সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক জুটন চৌধুরী আর নেই

সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক জুটন চৌধুরী আর নেই। জানাগেছে শনিবার রাত ১২ টা ১০ মিনিটে তিনি মারা গেছেন। খবরটি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।

জায়েদ খান তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্টাটাস শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন বিনোদন সাংবাদিক জুটন চৌধুরী আর নেই। শনিবার রাত ১টার দিকে পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। এমন খবর পেয়ে অনেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং সাংবাদিক জুটন চৌধুরীর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

চলচ্চিত্র সাংবাদিকরাই তাদের লেখনি দিয়ে তারকাদের কর্ম-খ্যাতি ছড়িয়ে দেন সারাদেশের মানুষের কাছে। এমনই একজন সিনিয়র চলচ্চিত্র সাংবাদিক জুটন চৌধুরী কোলন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে বেশ ক’মাস ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি তার বিপদে সবাইকে পাশে থাকার জন্য অনুরোধও জানান।

জুটন চৌধুরী

দীর্ঘদিন দেশের জনপ্রিয় পাক্ষিক ম্যাগাজিন আনন্দধারা’য় চিফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জুটন চৌধুরী। এরপর নিজের সম্পাদনায় ‘বিনোদনচিত্র’ নামের একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করেন। সর্বশেষ তিনি দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন-এ সিনিয়র প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রায় ২৫ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি সক্রিয়ভাবে রিপোর্টার্স ইউনিটি, বাচসাচ, বিসিআরএ-সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

কিছু রোমান্টিক ছবিতে ইরেশ-মিমের বিয়ে দেখুন

বিয়ে করলেন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ইরেশ যাকের ও মিম। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বনানীতে ইরেশের বাসায় গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের পর রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, কিংবদন্তি অভিনেতা আলী যাকের ও সারা যাকের দম্পতির একমাত্র ছেলে ইরেশ যাকের এবং অভিনেত্রী মিথিলার বড় বোন ও পরিচালক অমিতাভ রেজার সাবেক স্ত্রী হচ্ছেন মিম রশিদ।

ইরেশ ও মিমের গায়ে হলুদ ও বিয়ে অনুষ্ঠানের রোমান্টিক কিছু মুহূর্তের ছবি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

মেহেদি অনুষ্ঠানে ইরেশ যাকের ও মিম রশিদ।

গায়ে হলুদ ও মেহেদি অনুষ্ঠানে মা সারা যাকের, বাবা আলী যাকের, বোন শ্রিয়া সর্বজয়ার সঙ্গে ইরেশ ও মিম।

মিমের বাঁপাশে তার শ্বশুর-শাশুড়ি আর ইরেশের ডান পাশে তার শ্বশুর-শাশুড়ি।

বড় বোন মিথিলার সঙ্গে মিম রশিদ।

বিয়ের অনুষ্ঠানে নববধূকে আংটি পরিয়ে দেন ইরেশ যাকের।

চলছে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। আয়নায় দুজন দুজনকে দেখছেন।

বিয়ের আসরে মিম রশিদ ও ইরেশ যাকের।

মালাবদলের পর নবদম্পতি।

বিয়েতে ইরেশের উকিল বাবা হয়েছেন আসাদুজ্জামান নূর।

স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি ও ননদের সঙ্গে মিম।

নবদম্পতির হাস্যোজ্জ্বলএকটি মুহূর্ত।
ছবি সৌজন্যে- সারা যাকের।
সৌজন্যেঃ যুগান্তর

ব্রেকিংঃ অপু বিশ্বাস ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করে যা করতে যাচ্ছেন

অপু বিশ্বাস আবারো মন্দিরে যাবেন এবং পূজাও দিবেন বলে জানা গেছে! তার পরিবারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে সেটা শাকিব খানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে তালাক হওয়ার পরই হবে বলে জানা গেছে।

