে নোলক ছবির শুটিং এ হায়দ্রাবাদে আছেন। এর বেশি তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এসএইচ-১০/০৪/১২ (বিনোদন ডেস্ক, তথ্যসূত্র : জাগোনিউজ)

জেসিয়া মিস ওয়ার্ল্ডের ফাইনালে

‘সবাইকে ধন্যবাদ। প্রতিযোগিতার হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ পর্বে আমি বিজয়ী হয়েছি। মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ প্রতিযোগিতায় সেরা ৪০-এ নির্বাচিত হয়েছি আমি। আমার জন্য দোয়া করবেন।’ আজ রোববার সকালে ফেসবুকে নিজের সাফল্যের খবর জানিয়েছেন জেসিয়া ইসলাম নিজেই।

বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামের জন্য দারুণ খবর! মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ‘ফাইনাল ফোর্টি’তে থাকছেন তিনি। জানা গেছে, প্রতিযোগিতার ‘হেড টু হেড চ্যালেঞ্জ’ পর্বের অন্যতম বিজয়ী হয়েছেন জেসিয়া। বিশ্বের ১২০ জন প্রতিযোগীর মধ্য থেকে এই সেরা ৪০ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। আর এই ৪০ জনের মধ্যে আছেন জেসিয়া। ‘মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতার ফাইনালের মঞ্চে থাকবেন তিনি।

আরও খবর : শেরলিনের বুকে হাত? তারপর…

সম্প্রতি আইবিসি ফ্যাশন পার্টিতে অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামকেও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। চীনের শেনজেনে নতুন গড়ে ওঠা ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস সেন্টার (আইবিসি) ঘুরে দেখেছেন সবাই। শিমেলং অ্যাকুয়া স্কুলে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেসিয়া।

এখানে পশুসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে মহাসাগর সংরক্ষণ প্রকল্প সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে মিস ওয়ার্ল্ড ২০১৭ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিযোগীদের। তাঁরা অংশ নিয়েছেন চতুর্থ চীন আন্তর্জাতিক সার্কাস উৎসবে।

আগেই জানানো হয়েছে, ১৮ নভেম্বর স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় চীনের সানাইয়া শহরে শুরু হবে ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ডের চূড়ান্ত অনুষ্ঠান। আড়াই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানটি ডিজাইন করছে বেইজিং রাইজ।

উপস্থাপনা করবেন টিম ভিনসেন্ট, মেগান ইয়ং ও স্টিভ ডগলাস। নতুন মিস ওয়ার্ল্ডকে মুকুট পরিয়ে দেবেন বর্তমান বিশ্বসুন্দরী স্টেফানি দেল ভালে। চীনের সানাইয়া সিটি এরেনায় ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড চূড়ান্ত অনুষ্ঠানের মঞ্চকে ঘিরে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা।

এসএইচ-২২/১২/১১ (বিনোদন ডেস্ক)

কিভাবে শাকিব খানকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন অপু (ভিডিও)

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা জুটি শাকিব খান এবং অপু বিশ্বাস। শাকিব এখন ছবির শুটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। তাই শাকিব খানকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতে ভূল করেন নাই অপু বিশ্বাস। অপুর ঈদের শুভেচ্ছা জানানোর ভিডিও প্রথম আলোর সৌজন্যে উপস্থাপন করা হলো।

অনলাইন ডেস্ক

শাকিব খানকে বহিষ্কার রহস্যজনক!

‘দর্শকেরা কিন্তু হল থেকে সরে গিয়েছিল। প্রখ্যাত অভিনেতা শাকিব খানের নেতৃত্বে চলচ্চিত্রে পুনরুজ্জীবন ঘটছে। গত কয়েক মাসে শাকিব খানকে দুইবার বহিষ্কার করে দিল!’ বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে এসে এমনটাই বললেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

গতকাল শনিবার রাতে এফডিসির চলমান আন্দোলন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও সেন্সর বোর্ড সদস্য ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের লাঞ্ছনা, শাকিব খান, জাজ মাল্টিমিডিয়া ইস্যুসহ চলচ্চিত্রের নানা বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেন। শাকিব খানকে বহিষ্কারের বিষয়টি রহস্যজনক বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

যৌথ প্রযোজনার চলচ্চিত্রে অনিয়মের অভিযোগ এনে কিছুদিন ধরেই চলচ্চিত্রের শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীদের ১৬টি সংগঠনের একাংশ মিলে গঠিত নতুন সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবার আন্দোলন করে। তারা ‘নবাব’ ও ‘বস-২’ সিনেমা দুটির বিরুদ্ধে যৌথ প্রযোজনার নিয়ম না মানার অভিযোগ করে। এ নিয়ে চলচ্চিত্র পরিবার দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিপক্ষে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘যৌথ প্রযোজনার সিনেমাকে কেন্দ্র করে সেন্সর বোর্ডের বৈঠকে আক্রমণ করা একদম নীতিবহির্ভূত কাজ। এর সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ছবি নির্মাণের কোনো সম্পর্কই নাই, মানে তাদের কোনো দোষই নাই। ওখানে যে সম্মানিত সদস্য নওশাদ সাহেবের গায়ে হাত দিয়েছেন, এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক ঘটনা। এবং বাংলাদেশের পদকপ্রাপ্ত শিল্পী মিশাদের উপস্থিতিতে এই লাঞ্ছনা খারাপ ঘটনা।’ তিনি বলেন, ‘আবার বলছি, যৌথ সিনেমার নির্মাণ থেকে শুরু করে মুক্তি পর্যন্ত সবকিছুর সিদ্ধান্ত নেয় এফডিসির প্রিভিউ কমিটি। এখানে কোনো মন্ত্রীও বসেন না, সচিবও বসেন না।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলচ্চিত্র পুনরুজ্জীবনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করে হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর অন্ধকার পোড়োবাড়ি এফডিসি চত্বরকে পুনরুজ্জীবিত করেছি আমি। এখানে কোটি টাকার আধুনিক ডিজিটাল যন্ত্রপাতি, ক্যামেরা—সবই এনে দিয়েছি। এখন এফডিসিতে রমরমা অবস্থা, প্রতিদিন শুটিং হচ্ছে। শেখ হাসিনা চলচ্চিত্রকে শিল্প ঘোষণা করেছেন। সবকিছু করার পরে যখন ছবি তৈরি হচ্ছে এবং দর্শকেরা আবার ফেরত আসছে, আমি হল সংস্কার করার জন্য টাকা জোগাড় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, টাকা দিয়ে দেন। আমি দিয়ে দেব, হল ডিজিটাল করুন, যাতে মানুষ হলে যায়।’