তালাকের নোটিশ পাওয়ার পর চলতি মাসের ১৫ তারিখ প্রথম শালিসে শাকিব খান যে উপস্থিত থাকছেন না সেটাও নিশ্চিত হওয়া গেছে। এমনকি শাকিব অপুর ওপর এতটাই বিরক্ত যে তিনি কোনোভাবেই সংসার করবেন না। শুধু তাদের সন্তান আব্রাহাম খান জয়ের দিকে তাকিয়ে এতদিন সহ্য করে গেছেন শাকিব।

তবে অপু বিশ্বাস শাকিবের সঙ্গে সংসার করার আগ্রহের কথা জানিয়ে এ অনিন্দ্য সুন্দরী চিত্রনায়িকা। ২০০৮ সালে গোপনে শাকিব খানকে বিয়ে করে অপু বিশ্বাস ধর্মান্তরিত হয়ে অপু ইসলাম নাম ধারণ করেন। স্বামীর সংসারে থাকার জন্য অপু মাঝে
অভিনয় ছেড়ে নামাজ, রোজা, হজ নিয়মিত আদায়ের পাশাপাশি স্বামী-সন্তান নিয়ে সুখে সংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তিনি শাকিবকে না জানিয়ে সন্তানকে একা ফেলে বিদেশে যাওয়ার মতো অন্যায় করায় অপুকে আর ছাড় দিচ্ছেন না তিনি।

ফলে তালাকের পর অপু বিশ্বাস কি অপু ইসলাম হিসাবেই থাকবেন নাকি আবারো পরিবারের কাছে চলে যাবেন সেটা নিয়ে থেকে বগুড়াতে তার বাড়ির কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকে। তারা বলেছেন, অপু বিশ্বাস এখনো গরুর মাংস খান না। এমনকি তার মনের মধ্যে দেবতারাও বাস করেন। পরিবারের একজন খুব শক্ত অবস্থান নিয়ে বলেছেন, অপু ভুল করেছিল। এর প্রায়শ্চিত্ত করবেন তিনি। ভবিষ্যতে আবারো অপু মন্দিরে যাবেন, পূজা দিবেন। তিনি আরো বলেন, বাস্তব জীবন সিনেমার মতো না। বাস্তব বড় কঠিন। ধর্মান্তরিত হওয়ায় অপু বিশ্বাসের পরিবার খুব কষ্ট পেয়েছিল। আশা করছি অপু আবারো হিন্দু ধর্মই পালন করবেন।

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে শুক্রবার দুপুর ২ টার পর তার ব্যক্তিগত ফোনটি একজন সহকারী ধরে জানান, দিদি একটা ফটোশট করছেন। আপনাকে পরে ফোন করছি। এরপর প্রতিবেদক আবারো ফোন করলে তিনি ধরেননি। সৌজন্যেঃ পূর্বপশ্চিম

এশিয়ার সেরা ১০ মাথা নষ্ট করা সুপার সুন্দরী, ছবিতে দেখুন

সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন টেলি অভিনেত্রী রুবিনা দিলাইকও

গওহর খান রয়েছেন ৯ নম্বরে

এশিয়ার সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় ৮ নম্বরে রয়েছেন শ্রদ্ধা কাপুর

টেলি অভিনেত্রী দ্রাস্তি ধামির পর ৭ নম্বরে রয়েছে ক্যাটরিনা কাইফ

ওই তালিকার ৬ নম্বরে রয়েছেন দ্রাস্তি ধামি

এশিয়ার টপ সেক্সিয়েস্ট ওম্যান-এর তালিকায় ৪ নম্বরে রয়েছেন আলিয়া ভাট

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং নিয়া শর্মার পর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন দীপিকা পাডুকন

ওই তালিকার ২ নম্বরে রয়েছেন নিয়া শর্মা

তালিকার এক নম্বরেই রয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

অল্প সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন জনপ্রিয় যে তারকারা

ঢাকাই চলচ্চিত্রে এমন কিছু অভিনেতা ছিলেন যাদের সাবলীল অভিনয় দেখে এক সময় মুগ্ধ হয়েছেন অসংখ্য চলচ্চিত্রপ্রেমী। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে আঁকাশচুম্বি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন এ তারকারা। তাদের মধ্যে এমন কিছু তারকা রয়েছেন যারা খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করা অবস্থায় পাড়ি দিয়েছেন পরপারে।

হঠাৎ করে হাজারো দর্শক-ভক্তদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন তারা। ঢাকাই চলচ্চিত্রের এমন পাঁচ জনপ্রিয় তারকার অকাল মৃত্যুর কথা জানাবো আজ।

জাফর ইকবাল
নন্দিত চিত্রনায়ক জাফর ইকবাল। আশির দশকের বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তিনি একাধারে সংগীত শিল্পী, অভিনেতা, মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি পারিবারিক অশান্তির কারণে মানসিকভাবে অনেক ভেঙ্গে পড়েন। শুরু করেন মদ্য পান, এবং অনিয়ম জীবন যাপন। পরবর্তীতে তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। তার হার্ট এবং কিডনি নষ্ট হয়ে যায়। ১৯৯২ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি না ফেরার দেশে চলে যান।

জাফর ইকবাল ১৯৬৬ সালে প্রথম একটি ব্যান্ড দল গড়ে তোলেন এবং তার প্রথম সিনেমায় গাওয়া গান ছিল ‘পিচ ঢালা পথ’। জাফর ইকবাল এর কণ্ঠে ‘হয় যদি বদনাম হোক আরো’ গানটি একসময় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। জাফর ইকবাল বাংলদেশের ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের স্টাইলিশ নায়কদের অন্যতম জাফর ইকবাল। তিনি চিরসবুজ নায়ক হিসেবে পরিচিত। তার অভিনীত প্রথম সিনেমার নাম আপন পর। এই সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন কবরী। জাফর ইকবালের সঙ্গে অভিনেত্রী ববিতা জুটি হয়ে প্রায় ৩০টির মত সিনেমা করেন। সবমিলিয়ে তিনি প্রায় ১৫০টি সিনেমা করেন।

সালমান শাহ
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের আলোচিত ও সুদর্শন নায়ক সালমান শাহ। সালমান শাহের আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন। জনপ্রিয় এই নায়ক নব্বইয়ের দশকের বাংলাদেশে সাড়া জাগানো অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু নিয়ে কেউ কেউ অভিযোগ করে যে তাকে হত্যা করা হয়। কিন্তু তার ঘরে সিলিং ফ্যানে ঝুলে থাকা মৃতদেহ নিয়ে কোনো আইনী সুরাহা শেষ পর্যন্ত হয়নি।

সালমান শাহ ১৯৭১ সালে সিলেট জেলায় অবস্থিত জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কমর উদ্দিন চৌধুরী ও মাতা নীলা চৌধুরী। তিনি পরিবারের বড় ছেলে। সালমান শাহ ১২ আগস্ট ১৯৯২ বিয়ে করেন, এবং তার স্ত্রীর নাম সামিরা।

সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্র অভিনয় করেন তিনি। এ ছাড়াও টেলিভিশনে তার অভিনীত বেশ কয়েকটি নাটক প্রচারিত হয়। ১৯৯৩ সালে তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পায়। একই সিনেমায় নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়।

চিত্রনায়ক জসিম
আশির দশকের একজন সফল ও জনপ্রিয় অভিনেতা জসিম। এ অভিনেতা ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর না ফেরার দেশে চলে যান। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন। ঢাকাই চলচ্চিত্রে তিনিই প্রথম মারপিট শুরু করেন।

তিনি একজন অভিনেতা, প্রযোজক ও ফাইট ডিরেক্টর। তার আসল নাম তার আবদুল খায়ের জসিম উদ্দিন। খলনায়ক চরিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবেও সফলতা পেয়েছিলেন। দেওয়ান নজরুল পরিচালিত দোস্ত দুশমন সিনেমায় প্রথম অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র জীবন শুরু হয়। একই পরিচালকের পরিচালনায় সবুজ সাথী চলচ্চিত্রে প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন জসিম।