মন্ত্রী বলেন, যৌথ প্রযোজনার নিয়ম না মানা ও জ্যেষ্ঠ শিল্পীদের প্রতি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের অভিযোগ এনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিবারের ব্যানারে আন্দোলনকারীর শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক ও কলাকুশলীদের একাংশ প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়াকে নিষিদ্ধ ও শাকিব খানকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তে তিনি অবাক হয়েছেন। তাঁর কাছে এটা রহস্যজনক লাগছে বলেও উল্লেখ করেছেন।

হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘আমি ওদের পক্ষে বা বিপক্ষে না। ওটা আমার কোনো ব্যাপার না। আমি বলছি যে আজকে জাজ মাল্টিমিডিয়াকে বহিষ্কার করে দিল, শাকিব খানকে আজীবন কাজ করতে দেবে না। এই জিনিসগুলো আমার কাছে রহস্যজনক লাগছে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, চলচ্চিত্র জগতের যে পরিবার, যাঁরা প্রখ্যাত অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজক, তাঁরা তাঁদের অভ্যন্তরীণ ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে লিপ্ত। সেখানে সরকারকে কেন জড়াচ্ছে? মন্ত্রীকে কেন জড়াচ্ছে? আর আমার কাছে এটা রহস্যজনক মনে হচ্ছে, একটা অস্থিরতা দেখছি।’

অনলাইন ডেস্ক

অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ শাকিব খান

অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে চিত্রনায়ক শাকিব খানকে। শনিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কুশলীদের যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে পরিচালক সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সমিতির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ দুপুরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিতে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কুশলীদের সব সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্ব সম্মতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে, যেহেতু চিত্রনায়ক শাকিব খান দেশের সমগ্র চলচ্চিত্র পরিচালকদের অসম্মান ও হেয় প্রতিপন্ন করে জাতীয় দৈনিকসহ মিডিয়াতে বক্তব্য দিয়েছেন। বর্তমানেও একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সব কুশলী মনে করেন, তিনি (শাকিব) দেশের চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট কুশলীদের তুচ্ছজ্ঞান করেছেন। কারণ পরিচালকই হচ্ছেন ‘ক্যাপ্টেন অব দ্য শীপ’। তাদের অপমান করা মানে কুশলীদের অপমান করা। তাই আজ থেকে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সকল সংগঠনের সদস্যরা অনির্দিষ্টকালের জন্য শাকিব খানের সাথে কোনো সিনেমার শুটিং ও ডাবিংয়ের কাজে অংশগ্রহণ করবেন না।

বাংলাদেশ পরিচালক সমিতির প্যাডে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে পরিচালক সমিতির সভাপতি, মহাসচিবের স্বাক্ষর রয়েছে। এ ছাড়া চলচ্চিত্র গ্রাহক সংস্থা, ফিল্ম এডিটরস গিল্ড, চলচ্চিত্র ফাইট ডিরেক্টরস অ্যাসোসিয়েশন, চলচ্চিত্র নৃত্য পরিচালক সমিতি, চলচ্চিত্র স্থিরচিত্রগ্রাহক সমিতি, চলচ্চিত্র উৎপাদন ব্যবস্থাপক সমিতি, চলচ্চিত্র উৎপাদন সহকারী ব্যবস্থাপক সমিতি, চলচ্চিত্র অঙ্গসজ্জা সমিতি, চলচ্চিত্র রূপসজ্জাকর সমিতি, চলচ্চিত্র লেখক সমিতির সভাপতির স্বাক্ষর রয়েছে।

সম্প্রতি সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা শাকিব-অপুর বিয়ে। এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ দেশের পরিচালক, প্রযোজক ও শিল্পীদের বেকার বলেন শাকিব খান। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তিনি বলে আসছিলেন, বাংলাদেশে কোনো ভালো টেকনিশিয়ান নেই।

তার এ মন্তব্যে পরিচালকদের হেয় করা হয়েছে উল্লেখ করে কয়েকদিন আগে শাকিব খানের কাছে পরিচালক সমিতি থেকে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়টির সঠিক সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত সকল পরিচালককে শাকিব খানকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণ না করার আহ্বান জানানো হয়। এ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই নির্মাতারা নানাভাবে তাদের মনোভাব ব্যক্ত করছিলেন।

আরএম-৩২/২৯-০৪ (বিনোদন ডেস্ক)