তার উল্লেখযোগ্য সিনেমা রংবাজ, রাজ দুলারী, দোস্ত দুশমন, তুফান, জবাব, নাগ নাগিনী, বদলা, বারুদ, সুন্দরী, কসাই, লালু মাস্তান, নবাবজাদা, অভিযান, কালিয়া, বাংলার নায়ক, গরিবের ওস্তাদ, ভাইবোন, মেয়েরাও মানুষ প্রভৃতি। এসব সিনেমায় তিনি খলনায়ক হিসেবেই অভিনয় করেছিলেন। নায়ক হিসেবে জসিমের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে কয়েকটি হলো—পরিবার, রাজা বাবু, বুকের ধন, স্বামী কেন আসামি, লাল গোলাপ, দাগী, টাইগার, হাবিলদার প্রভৃতি।

জসিমের প্রথম স্ত্রী ছিলেন সুচরিতা। পরে তিনি ঢাকার প্রথম সবাক সিনেমার নায়িকা পূর্ণিমা সেনগুপ্তার মেয়ে নাসরিনকে বিয়ে করেন।

সোহেল চৌধুরী
জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী। ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে তাকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় আততায়ীর ছোড়া গুলিতে সোহেল চৌধুরীর বন্ধু আবুল কালামও নিহত হন। তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ৩৫ বছর। এ সময় আজাদ (৩৫) এবং ট্রাম্পস ক্লাবের কর্মচারী নিরব (২৫) ও দাইয়ান (৩৫) আহত হন। গুলির ঘটনার পরপরই জনতা আদনান সিদ্দিকী নামের এক সন্ত্রাসীকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। অন্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনাটি ঘটে ট্রাম্পস ক্লাবে। সোহেল চৌধুরীর বাসা থেকে ট্রাম্পস ক্লাবের দুরত্ব ২৫-৩০ গজের মতো। সোহেল চৌধুরী ও তার কয়েকজন বন্ধুরা হেঁটে ক্লাবের সামনে যান। ক্লাবের নীচ তলার কলাপসিবল গেটের কাছে দুই যুবক তাদের গতিরোধ করে। একপর্যায়ে এক যুবক রিভলবার বের করে সোহেল চৌধুরীর বুকে গুলি করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবের ১১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

দীর্ঘদিন ধরে তার হত্যার বিচার ঝুলে রয়েছে। তার স্বজন ও সহকর্মীরা আজও ভোলেননি তাকে। তারা হত্যাকারীদের শাস্তি দাবি করেন। হত্যা মামলাটি কয়েক বছর ধরে হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে আছে।

চিত্রনায়ক মান্না
নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক মান্না। চিত্র নায়ক মান্না ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে সবাইকে কাঁদিয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। মৃত্যুর আগের দিন রাতেও শুটিং করেছেন তিনি। হঠাৎ মধ্যরাতে বুকে ব্যথা অনুভব করলে সহকারী মিন্টুকে নিয়ে নিজে গাড়ি চালিয়ে উত্তরার বাসা থেকে গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে যান তিনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ১৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় মান্না আর নেই।

১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় জন্মগ্রহণ করেন মান্না। তার আসল নাম এস. এম. আসলাম তালুকদার। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাস করার পরই ১৯৮৪ সালে তিনি ‘নতুন মুখের সন্ধানে’র মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আসেন। এরপর থেকে একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজেকে সেরা নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং চলচ্চিত্র অঙ্গনে তার শক্ত অবস্থান গড়ে তোলেন। সমগ্র চলচ্চিত্র জীবনে তিনি ২০০ এর অধিক সিনেমায় অভিনয় করেন। মান্না বঞ্চিত মানুষের কথা সিনেমার পর্দায় সুনিপুণভাবে তুলে ধরেছেন।

নব্বইয়ের দশকে অশ্লীল চলচ্চিত্র নির্মাণের ধারা শুরু হলে যে কজন প্রথমেই এর প্রতিবাদ করেছিলেন, তাদের মধ্যে নায়ক মান্না ছিলেন অন্যতম। রীতিমতো যুদ্ধ করেছেন অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিরুদ্ধে। এ সব চলচ্চিত্রের নির্মাতাদের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছিলেন তিনি। দাঙ্গা, লুটতরাজ, তেজী, আম্মাজান, আব্বাজান প্রভৃতি চলচ্চিত্রে চমৎকার অভিনয় এর মাধ্যমে জনপ্রিয়তার চূড়া ছুঁয়েছিলেন মান্না। তার অভিনীত আম্মাজান চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের সর্বাধিক ব্যবসাসফল ও জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম।

মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

বলিউডের যে ৯ ছবি নতুন বছরে দর্শক মাতাবে

‘থাগস অফ হিন্দুস্তান’ : বিজয়কৃষ্ণ আচার্য পরিচালিত এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অমিতাভ বচ্চন, আমির খান, ক্যাটরিনা কাইফ এবং সানা ফতিমা শেখ। আগামী বছরের ৭ নভেম্বর মুক্তি পাবে এই ছবি।


‘হিচকি’ : যশরাজ ফিল্মসের এই ছবিতে রয়েছেন রানি মুখার্জি।


‘গোল্ড’ : স্বাধীনতার পরে ভারত কীভাবে অলিম্পিকে প্রথম সোনার পদক জিতেছিলেন, তা নিয়েই এই ছবি। এতে রয়েছেন অক্ষয় কুমার।


‘কালাকান্দি’ : সইফ আলি খান অভিনীত এই ছবি মুক্তি পাবে ১২ জানুয়ারি, ২০১৮।


‘প্যাড-ম্যান’ : গ্রামীণ অঞ্চলের মহিলাদের কাছে স্যানিটারি ন্যাপকিন পৌঁছে দেওয়াই মূল উদ্দেশ্য ছিল এই ব্যক্তির। অভিনয় করেছেন অক্ষয় কুমার এবং সোনম কাপুর। ২৬ জানুয়ারি মুক্তি পাওয়ার কথা।


‘ফ্যানে খান’ : অতুল মঞ্জরেকর পরিচালিত এই ছবিতে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া ও রাজকুমার রাও। ১৩ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা ছবিটি।

‘মণিকর্ণিকা’ : রানি লক্ষ্মীবাঈ-এর বায়োপিকে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। এ ছাড়াও রয়েছেন অঙ্কিতা লোখান্ডে। ২০১৮ সালের ২৭ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা।


‘ধড়ক’ : ধর্মা প্রোডাকশনের এই ছবিতে অভিনয় করবেন দুই স্টার কিড। এক জন হলেন শাহিদ কাপুরের ভাই ঈশান খট্টর এবং আর এক জন শ্রীদেবীর মেয়ে জাহ্নবী। ২০১৮ সালের ৬ জুলাই মুক্তি পাবে।


‘ভির দি ওয়েডিং’ : ছবিতে রয়েছেন কারিনা কাপুর, সোনম কাপুর, স্বরা ভাস্কর ও শিখা তালসানিয়া।

নাট্যনির্মাতা মাসুদ সেজান সিসিইউতে

ছোট পর্দার অন্যতম জনপ্রিয় নির্মাতা মাসুদ সেজান গুরুতর অসুস্থ। রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রয়েছেন তিনি। মাসুদ সেজানের ভাই আসাদ রহমান জানান, ১০ ডিসেম্বর মধ্যাহ্নভোজের পর মাসুদ সেজান বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে এখন তিনি আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ।

জানা গেছে, মাসুদ সেজানের গ্যাসের সমস্যা আছে। হার্টে রক্তের সরবরাহ কমে গেছে। সে জন্য সমস্যা হচ্ছে। চিকিৎসা চলছে। আজ তাঁর হার্টের এনজিওগ্রাম করার কথা রয়েছে।

মাসুদ সেজান পরিচালিত জনপ্রিয় নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘চলিতেছে সার্কাস’, ‘ডুগডুগি’, ‘পল্টিবাজ’, ‘অতঃপর টিয়া পাখি উড়িয়া চলিল’, ‘ফোর সাবজেক্ট’, ‘একদা এক বাঘের গলায় হাড় ফুটিয়া ছিল’, ‘সুখ টান’, ‘হাতেম আলী’।